• জাতি-ভাষা-লিপিঃ নাগরি প্রসঙ্গ (২)
    মাসুদ রানা

    যাঁরা নাগরিকে সিলেটের ‘ভাষা’ বলেন, তাঁদের একটি কল্পকাহিনী আছে, যা রীতিমতো একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব। কোনো ব্যক্তি-বিশেষের ওপর দোষারোপ করতে চাই না  বলে একটি নৈর্ব্যক্তিক উৎস উইকিপীডিয়া থেকে উদ্ধৃত করছি সে-কাহিনীটিঃ

    “Sylheti Nagari or Syloti Nagri (Silôṭi Nagôri) is the original script used for writing the Sylheti language. It is an almost extinct script, this is because the Sylheti Language itself was reduced to only dialect status after Bangladesh gained independence and because it did not make sense for a dialect to have its own script, its use was heavily discouraged.”

    “অর্থাৎ, সিলেটী নাগরি ছিলো সিলেটী ভাষা লেখার জন্য ব্যবহৃত আদি লিপি। এটি এখন প্রায় বিলুপ্ত। কারণ, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সিলেটী ভাষাকে নিতান্ত একটি উপভাষার মর্যাদায় নামিয়ে আনা হয়েছে। আরও কারণ হচ্ছে এই উপভাষার নিজস্ব লিপি থাকার কোনো মানে হয় না। (তাই) এর ব্যবহার ব্যাপকভাবে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।”

    লক্ষণীয়, শুরুতে উল্লেখিত জাহিদ ইকবালের কথার সাথে এখানে একটু পার্থক্য হচ্ছে এই যে, তিনি যেখানে “সিলেটী বা নাগরি” বলে একটি ভাষা বুঝিয়েছেন, উইকিপীডিয়াতে তা বলা হয়নি। ওখানে সিলেটীকে ভাষা হিসেবে এবং নাগরিকে লিপি হিসেবে নির্দেশ করা হয়েছে।

    স্পষ্টতঃ জাহিদ ইকবাল বুঝতে পারেননি ভাষা কাকে বলে আর লিপি কাকে বলে। ভাষা ও লিপির মধ্যে তিনি হয়তো তাত্ত্বিক তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন। যাক, উপরে নির্দেশিত সেই কল্পকাহিনী মতে, নাগরির ব্যবহার হ্রাস করে সিলেটী ভাষাকে নাশ করার একটি উদ্দেশ্য আছে। কী সেই উদ্দেশ্যে? এ-প্রসঙ্গে একই উইকিপীডিয়াতে বলা হচ্ছেঃ

    “The government of the newly formed Bangladesh did so to promote a greater "Bengali" identity”

    অর্থাৎ, এখানে বলা হচ্ছে যে, “নবগঠিত বাংলাদেশের সরকার এসব করেছে একটি বৃহত্তর বাঙালী পরিচয়কে উর্ধ্বে তুলে ধরার জন্য।” পাঠককে উপরের বাক্যটির “এ্যা গ্রেইটার বেঙ্গলি আইডেণ্টিটি”  বা “বৃহত্তর বাঙালী পরিচয়” অংশটির প্রতি নজর দিতে বলবো।

    নজর দিতে বললাম এটি বুঝতে যে, সিলেটি নাগরিকে স্পষ্টতঃ বাঙালী জাতিসত্তার দ্বারা একটি অবদমিত ভাষা হিসেবে দেখানো হচ্ছে। আমি মনে করি, এর পেছেনে একটি রাজনৈতিক বোধ ও প্রকল্প কাজ করে থাকবে। আর কী সেই বোধ তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে নীচের উইকিপীডিয়ায় লিখিত নীচের বাক্যটিতেঃ

    “It is also known as Jalalabadi Nagri, Mosolmani Nagri, Ful Nagri etc.” অর্থাৎ, “এটি (সিলেটি নাগরি) জালালাবাদী নাগরি, মুসলমানানী নাগরি ও ফুল নাগরি ইত্যাদি নামেও পরিচিত।”

    সিলেটি নাগরির মুসলামানী পরিচয় মেলে পশ্চিম বাংলার যাদপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক অনুরাধা চন্দর লেখায়ঃ

    “The Script emerged as an alternative script for Bengali as spoken in the Sylhet-Cachar or Surma Valley region...That Islam acted as a catalytic agent in the emergence of the script is a well established fact. By the eighteenth century this easy-to-learn script became very popular among the rural Muslim masses and was used for religious composition and social exchange.”

    অর্থাৎ, “এই লিপির উদ্ভব ঘটে সিলেটি-কাছার বা সুরমা উপত্যাকায় কথিত (স্পৌকেন) বাংলার জন্যে একটি বিকল্প লিপি হিসেবে...ইসলাম যে এই লিপির উদ্ভবে অনুঘট হিসেবে কাজ করেছে, তা সুপ্রতিষ্ঠিত। আঠারো শতক নাগাদ সহজে-শিখতে-পারা এই লিপি গ্রামীন মুসলিম জনগণের মধ্যে খুবই জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং ধর্মীয় রচনা ও সামাজিক আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হয়।”

    আমি আজই বৃহত্তর সিলেটের মৌলভী বাজারের ৫৫ বছর বয়স্ক সত্যব্রত দাশকে জিজ্ঞেস করলাম তিনি তাঁর জীবনে কখনও কোনো গ্রামে বা শহরে কোনো হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে নাগরি সাহিত্য রাখতে বা পাঠ করতে দেখেছেন বা শুনেছেন কি-না। উত্তরে তিনি জানালেন, না তিনি তা দেখেনি বা শুনেননি।

    উপরের আলোচনা থেকে দু’টি সত্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রথমতঃ নাগরি কোনো ভাষা নয়, নাগরি হচ্ছে লিপি। দ্বিতীয়তঃ সেই লিপি প্রচলিত ছিলো সিলেটের গ্রামীন মুসলমানদের মধ্যে, সমগ্র জনগণের মধ্যে নয়।

    তাই, নাগরিকে সিলেটের ভাষা তো নই, এমনকি সিলেটের লিপিও বলা যায় না। সুতরাং জাহিদ ইকবালের নাগরি ভাষা দাবী অবৈজ্ঞানিক, অনৈতিহাসিক ও কাণ্ডজ্ঞানহীন।

    তা সত্ত্বেও ডাক্তার ভাদুড়ীর প্রশ্নের অনুত্তর থেকে গেলো। অর্থাৎ, নাগরি একটি ভাষা নয় বোঝা গেলেও, ‘সিলেটি’ একটি স্বতন্ত্র ভাষা কি-না তার উত্তর পাওয়া গেলো না।

    আমার মতে, এ-প্রশ্নের উত্তর দু’টি প্রকল্প পরীক্ষার মধ্য দিয়ে পাওয়া সম্ভব। পরীক্ষণীয় প্রকল্প দু’টির একটি হচ্ছে জাতি-প্রকল্প এবং অন্যটি হচ্ছে ভাষা-প্রকল্প।

    প্রথম প্রকল্প মতে, সিলেটের জনসাধারণ যাদি বাঙালী হোন, তাহলে তাঁদের মাতৃভাষা হবে ভাষা হবে বাংলা। আর, দ্বিতীয় প্রকল্প মতে, সিলেটের জনসাধারণের মাতৃভাষা যদি বাংলা না হয়, তাহলে তাঁরা জাতিতে হবেন অবাঙালী।

    জাতি কী, তার ব্যাখ্যায় আমি আগেই বলেছি, প্রাকৃতিভাবে প্রাপ্ত ও ঐতিহাসিকভাবে রপ্ত পার্থক্যমূলক বৈশিষ্ট্য একজাতিকে অন্যজাতি থেকে পৃথক করে। এখানে প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত বৈশিষ্ট্য বলতে শারিরীক নৃতাত্ত্বিক বৈশ্যষ্ট্য এবং ঐতিহাসিকভাবে রপ্ত বৈশিষ্ট্য বলতে জাতীয়তাবোধকে বোঝানো হচ্ছে।

    এ-পর্যন্ত এমন কোনো নৃতাত্ত্বিক গবেষণালদ্ধ উপাত্ত বা তথ্য পাওয়া যায়নি, যাতে দেখা যায় যে সিলেটের মানুষ বাঙালী জাতিসত্তার মানুষ নন। বিভিন্ন রেইস বা নৃগোষ্ঠী থেকে যে-ঐতিহাসিক বিগলন প্রক্রিয়ায় বাঙালী জাতিসত্তা গড়ে উঠেছে, সিলেটের প্রশাসানিক পরিচয় যাই হোক না কেনো, সেখানকার অধিবাসীরা সর্বতোভাবে বাঙালী।

    আর আমরা যদি বাঙালী জাতীয়তাবোধের কথা ধরি, তাহলে এ-কথা বললে অত্যুক্তি হবে না যে, সিলেটের মানুষ বাঙালী জাতীয়তাবাদী চেতনায় সর্বাগ্রগামী। আধুনিক জাতীয়তাবাদ সৃষ্টি-কালের আগে বাঙালীর মধ্যে বাংলাভাষা বোধের জাগৃতি ঘটিয়ে ‘চৈতন্যযুগ’ সৃষ্ট হয় যার নামে, সেই চৈতন্য স্বয়ং সিলেটের লোক ছিলেন।

    আধুনিক যুগে, বাংলার পরাধীনতার কালে, বাঙালী জাতীয়তাবাদের যে-দু’টি ঐতিহাসিক তরঙ্গ লক্ষ্য করা যায়, ১৯০৫ থেকে ১৯৪৭ এবং ১৯৪৮ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত, তাদের প্রতিটিতেই সিলেটের জনসাধারণ ও ব্যক্তি বিশেষের বলিষ্ঠ ভূমিকা রয়েছে।

    ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে যে-তীব্র বাঙালী চেতনার জাগৃতি ঘটে বাঙালী জাতীয়বাদের যে প্রথম তরঙ্গ সৃষ্ট ও বিস্তৃত হয়, তার অন্যতম পিতা ছিলেন হবিগঞ্জের বিপিনচন্দ্র পাল। বিশাল বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতার এই শিক্ষক, সাংবাদিক ও রাজনীতিক নমস্য ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছেও।

    বাঙালী জাতীয়তাবাদের দ্বিতীয় তরঙ্গে ১৯৫২ সালে ভাষা-আন্দোলন ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধেও রয়েছে সিলেটের জনসাধারণের ছিলো অসামান্য ভূমিকা। আর, তারই ব্যক্তিক প্রকাশ ঘটেছে মুক্তিযুদ্ধে সিলেটের সংগ্রামীদের নেতৃত্বদায়ী ভূমিকার মধ্য দিয়ে। এটিই ইতিহাস যে, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল ওসমানী সহ-অধিনায়ক জেনারেল আব্দুর রব এবং সেক্টর কমাণ্ডার চিত্তরঞ্জন দত্তও বৃহত্তর সিলেটের লোক। 

    সুতরাং প্রথম প্রকল্পের উপরের পরীক্ষায় এটিই প্রমাণিত হয় যে, সিলেটের লোকেরা দেহগত ও চেতনাগতভাবে বাঙালী।

    দ্বিতীয় প্রকল্পের পরীক্ষায় ভাষাতত্ত্ববিদ জর্জ এ্যাব্রাহাম গ্রীয়ারসন বহু আগেই তাঁর বিখ্যাত ‘লিঙ্গুয়িষ্টিক সার্ভে অফ ইণ্ডিয়া’ গবেষণায় (১৮৯৪-১৯২৮) দেখিয়েছেন বাংলা ভাষার মানচিত্রের অন্তর্ভূক্ত অন্যান্য অঞ্চলের মতোই সিলেটের ভাষা বাংলা।

    তিনি নীচের পরীক্ষা-বাক্যটি ব্যবহার করে দেখিয়েছে, বাংলার প্রতিটি অঞ্চলেরই রয়েছে বিশিষ্ট উচ্চারণ শব্দমালা, কিন্তু তা সত্ত্বেও এদের সব মিলিয়েই বাংলাভাষা যার সাধারণ রূপ হচ্ছে সাধু ভাষা।

    সাধুভাষাঃ  “কোন এক ব্যক্তির দুটি পুত্র ছিল। তন্মধ্যে কনিষ্ঠটি পিতাকে কহিল, পিতঃ, বিষয়ের যে অংশ আমার প্রাপ্য, তাহা আমাকে দিন। তিনিও উহাদের মধ্যে তাঁহার সম্পত্তি বিভাগ করিয়া দিলেন।”

    ঢাকাঃ “এ্যাক যনের দুইডি সাওয়াল আসিলো। তাগো মৈদদে সোটাডি তার বাপেরে কৈলো, বাবা আমার বাগে যে বিত্তি ব্যাশাদ পরে তা আমারে দ্যাও। তাতে তিনি তান বিষয় শোম্পত্তি  তাগো মৈদদে বাইটা দিল্যান।”

    সিলেটঃ “কোন মানুশর দুই পুয়া আসিল্‌। তাহাদের মধ্যে সোটটি বাপরে কৈল্‌, বাবা বিষয়ের যে অংশ আমার বাটে পড়ে, আমারে দ্যাও। তাতে তে তারার্‌ মাইযে যত্‌তান্‌ আসিল, হগলতান্‌ বাইট্টা দিল্‌।”

    নোয়াখালিঃ এক্‌ যনের দুই হুত আসিল। সুডগায় বাফেরে কৈল, বাউ, আঁর বাগের যিনিশ হাতি যে অয়, আঁরে দ্যান। বাফে তাগরে হককল বাগ কোরি দিল।”

    বাংলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে জর্জ গ্রিয়ার্সনের সংগৃহীত বিভিন্ন নমুনা থেকে আমি উপরে মাত্র তিনটির পুনরুৎপাদন করলাম। এতে বাংলা ভাষার সাধু বা ষ্ট্যাণ্ডার্ড রূপ থেকে ঢাকার, সিলেটের ও নোয়াখালির আঞ্চলিক রূপে স্পষ্ট পার্থক্য লক্ষণীয়।

    কিন্তু ধ্বনিতাত্ত্বিক (ফনোলজিক্যাল), রূপতাত্ত্বিক (মর্ফোলজিক্যাল), গঠনতাত্ত্বিক (সিণ্ট্যাক্টিক), অর্থতাত্ত্বিক (সিমাণ্টিক) ও প্রয়োগতাত্ত্বিক (প্র্যাগমেটিক) দিকগুলো বিবেচনা করি, তাদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।

    উপরে উল্লেখিত ভাষার উপাদানগুলো যদি বিভিন্ন অঞ্চলে অভিন্ন হয়, তখন উচ্চারণে শতো পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও আঞ্চলিক ভাষাসমূহ মূলতঃ এক ও অভিন্ন ভাষার বিভিন্ন প্রকাশ মাত্র।

    জলকে ঢাকায় ‘পানি’, সিলেটে ‘ফানি’ এবং নোয়াখালিতে ‘হানি’ উচ্চারিত হলেও বস্তুতঃ এই তিনটি অভিন্ন শব্দ, যার উচ্চারণ ভিন্ন-ভিন্ন।

    এটি শুধু বাংলায় নয়, ইংলিশেও আছে। লণ্ডনের ‘বাস’ ম্যাঞ্চেষ্টারে ‘বুস’ উচ্চারিত হলেও শব্দটি অভিন্ন। লণ্ডনের ওয়েষ্টএণ্ডের অক্সফৌর্ড ষ্ট্রীটের একটা ছাতার দাম পাউণ্ডের হিসেবে ‘থ্রী’ এবং ঈষ্টএণ্ডের ওয়াইটচ্যাপেলে ‘ফ্রী’ বলা ছাতার দাম তিন পাউণ্ড চাওয়া হয়।

    সুতরাং সিলেটে বিশিষ্ট উচ্চারণে প্রকাশিত বাঙালীজনের ভাষা অতি অবশ্যই বাংলাভাষা। সিলেটের বাঙালীদের বাংলাভাষাকে অন্যএকটি ভাষা বলে দাবী করার সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আর এই দাবীর মধ্যে  ‘নাগরি লিপি’ ব্যবহার যুক্ত করা নিতান্ত মূর্খতা ছাড়া আর কিছুই নয়।

    স্থানাভাবে আমার প্রতিশ্রুত সিলেটে নাগরি লিপির ব্যবহারে সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে আমার বিস্তারিত ধারণা এখানে উল্লেখ করতে পারলাম না। কিন্তু সারমর্ম হিসেবে বলা যায়, সিলেটের মুসলমানদের মধ্যে সুফিবাদী একাধিক ধারা চর্চিত ছিলো, তাদের মধ্যে বেশ দার্শনিক পার্থক্য ছিলো যা এখনও অনুসন্ধানে পাওয়া যায়।

    এই প্রকল্প পরীক্ষার দাবী রাখলেও তৈরি করা অযৌক্তিক হবে না যে, এর মধ্যে এক বা একাধিক ধারার সুফীবাদীরা হয়তো নিজদের গোষ্ঠী বা সেক্টের মধ্যে গোপনীয়তা সংরক্ষণ করে আপন ধর্মচর্চার সুবিধার্থে প্রচলিত বাংলা ও আরবি লিপির বিপরীতে নাগরি লিপির ব্যবহার করতেন। কারণ, সিলেটি নাগরি লিপির প্রাগুক্ত গবেষক অধ্যাপক অনুরাধা চন্দর আমাদের জানান যে, নাগরি লিপি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা এক ধরনের গোপনীয়তা রক্ষা করতেন।

    উপসংহারে বলবো, শুরুতে উল্লেখিত জাহিদ ইকবাল কিংবা অন্য যে-কোনো পণ্ডিত বা গবেষকদের ধারণা ও দাবীর ১৮০ ডিগ্রী বিপরীতে বাস্তব ঘটনা এটিই প্রমাণ করে যে, নাগরি কোনো ভাষা নয় - নাগরি হচ্ছে একটি লিপি। নাগরি নামে কোনো কালে কোনো দেশে কোনো ভাষা ছিলো না ও নেই। আর, সিলেটের আদিবাসীদের বাদ দিলে সাধারণ মানুষ জাতিগতভাবে বাঙালী এবং তাঁদের ভাষা বাংলা।

    সোমবার, ১০ মার্চ ২০১৪
    নিউবারী পার্ক
    এসেক্স, ইংল্যাণ্ড
    masudrana1@gmail.com

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন