• এক হিব্রুভাষী আরবের আত্মোপলব্ধি
    মাসুদ রানা

    আজ সকালে যথারীতি দ্য গার্ডিয়ানের রিপৌর্ট ও ফীচারগুলোর শিরোনাম দেখছিলাম আর পাঠের অগ্রাধিকার বিবেচনা করছিলাম। আমি সাধারণতঃ রিপৌর্টের পর ফীচারে যাই। কিন্তু আজ কেনো জানি একটি আত্মজৈবনিক ফীচারে চোখ আটকে গেলে আর নড়তে পারলাম না।

    ফীচারের শিরোনাম "হোয়াই আই হ্যাভ টু লীভ ইজরায়েল"। লেখকের নাম সাঈদ কাশুয়া। একজন আরব ইসরায়েলী হিব্রু লেখক। তাঁর লেখাটা এক ঠায় বসে যেনো এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেললাম।

    খুবই সংবেদনশীল ও আবেগিক লেখা। কিন্তু এতো পরিমিত ও পরিশীলিত প্রকাশ, যা রূপতঃ আমার কাছে বিনম্র স্পর্শে প্রচণ্ড শক্তির সঞ্চারক বলে মনে হলো।

    কাশুয়া হিব্রু ভাষার এক সমসাময়িক বিখ্যাত লেখক। তিনি জাতিতে আরব হলেও, নাগরিকতায় ইসরায়েলী। গার্ডিয়ান জানায়, তাঁর লেখা অনূদিত হয়েছে ১৫টি ভাষায়।

    এ-বছরের জেরুজালেম ফিল্ম ফেষ্টিভ্যালের উদ্বোধন হয়েছে কাশুয়ার প্রথম উপন্যাস ভিত্তিক চলচ্চিত্র "ড্যান্সিং আরবস" প্রদর্শিত হওয়ার মধ্য দিয়ে। তাঁর অতি সাম্প্রতিক উপন্যাস "এক্সপৌজার" বিখ্যাত লেখিকা ডেবোরা হ্যারিস অনুবাদ করেছেন এবং চ্যাটো এ্যণ্ড উইণ্ডাস প্রকাশ করেছে।

    কাশুয়া তাঁর সংবেদনশীল ফীচারটি শুরু করছেন এ-কথা জানিয়ে যে, তিনি তাঁর ইসরায়লের আবাসভূমি ছেড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাচ্ছেন। কেনো চলে যাচ্ছেন? তার বিবরণেই উঠে এসেছে ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও জাতিগত দুঃখ-বেদনা ও আশা-হতাশা, যা একান্তই ইসারায়েলে আরব হওয়ার সুবাদে মূর্ত। নীচে আমি তাঁর লেখার ভাবানুবাদ উপস্থাপন করলাম।

    খুব শীঘ্রই আমি এখান থেকে চলে যাচ্ছি। কয়েক দিনের মধ্যে আমি জেরুজালেম ছাড়ছি, ছাড়ছি এই দেশ।

    গতকাল বাচ্চাদের জন্য কিনে এনেছি ছোটো-ছোট স্যুটকেইস। বেশি কাপড়-চোপড় নেওয়ার দরকার নেই। আমরা আমাদের কাপড়-চোপড় রেখে যাবো। কারণ, যে-কোনো পরিস্থিতিতেই যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ইলিয়ন্সে এগুলো গরমদায়ক হবে না।

    স্থিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অল্প জিনিসেরই প্রয়োজন হবে। বাচ্চাদের হয়তো কিছু বই নেওয়া দরকার হবে। দু'তিনটে আরবিতে আর কয়েকটি হিব্রুতে, যাতে ওরা ভাষা দু'টি ভুলে না যায়। কিন্তু আমি নিশ্চিত নই, এতো আদৃত ও এতো অভিশপ্ত এই জায়গাটির কী কী স্মৃতি আমার বাচ্চাদের থাকা উচিত বলে আমি মনে করি।

    প্রথমে আমার পরিকল্পনা ছিলো এক মাসের মধ্যে আমি এক বছরের জন্য স্যাবিটিক্যাল ছুটি নেওয়ার। কিন্তু গত সপ্তাহে আমি বুঝতে পেরেছি, এখানে আর আমি থাকতে পারবো না।

    আমি আমার ট্র্যাভেল এজেণ্টকে অনুরোধ করেছি, যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব এখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে এবং বলেছি, "দয়া করে আমাদের জন্য ওয়ান ওয়ে টিকিট কাটুন।"

    কয়েক দিনের মধ্যে আমরা শিকাগোতে পৌঁছাবো, অথচ এখনও জানি না প্রথম মাসে আমরা কোথায় থাকবো। তবে আমার ধারণা, একটা ব্যবস্থা করে ফেলতে পারবো।

    আমার তিনটি শিশু। এক কন্যা - যার বয়স ইতোমধ্যে ১৪ বছর হয়ে গিয়েছে - এবং দুই পুত্র, যাদের বয়স যথাক্রমে নয় ও তিন বছর। আমরা পশ্চিম জেরুজালেমে থাকি এবং আমাদের এই পাড়ায় আমরাই একমাত্র আরব পরিবার। ছয় বছর আগে আমরা এখানে এসে উঠেছি।

    "তুমি সাথে নেওয়ার জন্য মাত্র দুটি খেলনা পছন্দ করতে পারো", কথাটি হিব্রু ভাষায় আমি বললাম আমার ছোটো ছেলেটিকে। সে তার ঘরে দাঁড়িয়ে খেলনার দিকে দৃকপাত করে  হঠাত করে কাঁদতে শুরু করলো, যদিও ওকে ওয়াদা করে বলেছি, সেখানে যাওয়ার পর যা-ই সে চাইবে, তাই ই তাকে আমরা কিনে দেবো।

    আমারও সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমার কী কী নিতে হবে। "আমি দুটিমাত্র বই পছন্দ করতে পারি", বললাম আমি নিজেকেই নিজে। মাহমুদ দারবিশের একটি কাব্যগ্রন্থ ছাড়া অন্য গ্রন্থটি হবে জিবরান খলিলের গল্প সংগ্রহ।

    আমার সব বই হিব্রুতে। আমার ১৪ বছর বয়স থেকে আমি মাত্র একটি আরবি বই পড়েছি। আমি প্রথম বারের মতো গ্রন্থাগার দেখি, যখন বয়স ছিলো ১৪ বছর।

    পঁচিশ বছর আগে আমার জন্মগ্রাম তিরাতে আমার অঙ্কের শিক্ষক আমাদের বাড়ীতে এসে মা-বাবাকে বলেছিলেন আগামী বছর জেরুজালেমের অসাধারণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য ইহুদিরা একটি বিদ্যালয় চালু করবে। তিনি আমার বাবাকে বললেন, আমার উচিত ঐ বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার আবেদন করা। আমার মনে পড়ে, আমার শিক্ষক বাবাকে বলেছিলেন, "ওখানে ওর জন্য ভালো হবে।" 

    আমি ওখানে গেলাম। আমার মেয়ের বয়সে আমি বাড়ী ছেড়ে গেলাম জেরুজালেমের একটি হিহুদি বৌর্ডিং স্কুলে। এটি ছিলো কঠিন ও প্রায় নিষ্ঠুর একটি পরিবেশ। আমার বাবা যখন আমাকে আলিঙ্গন করা সেরে বিদায় নিলেন, আমি তখন কাঁদলাম সেই স্কুলটির বিশাল গেইটে দাঁড়িয়ে, যার মতো একটি কখনও তিরাতে দেখিনি।

    আমি একবার লিখেছিলাম, জেরুজালেমে প্রথম সপ্তাহটি ছিলো আমার জীবনের কঠিনতম সপ্তাহ। সেখানে আমি ছিলাম ভিন্ন ও অন্য। আমার ভাষা ছিলো আমার পোশাকের মতো ভিন্ন।

    আমার সমস্ত ক্লাস ছিলো হিব্রু ভাষায় - বিজ্ঞান, বাইবেল, সাহিত্য। আমি ক্লাসে বসে থাকলাম একটি শব্দও না বুঝে। আমি যখন কথা বলার চেষ্টা করলাম, সবাই তখন হেসে উঠলো।

    আমি সর্বোতোভাবে চাইছিলাম ছুটে যেতে আমার পরিবারের কাছে, গ্রামের বন্ধুদের কাছে, আরবি ভাষার কাছে। আমি ফৌনে বাবার কছে কেঁদে-কেঁদে বললাম, তিনি যেনো আমাকে এসে নিয়ে যান। বাবা বলেন, শুরুটাই কঠিন কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যে আমি তাদের চেয়েও ভালো হিব্রু বলবো।

    আমার মনে পড়ে আমার প্রথম সপ্তাহের কথা। আমাদের সাহিত্যের শিক্ষক আমাদেরকে স্যালিঙ্গারে "দ্য ক্যাচার ইন দ্য রী" পড়তে বললেন। এটি ছিলো আমার পড়া প্রথম উপন্যাস। এটি পড়তে আমার কয়েক সপ্তাহ লেগেছিলো। কিন্তু যখন শেষ করলাম, তখন এমন দুটি বিষয় আমি দুটি বিষয় বুঝলাম, যা আমার জীবনকে বদলে দিলো। প্রথমটি হচ্ছে আমার হিব্রুতে বই পড়তে পারা। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে বইয়ের প্রতি যে আমার ভালোবাসা, সেই বিষয়ে আমার গভীর উপলব্ধি।

    খুব দ্রুত আমার হিব্রু প্রায় পরিপূর্ণ পরিশুদ্ধ হয়ে উঠলো। বৌর্ডিং স্কুলের পাঠাগারে ছিলো শুধুই হিব্রু বই। তাই আমি ইসরায়েলী লেখকদের পড়তে শুরু করলাম। আমি পড়লাম অ্যাগানন, মীয়ার স্যালেভ, অ্যামোস ওয। পড়তে শুরু করলাম জায়নবাদ সম্পর্কে, ইহুদি ধর্ম ও দেশ গঠন সম্পর্কে।

    এই বছরগুলোতে আমিও আমার কাহিনী বুঝতে শুরু করলাম এবং পরিকল্পনা ছাড়াই লিখতে শুরু করলাম আরবদের সম্পর্কে, যারা শহরের দক্ষিণাঞ্চলে ইহুদি বৌর্ডিং স্কুলগুলোতে বাস করছিলো এই ইহুদি দেশে। আমি এই বিশ্বাসে লিখতে শুরু করলাম যে, পরিবর্তনের জন্য আমার যা করতে হবে, তা হচ্ছে অন্য পক্ষ সম্পর্কে লেখা। বলতে হবে আমার পিতামহীর কাছ থেকে শোনা কাহিনী। লিখতে হবে কীভাবে আমার পিতামহ ১৯৪৮ সালের তিরা নিয়ে সংঘটিত যুদ্ধে মৃত্যুবরণ করেছিলেন, আর কীভাবে পিতামহী ইহুদিদের বেতনভূক ফল কুড়োনোর কাজ করে আমার বাবাকে বড়ো করেছিলেন।

    আমি হিব্রুভাষায় বলতে চাইলাম আমার পিতার কথা, যিনি তাঁর রাজনৈতিক চিন্তার কারণে কোনো বিচার ছাড়া দীর্ঘ চার বছর জেলে বসে ছিলেন। আমি ইসরায়েলীদের বলতে চাইলাম এক কাহিনী - ফিলিস্তিনী কাহিনী। আমি বিশ্বাস করলাম, তাঁরা যখন পড়বেন, তখন নিশ্চয় তাঁরা বুঝবেন; যখন তাঁরা পড়বেন, তাঁরা বদলে যাবেন। তাই আমাকে যা করতে হবে, তা হচ্ছে লেখা এবং শুধুই লেখা, আর এতেই শেষ হবে দখল। আমাকে কেবলই একজন ভালো মহৎ লেখক হতে হবে এবং তাতেই ঘেটোতে থাকা আমার মানুষকে আমি মুক্ত করতে পারবো। তাই আমাকে ভালো কাহিনী লিখতে হবে, আর তাতেই আমি নিরপাদ হবো। আমাকে আরও একটি বই, আরও একটি ফিল্ম, সংবাদপত্রে আরও একটি কলাম ও টেলিভিশনে আরও একটি পাণ্ডুলিপি লিখতে হবে এবং তাতেই আমার শিশুদের উত্তম ভবিষ্যত নিশ্চিত হবে। আমার লেখার বদৌলতে ওদের মতো আমরাও প্রায় সমান নাগরিকে রূপান্তরিত হবো।

    হিব্রুতে আমার পঁচিশ বছরের লেখালেখি হলো, কিন্তু কিছুই বদলালো না। পঁচিশ বছর একটি আশা আকড়ে ধরে থাকলাম এই বিশ্বাসে যে মানুষের এতো অন্ধ হওয়া অসম্ভব ব্যাপার। পঁচিশ বছরে আমার আশাবাদী হওয়ার অল্পই কারণ ছিলো, কিন্তু আমি বিশ্বাস করে গিয়েছি যে, এই জায়গা, যেখানে ইহুদি ও আরব একত্রে বাস করে, তা হবে একটি অভিন্ন কাহিনী, যেখানে অন্য পক্ষের কাহিনী অস্বীকার করা হবে না। একদিন ইসরায়েলীরা অস্বীকার করবে না ফিলিস্তিনী বিতাড়ন, দখলদারিত্ব ও ফিলিস্তিনী জনগণের দুঃখ-দুর্দশা আর ফিলিস্তিনীরাও একদিন ক্ষমা করে দিতে চাইবে এবং একত্রে গড়তে চাইবে বাসের সুযোগ্য এই স্থান।

    আমার পঁচিশ বছরের লেখার প্রতিক্রিয়ায় আমি উভয় পক্ষের তিক্ত সমালোচনা শিকার হয়েছি, কিন্তু গত সপ্তাহে আমি আশা ত্যাগ করেছি। গত সপ্তাহে আমার ভেতরের কিছু গুড়িয়ে গিয়েছে। ইহুদি তরুণ-তরুণীরা যখন "আরবদের জন্য মৃত্যু" স্লৌগান হেঁকে নগরী প্রদক্ষিণ করলো এবং আরবদেরকে শুধুমাত্র আরব হওয়ার কারণে আক্রমণ করলো, তখন আমি বুঝলাম যে, আমি আমার ক্ষুদ্র যুদ্ধটাতে পরাজিত হয়ে গেলাম।

    আমি মিডিয়া ও রাজনীতিকদের ভাষ্য শুনি। তাঁরা রক্তের সাথে রক্তের এবং জনগণের মধ্যে বিভক্তি দেখাচ্ছে। যাঁরা ক্ষমতাশালী হচ্ছেন, তাঁরা সংখ্যাগরিষ্ঠ ইহুদিদের মনের কথাই প্রকাশ্য বলেছেঃ "আরবদের চেয়ে আমরা শ্রেয়তর জাতি"। আমি যে প্যানেলে অংশগ্রহণ করেছি, সেখানে বলা হয়েছে ইহুদিরা উচ্চতর জাতি এবং জীবনে তাঁরা অগ্রাধিকার প্রপ্তির যোগ্য।

    আমি এই দেখে হতাশ যে, এদেশের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ আরবদের বেঁচে থাকার অধিকার স্বীকার করে না। আমার সর্বশেষ কলাম প্রকাশিত হওয়ার পর কিছু পাঠাক দাবী তুলেছেন আমাকে গাজায় নির্বাসিত করার। আমার পা বিচূর্ণ করার ও আমার শিশুদের অপহরণ করার হুমকি দিয়েছেন তাঁরা।

    আমি জেরুজালেমে থাকি এবং আমার চমৎকার ইহুদি প্রতিবেশী ও বন্ধু আছেন। কিন্তু তবুও আমি আমার শিশুদেরকে নিয়ে ড্যে ক্যাম্পে বা পার্কে যেতে পারি না তাদের ইহুদি বন্ধুদের সাথে। আমার কন্যা তেজী প্রতিবাদ জানিয়ে বলে, তার হিব্রু এতোই পরিশুদ্ধ যে, কেউই বুঝবে না যে সে আরব। কিন্তু আমি শুনতে চাই না। সে তার ঘরে দরজা বন্ধ করে দিয়ে কাঁদে।

    আমি এখন আমার বুক শেলফের সামনে দাঁড়িয়ে। আমার হাতে স্যালিঙ্গার, যা আমি ১৪ বছর বয়সে পড়েছিলাম। আমি কোনো বই নিয়ে যেতে চাই না। আমি স্থির করেছি, আমাকে নতুন ভাষার প্রতি মনোনিবেশ করতে হবে। আমি জানি এটি কতো কঠিন - প্রায় অসম্ভব - কিন্তু অন্য একটি ভাষা আমাকে পেতে হবে লেখার জন্য, আমার শিশুদের পেতে হবে অন্য একটি ভাষা ওতে বাঁচার জন্য।

     "ভেতরে আসবে না", রেগে চিৎকার করে আমাকে বললো আমার মেয়ে। তবুও আমি ভেতরে গেলাম। ওর বিছানার পাশে বসলাম। আমার দিকে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে বসে থাকার পরও আমি জানি সে আমার কথা শুনছে।

     "শোন মা" বললাম আমি মেয়েকে ঠিক সেই কথাটি বলার আগে, যা আমার বাবা আমাকে বলেছিলেন ২৫ বছর আগে, "মনের রাখিস, জীবনে তুই যা-ই করিস না কেনো, ওদের কাছে তুই সব সময় এবং সব সময় আরবই থাকবি। বুঝতে পেরিছিস?"

    "আমি বুঝি", আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে মেয়ে বললো, "আমি অনেক আগেই তা জানি বাবা"।

    "আমরা খুব তাড়াতাড়িই চলে যাবো" বলে আমি ওর মাথায় হাত বুলিয়ে ওর অপছন্দের কাজ - চুল এলোমেলো - করে "আর, এর মধ্যে এই বইটা পড়িস" বলে মেয়ের হাতে দিলাম "দ্য ক্যাচার অফ দ্য রী" বইটি।

    সোমবার, ২১ জুলাই ২০১৪
    নিউবারী পার্ক
    এসেক্স, ইংল্যাণ্ড
    masudrana1@gamil.com

পাঠকের প্রতিক্রিয়া

"মনের রাখিস, জীবনে তুই যা-ই করিস না কেনো, ওদের কাছে তুই সব সময় এবং সব সময় আরবই থাকবি। বুঝতে পেরিছিস?" This is also true for any Bangladeshi Hindus. What ever we do, even if we become Atheist we are always Hindu to Bangladeshi Muslims...is n't it true?

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন