কবিতা

আবার এসেছে ফিরে

মাসুদ রানা

[বগুড়ার কৃষক শুকুর আলী ও তাঁর পুত্র সিজান হোসেন, যাঁদেরকে আমি চিনি না, কিন্তু রক্ত সম্পর্কিত মনে করি, সেই পিতা-পুত্রের মৌবাইল ফৌনে একত্রে রাজনৈতিক চুটকি শোনার দায়ে পুলিসের হাতে গ্রেফতারিত হওয়ার প্রতিবাদে আমি লিখেছি এই কবিতাটি। কবিতাটি উৎসর্গ করছি তাঁদেরই মতো গ্রাম ও নগরীর প্রান্তিক মানুষদের প্রতি, যাঁদের আমি আমার রক্ত ও নাড়ি হিসেবে মানি।]
- মাসুদ রানা

আবার এসেছে দেশে পুরনো সে-বাকশাল,
পাল্টেছে বিধি-বিধান মানুষ আর দিনকালঃ
দেখতে মানা, শুনতে মানা, হাসতে মানা। ...»

নোবেল-জয়ী গুন্টার গ্রাসের কবিতাঃ ইরান নয় ইসরায়েলই বিশ্ব-নিরাপত্তার প্রতি হুমকি

ইউকেবেঙ্গলি - ৬ এপ্রিল ২০১২, শুক্রবারঃ  সাহিত্যে নোবেল-জয়ী জার্মান ঔপনাসিক, কবি, নাট্যকার, ভাষ্কর ও গ্রাফিক ডিজাইনার ও বামপন্থী বুদ্ধিজীবী গুয়েন্টার গ্রাস ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে তুলনা করে একটি কবিতা লিখে এবং সে-কবিতায় ইউরোপের প্রচলিত ধারণার বাইরে ইরানের বদলে ইসরায়েলের ...»

নিঃশব্দের অশ্বারোহী

মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান

আপনি যেখানটায় দাঁড়িয়ে আছেন ঠিক,

ঐ জায়গা থেকে পূর্বদিকে সোজা কালো

পিচঢালা যে রাস্তাটি ডানের গলির ভেতর ঢুকে

গেছে; যেমনটি যায় আমাদের স্বপ্ন

অজানা কোন শোলে ইদুরের গর্তে;

আপনাকে যেতে হবে ঐ রাস্তায় ।

 

ঐ রাস্তা ধরে ডানে একটা পার্লার রেখে বামের রাস্তায় যখন এসে পড়বেন

নিশ্চয় মুখে অতিরিক্ত পাউডার দেওয়া স্থূলাকার

এক রমণীর সাথে দেখা হবে-

উনি মুক্তা বানু । অন্তত গত চার বছর ধরে

শুধু এ এলাকার মানুষই নয়, গলির

মোড়ে যে পাগলটা রোজ পল্টনের ময়দানে ...»

মায়ামগ্নে বিদীর্ণ ছায়া

কাজল রশীদ

 




ছোট ছোট নদীর বিদীর্ণ ভাগ
উপচে পড়ছে ঢেউয়ের কার্নিশে
প্রতারনার বিষ ছড়াচ্ছে
জলের ভাঁজে
রকমারি সাইনবোর্ডে
রঙীন মায়ার মগ্ন প্রলোভন
ফড়িংয়েরা উড়ে যাচ্ছে দূরে ।

মেঘেরা বিরহবেলায় ঘন আচ্ছন্নতার
বেদনা উড়ায়
শ্যাওলার ভন্ডামি তীব্রস্রোতে ভেসে যায়
সেন্সরবিহীন দৃশ্যে প্রবঞ্চিত জলেশ্বর ।

 

 

১০ অক্টৌবর ২০০৯

দীর্ঘনিঃশ্বাস

সৈয়দ রুম্মান

১.
এক টুকরো ভোর চেয়ে গিয়েছি অচিন গাঁয়ে তুচ্ছ করে শিকড়ের ঢেউ
আরো গেছি চিরচেনা পাশের গলিতে হেঁটে হেঁটে

মজ্জায়-মগজে পীড়া, উদরের দাহকলা ভুল পড়ে গেছে;
প্রশ্ন করি দিন বদলের চাকা কোন স্ট্রীটে থাকে…
আগুনে পুড়াই চোখ, মুখে জাগে বিবমিষা-
প্রতীক্ষার আজো কোনো ইয়াত্তা দেখি না।

রিক্ততা ফিরায়ে দিয়ে অসহায়ে বাঁধিয়েছে ধূলোর উঠোন...
তবুও চলেছি বেয়ে এক ফালি চাঁদের কিরণে

২.
যে সুর বাজেনি প্রাণে সেই সুর বাজে কোনখানে
মর্ত্যের আধারে থেকে সাঁকো রচে আনাদি-আনন্তে
ছোট ছোট ছিঁটে পড়ে তার দেখা সাক্ষ্য হয় নিশীথ-উঠোনে... ...»

Syndicate content