• তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও বিমূঢ় বাঙালী
    মাসুদ রানা

    গতকাল শনিবার জাতিসংঘের সিকিউরিটি কাউন্সিলে সিরিয়ার বিরুদ্ধে মার্কিন-সমর্থনপুষ্ট ও  মরক্কো-আনীত একটি প্রস্তাব রাশিয়া ও চীনা ভিটোতে ব্যর্থ হয়ে গিয়েছে। কারণ, ঐ প্রস্তাবে স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হবার পরও সিরিয়ার শাসন-ক্ষমতায় পরিবর্তন আনার প্রস্তাব করা হয়েছিলো বহিঃস্থ শক্তির চাহিদানুসারে।

    বাইরের ইচ্ছানুসারে একটি জাতি-রাষ্ট্রের শাসন-ক্ষমতার পরিবর্তন বা ‘রেজিম-চেইঞ্জ’-এর মার্কিন পলিটিক্যাল ডকট্রিন গত এক দশক ধরে পৃথিবীতে যুদ্ধ, অশান্তি ও দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রথমে আফগানিস্তানে, তারপর ইরাকে এবং সর্বশেষ লিবিয়াতে রেজিম চেইঞ্জ করার পর, মার্কিন ও তার মিত্রদের দৃষ্টি পড়েছে সিরিয়ার উপর। পাশ্চাত্যের অনেক বুদ্ধিজীবী লিখছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুমকি মূলে কাজ করছে সেই রেজিম চেইঞ্জ ডকট্রিন।

    আজকের রেজিম চেইঞ্জ হচ্ছে এক ধরনের ‘পৌস্টমডার্ন কলৌন্যালিজম’, বাংলায় যাকে বলা যায় ‘উত্তরাধুনিক উপনিবেশবাদ’। অর্থাৎ, আগের মতো ক্ল্যাসিক্যাল ফর্মে দুর্বল দেশে গিয়ে সাম্রাজ্যবাদী দেশকে নিজ-হাতে রাষ্ট্র পরিচালনা করে লুটতরাজ করতে হবে না। দুর্বল দেশটি ‘স্বাধীন’ হিসেবেই চলবে। কিন্তু এর ক্ষমতায় থাকবে সাম্রাজ্যবাদের অনুগত জাতীয়তাবাদীরা। তাঁরা একদিকে 'স্বাধীনতার চেতনা'র কথাও বলবেন, আবার সাম্রাজ্যবাদের স্বার্থেরও সংরক্ষা করবেন। একদিকে 'দেশপ্রেমিক' আবার অন্যদিকে সাম্রাজ্যবাদের অনুগত থাকার যে-অভিনব অবস্থান, এটি হচ্ছে একই সাথে ‘পৌস্টমডার্ন কলৌন্যালিজম’ ও ‘পৌস্টমর্ডান ন্যাশনালিজম’- যেনো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।

    গত শনিবার রেজিম চেইঞ্জের প্রস্তাব আনা হয়েছিলো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে। বলা হয়েছিলো, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে হবে। ঠিক একইভাবে বলা হয়েছিলো ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হুসেইনের ব্যাপারে। বলা হয়েছিলো লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির ব্যাপারে। এমনকি ইউরোপেও তাই হয়েছে। গ্রীসের প্রধানমন্ত্রী জর্জ পাপেন্দ্রোকে পদত্যাগ করতে সাম্রাজ্যবাদী অর্থ-সংস্থার চাপে। পদত্যাগ করতে হয়েছে ইতালীর প্রধানমন্ত্রীকে সিলভিও বার্লুস্কোনিকেও।

    আজকের পৃথিবীর পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী অর্থনীতি যে-কয়েকটি বিত্তশালী পরিবারের বহুজাতিক কর্পোরেট স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে কোনো-কিছুকেই সহ্য করা হবে না - হঠিয়ে দেয়া হবে, মিটিয়ে দেয়া হবে। এই হচ্ছে রেজিম চেইঞ্জ।

    এ-পর্যন্ত রেজিম চেইঞ্জ বাস্তবায়িত করার জন্য জাতিসংঘ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিশ্ব-সংস্থাকে অত্যন্ত চালাকির সাথে ব্যবহার করা হয়েছে প্রতিবারেই। সে-ধারাবাহিকতায় রেজিম চেইঞ্জের সর্বশেষ প্রস্তাবটিও আনা হয়েছিলো শনিবারে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে। কিন্তু স্থায়ী সদস্য রাশিয়া ও চীন তাদের ভিটো প্রয়োগ করে হারিয়ে দিয়েছে সে-প্রস্তাব।

