সম্পাদকীয়

প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরোন, লিবিয়াতে একটি 'ইউ-টার্ন' মারুন!

সম্পাদকীয়

প্রধানমন্ত্রী ডেইভিড ক্যামেরোন 'ইউ-টার্ন' মারিতে মারিতে বিখ্যাত হইয়া উঠিয়াছেন। স্বাস্থ্য নীতিতে 'ইউ-টার্ন', অপরাধ দণ্ডনীতিতে 'ইউ-টার্ন'। আশা করা যায়, পেনশন-নীতিতেও 'ইউ-টার্ন' মারিবেন। আন্দোলন চলিতে থাকিলে, 'ইউ-টার্ন' তিনি আরও মারিবেন।

তবে তিনি ইহাকে দুর্বলতা বলিয়া মানিতে নারাজ। তাহার মতে, ইহা হইতেছে প্রকৃত শক্তি ও আস্থার প্রতীক। আমরা অনুরোধ করিয়া বলিব, প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরোন, আপনি শক্তি ও আস্থা প্রদর্শন করিয়া লিবিয়া-যুদ্ধেও একটি 'ইউ'টার্ন' মারুন। ...»

বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধ ও হিং-টিং-ছট

বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে কৃত যুদ্ধাপরাধের বিচার-প্রক্রিয়া শুরু হইয়াছে চার দশক পর। ইংরেজিতে একটি প্রবাদবাক্য আছে, যাহার অর্থঃ না হওয়ার চাহিতে বিলম্বে হওয়া ভাল। ক্ষমতাসীন দলের জন্য বিলম্বে হওয়া বস্তুতঃ ভাল হইয়াছে। বিষয়টি নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করিয়া নির্বচনী বৈতরণী পার হইতে সুবিধা হইয়াছে।

যুদ্ধাপরাধের বিচার এক সময় ছিল ক্ষমতাসীন দলটির দাবি। নির্বাচনের আগে ইহা হইল তাঁহাদের প্রতিশ্রুতি। ক্ষমতায় আসিবার পর ইহা হইয়া উঠিল কর্মসূচি। বিচার সমাপ্ত হইলে তাহা হইয়া উঠিবে ইতিহাস। ...»

Syndicate content