সংবাদ পরিক্রমা
সংবাদ প্রতিবেদন
- কবি ‘তান্দুরী শেফ’ নজরুলমাসুদ রানা
বাংলাদেশী বাঙালীদের মধ্যে কবি নজরুল ইসলামকে নিয়ে সৃষ্টিশীলতার অভাব নেই। বাংলার ও বাঙালীর ভগ্নাংশ নিয়ে গঠিত আজকের বাংলাদেশের কথা তো দূরে থাক, যে-কবি বাঙালী জাতীয়তাবাদের কথা না বলে বরং সর্বদা সর্ব-ভারতীয় জাতীয়তাবাদের কথা বলেছেন, সেই কবিকে বানানো হয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় কবি। কেনো নজরুলকে করা হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি, যেখানে তাঁকে করা উচিত ছিলো সারা ভারতের জাতীয় কবি?
সর্ব-ভারতের স্বাধীনতার জন্য রাজনৈতিক সংগ্রাম ও কারাবরণ করে মোহদাস গান্ধী যদি সারা ভারতের শীর্ষ জাতীয় নেতার স্বীকৃতি পেতে পারেন, তাহলে ভারতের স্বাধীনতার কাব্য রচনা করে এবং এর জন্য কারাবরণ করে কাজি নজরুল ইসলাম কেনো ভারতের জাতীয় কবি হতে পারবেন না? দৃশ্যতঃ ভালো জবাব নেই এ-প্রশ্নের।
সম্প্রতি, ইংল্যাণ্ডের বার্মিংহ্যামের বাঙালী সম্প্রদায়ের মধ্যে তৎপর ‘দেশ প্রেম বাংলাদেশ’ নামের একটি সংগঠন কবি নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী পালন করেছে একটি আলোচনা সভা করার মধ্য দিয়ে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশের জাতীয় কবি নজরুল ইসলাম একজন ‘তান্দুরী শেফ’ ছিলেন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে পত্রিকাতে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সুন্দর হস্তাক্ষরে জনৈক ‘প্রভাষক’ লিখেছেন, নজরুল ‘আষানশোলে (আসানসোলে) রুটির দোকান তথা রেস্টুরেন্টে কাজ নেন। তান্দুরী শেফ ও ওয়েইটারীতে নজরুলের দক্ষতার জন্য অচিরেই রেস্টুরেন্টটি জনপ্রিয় হয়ে উঠে (ওঠে)।’
গত শতাব্দীর গোড়ার দিকে বাংলার বর্ধমান জেলার অতি সাধারণ মহকুমা-শহর আসানসোলে একটি রুটির দোকান, ওয়াহিদের টী-স্টলে, দরিদ্র কিশোর নজরুল কিছু দিন কাজ করেছিলেন সত্য। কিন্তু ওয়াহিদের টী-স্টল ‘রেস্টুরেন্ট’ ছিলো কি-না এবং কিশোর নজরুল সেখানে ‘তান্দুরী শেফ’ ও ‘ওয়েইটার’ ছিলেন কি-না, তার বিস্তারিত বিবরণ সহজলভ্য নয়।
তবে সহজে যেটি বুঝা যায়, তা হচ্ছেঃ ব্রিটেইনে যেহেতু বাঙালীদের অতি-প্রচারিত পেশা হচ্ছে ‘তান্দুরী শেফ’গিরি ও ‘ওয়েইটারী’, তাই নজরুলের বানানো রুটিকে তান্দুরী রুটি ভেবে নিয়ে তাঁকে তান্দুরী শেফ বানানোটা সহজ ও স্বাভাবিক। এটিই হচ্ছে ভক্তের সৃষ্টিশীলতা। নজরুলকে নিজের করে নেবার জন্য, তাঁর সাথে একাত্ম হবার তাগিদ থেকে নজরুলকে ‘তান্দুরী শেফ’ ও ‘ওয়েইটার’ করা হয়েছে।
ভক্তরা তাঁদের ভালোবাসার দেবতাকে নিজের রূপেই তৈরী করে থাকেন। তাই দেখা যায় ভারতে বুদ্ধের মূর্তি আর্য আকৃতির, কিন্তু বার্মা-থাইল্যাণ্ড-চীন-জাপানে মোঙ্গল চেহারার। ধারণা করা যায়, আফ্রিকাতে বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার পেলে সেখানে তাঁর মূর্তি গড়া হতো নিগ্রোয়েড আকৃতিতে - যেভাবে হয়েছে যিশুর মূর্তির ক্ষেত্রে।
ইতিহাস স্মরণের ক্ষেত্রেও মানুষ তার বোধের ঐতিহাসিক সীমার বাইরে যেতে পারে না বা যেতে চায় না। তাই প্রায়শঃ লক্ষ্য করা যায়, বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীরা ‘বাঙালী জাতির ইতিহাস, হাজার বছরের ইতিহাস’ বিবৃতি দিয়ে এর বর্ণনা শুরু করেন ‘১৯৫২ সালে আমরা মাতৃভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছি’ বলে। স্পষ্টতঃ হাজার বছরের আকুতি পঞ্চাশ-ষাট বছরের বোধের সীমাও অতিক্রম করতে পারে না।
বার্মিংহ্যামের বাঙালী বুদ্ধিজীবীরা দাবি করেছেন যে, কবি নজরুল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সৈনিক ছিলেন। তাঁদের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে কবি নজরুল ‘১৯৩৯ সনে সৈনিক হিসেবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেন।’ নজরুল সৈনিক ছিলেন সত্য, কিন্তু তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি।
আঠারো বছরের তরুণ নজরুল ব্রিটিশ ভারতের ৪৯ বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দিয়েছিলেন এবং করাচি সেনানিবাসে স্থিত ছিলেন। নজরুল যুদ্ধের ময়দানে লড়াই না করলেও, যুদ্ধের রাজনৈতিক হাওয়া তাঁর মনে দোলা দিয়েছিলো। আর সেখানেই তিনি লাভ করেন বিশ্ববোধ। তবে, সেটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ছিলো না। সময়টি ছিলো ১৯১৭ সাল - প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কাল। সে-সময় তুর্কী-বীর কামাল পাশা তুরস্কের রুগ্ন অটোমান সাম্রাজ্যের জীর্ণ খোলস থেকে তাঁর জাতিকে সবলে বের করে তুর্কী জনতন্ত্রের জন্ম দেন। এর প্রবল প্রভাব পড়ে নজরুলের মানসে। আর সে-কারণেই নজরুল বাংলা ও উর্দু মিশিয়ে লিখেছিলেনঃ
ঐ ক্ষেপেছে তুর্কী মায়ের দামাল ছেলে কামাল ভাই,
অসুর-পুরে শোর উঠেছে, জোরসে সামাল-সামাল, তাই!
কামাল! তু নে কামাল কিয়া ভাই!
হো হো কামাল! তু নে কামাল কিয়া ভাই!দুর্ভাগ্যবশতঃ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলা-কালে কবি নজরুল আর ‘কবি নজরুল’ নেই। তিনি ১৯৪২ সালে মাত্র ৪৩ বছর বয়সে অসুস্থ হয়ে ও বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন। সুতরাং নজরুল সম্পর্কে ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেন’ দাবিটি কাল্পনিক, যা এসেছে বার্মিংহ্যামের বাঙালী বুদ্ধিজীবীর স্বদেশ ও বিশ্বের ইতিহাস সম্পর্কে বোধের ঘাটতির কারণে।
কিন্তু নজরুল বিষয়ক বার্মিংহ্যামের বক্তাদের একটি দাবি প্রণিধানযোগ্য। আর সেটি হচ্ছে, ‘তান্দুরী শেফ’ নজরুলের কাছ থেকে ব্রিটেইনের ক্যাটারিং ইণ্ডাস্ট্রিতে বাঙালী শ্রমিকদের প্রেরণা-প্রাপ্তির দাবিটি। বার্মিংহ্যামের প্রেস বিজ্ঞপ্তিটিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বৃটেনের ক্যাটারিং ইণ্ডাস্ট্রিতে কর্মরত বাংলাদেশীদের জন্য প্রেরণার উৎস।’ কারণ, ‘গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করার পরও কবি, গান, কবিতা, গজল রচনা করতেন যা ব্রিটেনে প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রেরণা যোগায়।’
এ-দাবিটিও কাল্পনিক তবে এর একটি উপযোগিতা আছে। যে-কাব্য-সাহিত্য-সঙ্গীতের জন্য নজরুল বিখ্যাত হয়েছেন, রুটির দোকানে কাজ করার সময়ে গভীর রাত-জাগা নজরুলের মধ্যে তখনও তা উদিত না হলেও এবং সে-সময়ে তাঁর চর্চিত সাহিত্য-সঙ্গীতের পরিচয় বার্মিংহ্যামের বাঙালী ক্যাটারিং কর্মীদের কাছে জানা না থাকলেও, নজরুলের রাত জেগে চর্চার ঘটনাটাই ক্যাটারিং কর্মীদের জন্য একাত্মতার একটা জায়গা তৈরী করে নিয়েছে। এটি বস্তুতঃ একটি শ্রেণী-অবস্থান ও শ্রেণী-একাত্মতার ঘটনা।
ব্রিটেনের ক্যাটারিং শিল্পে যে-বাঙালী কর্মীরা কাজ করছেন, তাঁদের বিনোদনের সময় গভীর রাতই। কারণ এ-ছাড়া তাঁদের হাতে অবসর সময় নেই। গভীর রাতে জেগেই তাঁরা সামজিক বিনিময় ও বিনোদন করেন। গভীর-রাতের হিন্দি-ভাষী ও বাংলা-ভাষী টেলিভিশন চ্যানেলগুলো বাজারে আসার আগে, বাঙালী রেস্টুরেন্ট-কর্মীরা নিজেরা একত্রিত হয়ে গান-বাজনা নিয়মিতই করতেন। এখনও তার কিছু-কিছু হয়ে থাকে।
ব্রিটেইনের ক্যাটারিং ইণ্ডাস্ট্রিতে বাঙালী কর্মীদের গান-বাজনা-সহ নিজস্ব সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড যতোটুকু হয়, তার সাথে রুটির দোকানের কর্মী নজরুলের কিশোর বয়সের গান-বাজনা ও সাহিত্য চর্চা মিলে যায়। এটি যতোটুকু না বিষয়বস্তুর মিল, তার চেয়েও বেশি মিল হচ্ছে পেশাগত ও শ্রেণীগত মিল। আর এ-কারণেই কবি নজরুলের প্রতি তাঁদের একটি ভালোবাসা তৈরী হয়েছে। নজরুলের সমাজ-জাতি-রাষ্ট্র-ধর্ম-দেশ-বিশ্ব সম্পর্কে বোধ ও ভাবনা কী, তার সাথে এই কর্মীদের সম্ভবতঃ তেমন কোনো পরিচয়ও নেই।
কিন্তু এই একাত্ম হবার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নজরুলের প্রায়-প্রান্তিক শ্রেণী অবস্থানের কারণে তিনি কর্মজীবী মানুষের জন্য লিখতে পেরেছিলেন। কারণ, তিনিও একাত্ম হয়েছিলেন শ্রমজীবী শ্রেণীর সাথে। আর সেই বোধ থেকেই তিনি হতে পেরেছিলেন সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী কারাভোগ-করা কবি।
কবি নজরুল সমগ্র জাতির জন্য মহান কবি হতে চাননি। তিনি জাতীয় কবিও হতে চাননি। তিনি শ্রেণীর কবি হতে চেয়েছিলেন। এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয় যে, তিনি লিখেছিলেনঃ
বড় ভাব আসে না আসে না ক’ মাথায়, বন্ধু বড় দুঃখে।
অমর কাব্য তোমরা লিখিও, বন্ধু, যারা আছো সুখে। ...
প্রার্থনা করো - যারা কেড়ে খায় তেত্রিশ কোটি মুখের গ্রাস,
যেন লেখা হয়, আমার রক্ত-লেখায় তাদের সর্বনাশ।প্রার্থনা, ক্যাটারিং ইণ্ডাস্ট্রীর বাঙালী কর্মীদের কাছে, তাঁরা যেনো সত্যি নজরুলকে বুঝতে পারেন জাতীয় কবি হিসেবে নয়, বরং শ্রমজীবীর কবি হিসেবে। নজরুল স্পষ্টতঃ ‘তেত্রিশ কোটি’ দ্বারা তাঁর সময়কার সমগ্র ভারতকে বুঝিয়েছেন। তিনি মোটেও ‘বাংলাদেশী’ নন। তিনি ছিলেন সমগ্র ভারতের শোষিত মানুষের কবি। আর তাই, তিনি মালিক শ্রেণীর বিরুদ্ধে তাঁর কাব্য রচনা করেছেন। যাঁরা অন্যের শ্রম শোষণ করে সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলে, তাঁদের ‘সর্বনাশ’ নিশ্চিত করে শোষণ-মুক্তি ঘটাতেই তিনি শপথ নিয়েছিলেন। সে-জন্যেই তিনি বিদ্রোহী কবি - তিনি সাম্যবাদী কবি।
কিন্তু ‘তান্দুরী শেফ ও ওয়েইটারীতে নজরুলের দক্ষতার জন্য অচিরেই রেস্টুরেন্টটি জনপ্রিয় হয়ে উঠে (ওঠে)’ বলার মধ্যে নজরুলের কৃতিত্ব ও দক্ষতা দেখার যে-দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পায়, তার মধ্যে তাঁর শিল্প-সাহিত্য উপলব্ধির কোনো প্রতিফলিত নেই। এতে আরও বেশি ক্রেতা, বেশি বিক্রি ও বেশি মুনাফার একটা চোখ-চিক্-চিক্-করা লিপ্সার দৃষ্টিপাত ঘটেছে। এটি কার দৃষ্টি? এটি হচ্ছে ‘ক্যাটারিং ইণ্ডাস্ট্রি’র মালিক পক্ষের দৃষ্টি। তাঁরা বাঙালী বটেন, কিন্তু শ্রেণীগত মালিকী অবস্থানের কারণে তাঁরা বাঙালী শ্রমজীবীদেরকে আত্মীয়তার খাঁচায় বন্দী করে রেখেছেন।
বাঙালী ক্যাটারিং শ্রমিকদেরকে প্রান্তিক করে, তাঁদের শ্রম থেকে আহরিত সম্পদ ও সুনাম মালিক শ্রেণী ভোগ করছেন। মালিকদের পক্ষে সরকারের সাথে দেন-দরবার করার সংগঠন আছে। কিন্তু বাঙালী শ্রমিকদের পক্ষে লড়াই করাতো দূরের কথা, এদের পেশাগত দাবি, উৎসবের ছুটি, বৌনাস, পেনশন, ইত্যাদি জন্য বলারও কেউ নেই। কোনো রাজনীতিক নেই, বুদ্ধিজীবী নেই, কিংবা নজরুলের মতো কোনো বিদ্রোহী কবিও নেই।
এখানে গণতন্ত্রের নামে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি আছে, উন্নয়নের নামে জাতীয় পার্টি আছে, সমাজতন্ত্রের নামে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ আছে, শ্রমিকের নামে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি আছে, ইসলামী সাম্যের নামে ছদ্মবেশে জামায়েতে ইসলামী আছে, এমনকি সাম্যবাদ তথা কমিউনিজমের নামে বংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিও আছে। কিন্তু এদের কেউই বাঙালী শ্রমিকের স্বার্থ নিয়ে কথা বলে না। কারণ, এ-দলগুলো হচ্ছে মালিক-বান্ধব। কোনো-কোনো ক্ষেত্রে মালিকেরাই নেতা।
সাম্যবাদী নজরুলের দুর্ভাগ্য যে, তিনি মালিক শ্রেণীর বিরুদ্ধে লেখা-লেখি করে এখন মালিক পক্ষের কাছে প্রিয়ভাজন হয়ে উঠেছে। ধর্মীয় মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে কলম ধরে ‘কাফের’ গালি খেয়ে নজরুল এখন মৃত্যুর পর তাঁদেরই প্রিয় কবি হয়ে উঠেছেন।
বিদ্রোহে মুখর নজরুলের দুর্ভাগ্য যে, তিনি দীর্ঘ তিন যুগেরও বেশি কথন ও লিখন শক্তি রহিত ছিলেন। তিনি দেখে গিয়েছেন, কিন্তু কিছুই প্রকাশ করতে পারেননি। তাই তাঁকে নিয়ে বাস্তবে প্রদর্শনী করা হয়েছে।
কবি নজরুলের দুর্ভাগ্য যে, নজরুলের পক্ষে তাঁর প্রকৃত চেতনাকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরে কথা বলার লোক খুব বেশি নেই, যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ক্ষেত্রেও সত্য।
তবু এতোটুকু শান্তনা যে, বাংলা তথা ভারত থেকে বহু দূরে ব্রিটেইনের ক্যাটারিং ইণ্ডাস্ট্রির বাঙালী শ্রমিকেরা এক সময়কার রুটির দোকানের কর্মী নজরুলের সাথে এখনও একাত্মতা বোধ করেন। নজরুলের এখানেই অমরত্ব। আপাততঃ ধরে নিই নজরুল ‘তান্দুরী শেফ’ ও ‘ওয়েইটার’ই ছিলেন। নামে কী আসে যায়? সবচেয়ে বড়ো কথা, তিনি স্বয়ং শ্রমজীবী এবং বোধে ও কর্মে শ্রমজীবীর লড়াকু বন্ধু ছিলেন।
রোববার, ১৭ জুন ২০১২
নিউবারী পার্ক
এসেক্স, ইংল্যাণ্ড
masudrana1@gmail.com
আপনার মন্তব্য
সম্পর্কিত অন্যান্য
- রাস লানুফের তেল-শোধনাগারে লিবীয়দের আক্রমণঃ ১৫ বিদ্রোহী নিহত
- ত্রিপোলিতে ন্যাটো ও বিদ্রোহীদের গণহত্যাঃ বর্ণবাদের শিকার কালো লিবিয়রা
- জাতিসঙ্ঘের রেজ্যুলুশন ভঙ্গ করে ন্যাটোর সৈন্য লিবিয়ার মাটিতে
- জাতিসঙ্ঘের অস্ত্র-নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ ফ্রান্সেরঃ লিবিয়ায় বিদ্রোহীদের জন্য অস্ত্র চালান
- বাংলাদেশে সাড়ে ছ’শতাধিক বিদ্রোহী সেনাকে কারাদণ্ড দেয়া হলো
রানা ভাই, আমরাও বার্মিংহাম থাকি আর প্রায় সব সংগঠনই চিনি। যে সংগঠনের নাম লিখলেন তা কখনো শোনিনি, আর বুদ্ধিজিবিরাই বা কে চিনলাম না যারা এমন সব উদ্ভট কথাবার্তা বললেন!