    যদিও স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রে হস্তক্ষেপ না-করার প্রতিষ্ঠিত নীতির প্রতি বিশ্বস্ত থাকার প্রয়োজন থেকে ভিটো প্রয়োগের কথা বলেছে রাশিয়া ও চীন, কিন্তু তারাও আগে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। কিন্তু আজ পৃথিবী দ্রুততার সাথে এমন একটি পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে, যা মোকাবেলার জন্য বিশ্ব-শক্তিসমূহের মধ্যে মেরুকরণ শুরু আগের চেয়ে একটু অন্য রকমের। রাশিয়া ও চীনের ‘ভূমিকা’ পালনকে সেভাবেই দেখতে হবে।

    তো, পরিস্থিতিটি কী? কোনো নাটকীয়তা না করে বলা যায়ঃ বিশ্বযুদ্ধ। হ্যাঁ, দৃশ্যতঃ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকেই এগুচ্ছে পৃথিবী। পৃথিবী দ্রুত একটি বৃহত্তর যুদ্ধের দিকে যাচ্ছে, যা ব্যাপ্তির কারণেই বিশ্বযুদ্ধ হিসেবে পরিগণিত হবে। অন্ততঃপক্ষে গত সেপ্টেম্বরের থেকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের তৎপরতা বিশ্লেষণ করলে পরিস্থিতির প্রবণতা বুঝা যাবে। 

    গত সেপ্টেম্বরে ইসরায়েলী সেনাপতির সংবাদ-সম্মেলন ডেকে বৃহত্তর যুদ্ধের প্রস্তুতির জন্য জাতিকে তৈরী হবার কথা বলার ঘটনা সহজ ভাবে নেবার বিষয় নয়। পরের সপ্তাহে একই-ভাবে রাশান ফেডারেশনের সেনাপতির সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে আরও সুনির্দিষ্টভাবে জাতিকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশনাও ততোধিক গুরুত্বপূর্ণ। ঠিক এ-সময়েই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেইভিড ক্যামেরোনের স্বল্প সময়ের জন্য রাশিয়া সফরও প্রণিধানযোগ্য।

    এদিকে, অর্থনীতিতে অপ্রতিরোধ্য শক্তি হিসেবে আবির্ভুত চীনের নৌশক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে একাধিক যুদ্ধবিমানবাহী জাহাজ সমুদ্রে নামানোর ঘটনাও বিশেষ গুরুত্বের সাথে দেখার দাবী রাখে।

    কয়েক মাস আগে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অস্ট্রেলিয়া সফর ও দেশটির সাথে সৈন্য সমাবেশের চুক্তি সাক্ষরকে দেখতে হবে চীনের শক্তি-বৃদ্ধিতে তাদের প্রস্তুতি হিসেবে। সর্বশেষ, চীনের প্রতিবেশী ফিলিপিনসে মার্কিন সৈন্য সমাবেশিত করার সিদ্ধান্তকে কোনোক্রমেই একটি সাধারণ ঘটনা হিসেবে দেখা যায় না।

    এদিকে ইসরায়েলের সাথে মিলে মার্কিন ও তার মিত্রদের ইরানের চতুর্দিকে সামরিক বুহ্য রচনা করে, দেশটির ভিতরে বৈজ্ঞানিক হত্যা থেকে শুরু করে নানা রকমের নাশকতা অব্যাহত রেখেছে।

    দক্ষিণ এশিয়াতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে তার মিত্র পাকিস্তানের সাথে। বিপরীতে চীনের সাথে পাকিস্তানের সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

    লক্ষণীয়ভাবে, ভারতের সাথে মার্কিন সমর্থিত আফগানিস্তানের কারজাই সরকার এক বিস্তৃত সামরিক চুক্তি সাক্ষর করেছে কয়েক মাস আগে। ভারত সাম্প্রতিক কালে চীন সীমান্ত যে সৈন্য সমাবেশ ঘটাচ্ছে, তা ১৯৬২ সালের চীন-ভারত যুদ্ধের পর আর দেখা যায়নি। এ-মাসেই ভারত যে কয়েকশো যুদ্ধ বিমান কিনলো ফ্রান্স থেকে, তাও লক্ষ্য করার মতো।

    ভারত-যে আজ বাংলাদেশে ‘ট্র্যানজিট’ শিরোনামে ক্ষিপ্রতার সাথে ইনফ্রাস্ট্রাকচারের ‘উন্নয়ন’ ঘটাচ্ছে, তাকেও কিন্তু একটি আসন্ন বিশ্বযুদ্ধের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখার ভূ-রাজনৈতিক কারণ আছে। চীন সীমান্ত ঘেঁষে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য-সমূহে শক্তিশালী সামরিক অবস্থানের জন্য বাংলাদেশের ভিতর দিয়ে চলাচল করা ছাড়া আর কোনো সহজ উপায় ভারতের নেই।

    নাবালকেরা ভারতের ট্র্যানজিটকে শুধু যে বাণিজ্য হিসেবে দেখছে, তাকে সামরিক হিসেবেও দেখতে হবে। কিন্তু লক্ষ্য করা বিষয় হচ্ছে, বাংলাদেশের সংবাদ-মাধ্যম থেকে শুরু করে কোথাও কেউ এ-বিষয়ে টুঁ-শব্দটি পর্যন্ত করছে না। এমনকি, চীন ও রাশিয়া ভিটো প্রয়োগ করে জাতিসংঘের সিরিয়া প্রস্তাব যে হারিয়ে দিয়েছে, তারও রিপৌর্ট নেই বাংলাদেশের নেতৃস্থানীয় বাংলা-মাধ্যম প্রথম আলোতে।

    বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে বিশ্ববোধ দৃশ্যতঃ অত্যন্ত দুর্বল। তাঁরা প্রধানতঃ স্থানীয় ইস্যু এবং আওয়ামী-বিএনপি দ্বন্দ্ব-সমন্বয়ের মধ্যেও আটকে রয়েছে। তাঁরা বিশ্বের গতি-প্রকৃতি লক্ষ্য করছেন না। গুরু ঘটনায় নির্বিকার থেকে লঘু বিষয়ে ব্যাপৃত থাকা বাঙালী বুদ্ধিজীবীদের জন্য নতুন কিছু নয়।

    ১৯৭১ সালে ইয়াহিয়া-মুজিব-ভূট্টোর গোল-টেবিল বৈঠকের নাম করে প্রায় এক লক্ষ সৈন্য পাকিস্তান থেকে ঢাকাতে আনা হয়েছিলো। বাঙালীর রাজনৈতিক নেতৃত্ব এর অর্থ বুঝে উঠতে পারেনি, কিংবা বুঝলেও বাধা দেয়নি। সৈন্য আনা সমাপ্ত হবার পর গোল-টেবিল বৈঠক ভেঙ্গে যায়। ভূট্টো চলে যান পাকিস্তান। তারপর যান ইয়াহিয়া। তারপর নিয়ে যাওয়া হয় শেখ মুজিবুর রহমানকেও। আর বাঙালী অপ্রস্তুত অবাস্থায় মুখমুখি হয় একটি গণহত্যার।

    ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত ১২টার পর প্রথমে আক্রমণ চালানো হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নাম দিয়ে। তারপর হত্যা করা হয় লক্ষ-লক্ষ নিরাপরাধ বাঙালীকে। এ-গণহত্যার অপরাধকে শুধু 'কমিশন' হিসেবেই দেখা হয়েছে এতোদিন। কখনও 'অমিশন' হিসেবে দেখা হয়নি। যদি হতো, তাহলে গণেশ উল্টে যেতো ইতিহাসের। 

    অপরাধের 'কমিশন' ও 'অমিশন' কাকে বলে? একটি শিশুকে আঘাত করে আহত করা হচ্ছে 'কমিশন'। আর, শিশুটি একটি পরিস্থিতিতে আঘাত পেতে পারে  বুঝেও, সে-পরিস্থিতি থেকে তাকে রক্ষা না করা হচ্ছে 'অমিশন'। আইনের দৃষ্টিতে দুটোই অপরাধ। এই ন্যায়-বোধে ও সত্য-বোধেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কাব্যে বলেছিলেন, 'অন্যায় যে করে, আর অন্যায় যে সহে, তব ঘৃণা তারে যেনো তৃণসম দহে।'

    কিন্তু আবেগে অন্ধ বিমূঢ় বাঙালী কি সে ন্যায়-বোধে ও সত্য-বোধে উজ্জীবিত হতে পেরেছে? কী আক্ষেপে ও উপলব্ধিতে এই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই বলেছিলেন, 'সপ্তকোটি সন্তানের হে মুগ্ধ জননী, রেখেছো বাঙালী ক'রে মানুষ করো নি'?

    বাঙালীর বিমূঢ়তার গভীরতা কতোটুকু? ১৯৭১ সালে জাতি যখন গণহত্যার শিকার ও দেশ যখন উপদ্রুত, তখন শেষ দিন পর্যন্ত কী-আশায় কিংবা ভরসায় বাঙালী বুদ্ধিজীবীরা নিজ-ঘরে ও চাকুরীক্ষেত্রে দিব্যি স্থিত ছিলেন মধ্য ডিসেম্বর পর্যন্ত?  কী ছিলো তাঁদের উপলব্ধি? উপলব্ধি যা-ই থেকে থাকুক, শেষ পর্যন্ত  বধ্যভূমিতে জীবন দিয়ে তাঁদের বুঝতে হয়েছিলো ঘরে বসে থাকার বোধটি তাঁদের ঠিক ছিলো না। কিন্তু হায়, ততোক্ষণে অনেক দেরী হয়ে গিয়েছিলো।

    বিশ্ব-জুড়ে যুদ্ধের প্রস্তুতি চলছে। ব্যাপ্তির অর্থে এটি বিশ্বযুদ্ধেরই প্রস্তুতি। বাংলাদেশকেও জড়িত করে চলছে এই প্রস্তুতি, তা বাঙালী বুঝুক বা না-বুঝুক। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে বর্তমানে যা হচ্ছে, তাকেও বিচ্ছিন্ন করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। তারপরও বাঙালীর মধ্যে ঠিক বোধের লক্ষণ দেখছি না। এক অদ্ভুত বিমূঢ়তায় আড়ষ্ট বাঙালী - দেখতে চায় না, শুনতে চায় না, বুঝতে চায় না।

    তবু বলি, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-কালে বাংলার মাটিতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ-সৃষ্ট দুর্ভিক্ষের কারণে মরেছে প্রস্তুতিহীন বাঙালী জাতি-সত্ত্বার প্রায় পৌনে এক কোটি মানুষ, যা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের মধ্যে সমগ্র প্রাণহানির ৯০ শতাংশ। ১৯৭১ সালে গণহত্যার শিকার হয়েছে ত্রিশ লক্ষ বাঙালী। যদি আরও পেছনে তাকাই ইতিহাসে, তাহলে দেখি, ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজ সাম্রাজ্যবাদীদের বিজয়ের পর তাদের তৈরী-করা দুর্ভিক্ষে প্রাণ দিতে হয়েছিলো সে-সময়কার মোট তিন কোটির মধ্যে এক কোটি বাঙালীর। আগামী বিশ্বযুদ্ধে বাঙালীর জন্য কি সর্বনাশ অপেক্ষা করছে কে তা জানে?

    হায় দেশ, হায় জাতি, কী বিমূঢ় তোমার 'বিবেক' বুদ্ধিজীবী! লঘু আমি, তবুও ডাক দিয়ে যাইঃ খাঁচার বাইরে চোখ মেলে তাকাও বাঙালী, প্রস্তুত হও আসন্ন যুদ্ধের। প্রতিটি বিশ্বযুদ্ধে পৃথিবীর মানচিত্র পরিবর্তিত হয়েছে এবং এবারও হবে। তাই, চিনে নাও তোমার আপন দেহ, জাগিয়ে তোল তোমার সুপ্ত শক্তি, আলিঙ্গন করো সমগ্র বাংলার মাটি এবং রক্ষা করো সমস্ত বাঙালী প্রাণ!

    আর মৃত্যু নয় অকাতরে,

    লড়াকু তোমাকে জিৎতেই হবে।

    বিমূঢ় হয়ো না রক্ত আমার,

    জেগে ওঠো আমার শব্দ-পাঠে!

    রোববার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২
    নিউবারী পার্ক
    এসেক্স, ইংল্যাণ্ড
    masudrana1@gmail.com

পাঠকের প্রতিক্রিয়া

বিশ্ব যখন এগিয়ে চলেছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে
আমরা তখন দিবস করে পুলিশ প্রহরায় চুমু খাওয়ায় আছি মেতে

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন