• বুদ্ধির ঢেঁকিঃ কোঁদলে যশ
    মাসুদ রানা

    ঢেঁকি ও কোঁদল
    বাংলায় ‘বুদ্ধিজীবী’ কথাটা চিত্তাকর্ষক, কিন্তু ‘বুদ্ধির ঢেঁকি’ মোটেও নয়। বুদ্ধিজীবীদের আমরা খুব চিনি, কিন্তু বুদ্ধির ঢেঁকি চিনি কি? তবে, ঢেঁকি আমরা নিশ্চয় চিনি। গ্রাম বাংলার বড়ো গৃহস্থালীর ধানভানা-ঘরে প্রায়শঃ দুই নারীর প্রতিযোগী ও ছন্দোবদ্ধ পদাঘাতের তালে-তালে বিশ্রী আওয়াজ তুলতে-তুলতে ধান ভানে যে পদচালিত যুগল কাষ্ঠযন্ত্র দেখা যায়, তাদের প্রতিটিকে বলা হয় ঢেঁকি।

    বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীরা বুদ্ধির ঢেঁকি, এমন স্পর্ধিত কথা আমি বলছি না। কিন্তু বুদ্ধিজীবীরা যে ঢেঁকির তালে-তালে বুদ্ধিজীবীতা করেন, সে-বিষয় তেমন সন্দেহের অবকাশ নেই। বাংলাদেশে রাজনীতির মতো সেখানে বুদ্ধিজীবীতাও ডিজিট্যাল বা বাইনারি – হয় এই পক্ষ, না হয় ওই পক্ষ। হয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, না হয় ইসলামিক চেতনা। মনুষ্য চেতনা সেখানে অস্তিত্বহীন।

    দুই চেতনার ঢেঁকি দুই তালের পদাঘাতে ধান ভেনেই চলছে। কান পেতে শুনলে শোনা যাবে এ-যেনো এক অন্তহীন কোঁদল। এই কোঁদলে জীবনের অর্থ ও যশ খুঁজে পাচ্ছেন ডান-বামের রাজনীতিকেরা, বিভিন্ন ক্ষেত্রের পেশাজীবীরা ও নানা বিশ্বাসের বুদ্ধিজীবীরা। যেনো কোঁদলেই যশ!

    সম্প্রতি কোঁদলেরই ছদ্মবেশী প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে দুই বুদ্ধিজীবীর তথাকথিত টকশো ও লেখালেখিতে। বুদ্ধিজীবী দু’জনের নাম ফরহাদ মজহার ও সলিমুল্লাহ খান, যাঁরা একদা ছিলেন হরিহর আত্মা ও পরষ্পরের প্রতি আহল্লাদে আটখান। অন্ততঃ একজন অপরজনকে ডাকতেন ‘মহাত্মা’ বলে। কিন্তু কোনো এক দুর্বোধ্য কারণে ও সময়ের ব্যবধানে আজ তাঁরা পরস্পর থেকে বহুদূরে এবং একের প্রতি অন্য অতিশয় তিক্তপ্রাণ। 

    যদিও উভয়ই বঙ্গীয় বুদ্ধির রাজ্যে রূপতঃ রাজা হবার যোগ্য বলে প্রত্যক্ষিত, সম্ভবতঃ এক বনে দুই বাঘ কিংবা এক রাজ্যে দুই রাজার সহ-অবস্থান অসম্ভব বিবেচিত বলে, বিকাশের পথে তাঁরা পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিচ্ছিন্ন হয়ে, বর্তমানে একে অন্যকে সুযোগ মেলা মাত্র বুদ্ধিতে ঠ্যাঙাতে সচেষ্ট। অতিসম্প্রতি, তাঁদেরকে ঢেঁকির তালে কোঁদল করতে দেখে যার পর নাই বিস্মিত হই। 

    কোঁদল-কাহিনী
    গত ২৮ শে অক্টোবর একুশে টেলিভিশনের একটি কথানুষ্ঠানে ফরহাদ মজহার সরকারপন্থী গণমাধ্যমগুলোকে রাজনীতিতে সন্ত্রাসের জন্য দায়ী করে কিছু কথা বলেন। একটি সংবাদ-মাধ্যম বিরোধী দলের ক্ষুব্ধ কর্মীদের বোমা-আক্রমণের শিকার হওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ফরহাদ মজহার বলেন, “আমি তো মনে করি এই পটকা ফোটানোটা খুব কমই হয়েছে, মূলতঃ তো আরও বেশি হওয়া উচিত ছিলো।” 

    ফরহাদ মজহারের এ-মন্তব্য দ্রুত ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে গণমাধ্যমে ও রাজনৈতিক অঙ্গনে। আর সেই সুবাদে রূপতঃ খড়গহস্তে ঝাঁপিয়ে পড়েন সলিমুল্লাহ খান অন্য একটি টেলিভিশনের কথানুষ্ঠানে। টেলিভিশনটির নাম একাত্তর টিভি।

    একাত্তর টিভির কথানুষ্ঠানে সলিমুল্লাহ খান যা বলেছেন, তার প্রতিক্রিয়ায় এবার ফরহাদ মজহার ৩রা নভেম্বর একটি প্রবন্ধ লিখেন দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায়, যেখানে তিনি অভিযোগ করেন খানের বিরুদ্ধে। তিনি দাবী করেন যে, সলিমুল্লাহ খান তাঁকে রাষ্ট্রদ্রোহী হিসেবে অভিযুক্ত করে রাজসাক্ষী হয়েছেন। আর, রাষ্ট্রদ্রোহিতার শাস্তি মৃত্যু ধরে নিয়ে সলিমুল্লাহ খানকে তাঁর মৃত্যুকামী শত্রু হিসেবে চিত্রিত করেন ফরহাদ মজহার।

    উত্তরে সলিমুল্লাহ খান গত ৫ই নভেম্বর ইণ্টারনেট ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিডিনিউজ২৪-এ প্রবন্ধ লিখে তাঁর মতো করে রাষ্ট্রদ্রোহিতার সংজ্ঞা দিয়ে ফরহাদ মজহারকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ সাবিত করেন এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতার শাস্তি কেবল মৃত্যু নয়, কারাবাসও হতে পারে বলে নিশ্চিত করেন।  ফরহাদ মজহার যে সলিমুল্লাহ খানের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী অভিধা আরোপ করেছেন, তা তিনি আইনের সংজ্ঞা দিয়ে প্রত্যাখান করেন এবং সেই সাথে তাঁকে ‘বিদিশা’ বা নির্বোধ প্রতিপন্ন করেন।

    লক্ষ্য করা গেলো, সলিমুল্লাহ খানের লেখাটি ইণ্টারনেটের একাধিক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে এবং প্রচুর পাঠক তাঁর প্রতি সাধুবাদ ও ফরহাদ মজহারের প্রতি নিন্দাবাদ জানিয়েছেন। কোনো-কোনো পাঠক স্বয়ং বুদ্ধিজীবী হিসেবে পরিচিত এবং তাঁরাও ফরহাদ মজহারের লেখার বিষয়বস্তু ছেড়ে তাঁর নিম্নাঙ্গের পরিধেয় নিয়ে নিম্নমানের মন্তব্য করেছেন।

    বুদ্ধিজীবীদের কোঁদল বলেই হিংসা-বিদ্বেষের মধ্যেও দৃশ্যতঃ কিছু জ্ঞানের কথা-বার্তাও এসেছে সেখানে। প্রধানতঃ সলিমুল্লাহ খানই ফরহাদ মজহারকে জ্ঞানদান করেছেন। আর জ্ঞানদান করতে গিয়ে তিনি রাষ্ট্র ও আইন সংক্রান্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিজের মতো করে সংজ্ঞায়িত করেছেন। 

    বুদ্ধিজীবীদের ঢেঁকি-কোঁদলে আমার দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া আর কিছুই করার নেই। কিন্তু তা সত্ত্বেও সলিমুল্লাহ খানের বুদ্ধিবৃত্তিক সংজ্ঞায়ণে আমার কিছু বলার আছে। আজকের লেখার প্রেরণা সেটিই।

    সলিমুল্লাহ খান সুভাবেই চিন্তার স্বাধীনতার অসীমতা ও চিন্তার প্রকাশের উপায়ের সসীমতা সম্পর্কে বলেছেন। আমিও মনে করি, ফরহাদ মজহার যে সংবাদ-মাধ্যমে বোমা আক্রমণকে অপর্যাপ্ত ধরে আরও বেশি হওয়া উচিত মনে করেছেন, তা সন্ত্রাসমূলক। কারণ, ভীতি সৃষ্টির মাধ্যমে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য অর্জনের প্রয়াস বা প্রয়াসে বিশ্বাসই সন্ত্রাসবাদ। সংবাদ-মাধ্যমের ওপর সন্ত্রাস, তা সরকারের পক্ষ থেকেই হোক কিংবা বিরোধী দলের পক্ষ থেকেই হোক, যে-কোনো পরিস্থিতিতে সভ্যতা বিবর্জিত এবং সভ্যসমাজে বর্বর বিবেচিত।

    যদিও আলোচনার প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে দেখা যায় যে ফরহাদ মজহার বৃহত্তর অর্থে কিছু বোঝাতে চেয়েছেন। তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে, সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় গণমাধ্যম-সমূহ যদি সমাজের বিরুদ্ধমত অবদমিত করে রাখে, তখন তার প্রতিক্রিয়া হিসেবে আক্রমণ হয়ে থাকে।

    কিন্তু ‘কী হয়ে থাকে’ এবং ‘কী হওয়া উচিত’ - এই দু’য়ের মধ্যে পার্থক্য নির্দেশ করতে পারেননি ফরহাদ মজহার। হতে পারে এটি তাঁর বোধিক কিংবা ভাষিক দারিদ্র। কিন্তু যেহেতু তিনি বুদ্ধিজীবী, তাই বিষয়টি তাঁর ভাষার বদলে বোধের ঘাড়েই বেশি আরোপিত হবে।

    আমি মনে করি, ‘রাষ্ট্রচিন্তক’ পরিচয়ে স্বাচ্ছন্দ্য-বোধকারী বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহারের এই বোধ স্বৈরতান্ত্রিক ও প্রতিক্রিয়াশীল।

    ফরহাদ মজহারকে জ্ঞানদানের চেষ্টায় সলিমুল্লাহ খান তাঁর লেখায় অন্ততঃ তিনটি বিষয়ের সংজ্ঞা দিয়েছেন। তাঁর প্রয়াস চমৎকার কিন্তু ফলাফল ভ্রান্তিপূর্ণ। ভ্রান্তি তাঁর দুই মাত্রার। প্রথম ভ্রান্তি হচ্ছে এ্যাটিচ্যুডিন্যাল বা মনোভঙ্গিগত এবং দ্বিতীয়টি কনসেপচ্যুয়াল বা ধারণাগত।

    প্রথমে আসা যাক মনোভঙ্গিগত ভ্রান্তিতে। ফরহাদ মহজারের প্রতি নেতি-মনোভঙ্গির কারণে এবং তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন করার প্রয়োজনে সলিমুল্লাহ খান প্রথমোক্তের ব্যবহৃত ‘রাজসাক্ষী’ শব্দটি ‘আউট অফ কনটেক্সট’ বা প্রেক্ষিতচ্যুত করে উপস্থাপন করেছেন। এ-রূপ উপস্থাপনার মাধ্যমে তিনি তাঁর প্রতিপক্ষকে নির্বোধ প্রমাণিত করার চেষ্টা করেছেন।

    অপরাধ মামলায় রাজসাক্ষী বা এ্যাপ্রুভার অবশ্যই অপরাধী ছাড়া আর কেউ হতে পারে না। অপরাধী যখন রাজানূকল্য গ্রহণ করে নিজের অপরাধ স্বীকার ও সহ-অপরাধীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্যদান করে, তখন তাকে রাজসাক্ষী বলা হয়। ইংল্যাণ্ডে এই কর্মটিকে বলা হয় ‘টার্ন কুইন্স এভিডেন্স’। 

    সলিমুল্লাহ খান বলছেন, যেহেতু তিনি ফরহাদ মজহারের রাষ্ট্রদ্রোহিতার সহ-অপরাধী নন, তাই তাঁকে রাজসাক্ষী হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি ‘বিদিশা’ বা নির্বোধের পরিচয় দিয়েছেন। 

    কিন্তু এমন হওয়াও সম্ভব যে, সলিমুল্লাহ খান ইচ্ছে করেই ফরহাদ মজহারের লেখায় ব্যবহৃত শব্দ ও বাক্যের ওপর খুব জোর দিয়েছেন কিন্তু ডিসকৌর্সকে সম্পূর্ণ অবজ্ঞা করেছেন।  

    আমি মনে করি, ফরহাদ মজহার যে অর্থে শব্দটি ব্যবহার করেছেন, তাতে তাঁকে ‘বিদিশা’ বলার মতো ভুল তিনি করেননি। বিষয়টি বোঝার জন্য তাঁর লেখার কয়েকটি বাক্যের পুনরুৎপাদন প্রয়োজন। তিনি লিখেছেনঃ
    "যেখানে যুগে যুগে বুদ্ধিজীবীরা রাষ্ট্রের নিপীড়নের বিরুদ্ধে নাগরিক ও মানবিক অধিকার রক্ষার জন্য লড়াই-সংগ্রাম করেছে, মতভিন্নতা থাকলেও পরস্পরকে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা করেছেন, সেখানে তিনি আমাকে বিদ্যমান ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রের হাতে নির্যাতনের জন্য তুলে দিতে চাইছেন। এ ধরনের মহৎ কাজ করেছেন বলে আমি তাকে ধন্যবাদ না দিয়ে পারছি না। প্রকাশ্যে তিনি টেলিভিশন টকশোর বরাতে রাজসাক্ষী হয়েছেন। আমি তার এই উন্নতিতে অভিভূত।”

    উপরের লেখা থেকে স্পষ্ট যে, ফরহাদ মজহার তাঁর কথিত ফ্যাসিষ্ট রাষ্ট্রকে এক পক্ষ এবং নাগরিক অধিকারের প্রতি দায়বদ্ধ সকল বুদ্ধিজীবীকে বিপরীত পক্ষ মনে করেছেন। সলিমুল্লাহ খানের সাথে মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও ফরহাদ মজহার তাঁকে বুদ্ধিজীবী পরিচয়ে স্বপক্ষীয় মনে করেছেন। আর, ‘ফ্যাসিষ্ট’ রাষ্ট্রের সাথে বুদ্ধিজীবীদের নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম চলছে ধরে নিয়ে তিনি যখন দেখেন যে, সলিমুল্লাহ খান রাষ্ট্রপ্রেমিক হয়ে রাষ্ট্রের দোহাই দিয়ে তাঁকে রাষ্ট্রদ্রোহী হিসেবে অভিযুক্ত করেন, তখন তাঁকে একসময়ে ‘মহাত্মা’ সম্বোধনকারী এই সাথীর এ-কর্মটিকে ‘টার্ন কুইন্স এভিডেন্স’ হিসেবে বিবেচনা করে তাঁকে ‘রাজসাক্ষী’ বলেছেন। 

    ফরহাদ মজহার দুঃখের সাথে কৌতুক মিশিয়ে লিখেছেন যে, সলিমুল্লাহ খানের কাজটি 'মহৎ' এবং তিনি 'ধন্যবাদার্হ'। সুতরাং ফরহাদ মজহারের কথাকে ঠিক আক্ষরিক অর্থে ধরা যায় না।

    সলিমুল্লাহখান কিন্তু ফরহাদ মজহারের এ-কথাটাকে সচেতনভাবে আক্ষরিক অর্থে গ্রহণ করে অভিধানের সংজ্ঞা দিয়ে তাঁকে ‘বিদিশা’ বলে নির্বোধ সাবিত করার চেষ্টা করেছেন। এটি সলিমুল্লাহ খানের মতো বুদ্ধিজীবীর জন্য মোটেও কৃতিত্বের বিষয় নয়।

    জ্ঞান-কোঁদল
    বাংলাদেশের এক বুদ্ধিজীবীর অন্য বুদ্ধিজীবীকে মুর্খ প্রতিপন্ন করার এ-চেষ্টাকে আমার কাছে সুস্থ সংস্কৃতির মনে হয়নি। একজন বুদ্ধিজীবী অন্য একজন বুদ্ধিজীবীর ভুল শুধু ধরতেই পারেন না, ধরানো উচিতও বটে।

    কিন্তু ‘আমি কতো জ্ঞানী, আর তুমি কতো মূর্খ’ ভাবটি নিশ্চয় বুদ্ধিজীবীদেরকে মানায় না। ফলবতী বৃক্ষ যেমন মাটির দিকে ঝুঁকে থাকে, জ্ঞানবান ব্যক্তিরও তেমনি বিনয়ী হওয়া বাঞ্ছনীয়। কারণ, জ্ঞানের জগত যে কতো অসীম এবং এখানে দাম্ভিকতার যে কোনো সুযোগই নেই, তা জ্ঞানের সন্ধানে ব্যাপৃত ব্যক্তিকে বোঝাতে হয় না।

    বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে অসুস্থ ক্ষমতার কোঁদল বিরাজ করছে, বুদ্ধিবৃত্তিতে তা-ই সংক্রমিত হয়ে জ্ঞানের কোঁদল হিসেবে আবির্ভুত হয়েছে। আমি মনে করি, এভাবে চললে শুধু স্বল্পজ্ঞানী বুদ্ধিজীবী নন, মহাজ্ঞানী বুদ্ধিজীবীরাও অরক্ষিত হয়ে পড়বেন।

    উদাহরণ স্বরূপ, সলিমুল্লাহ খান যেভাবে অভিধানের অর্থে ফরহাদ মজহারের ব্যবহৃত শব্দকে তার প্রেক্ষিতচ্যুত করে শুধু শব্দ হিসেবেই বুঝতে ও বোঝাতে চাইলেন, ঠিক একইভাবে যদি তাঁর দেওয়া খোদ সংজ্ঞাসমূকে বিশ্লেষণ করা হয়, তাহলে তাঁকেও তাঁরই ব্যবহৃত অভিধায় ‘বিদিশা’ সাবিত করা যায়। কীভাবে? দেখাবো পরবর্তী পর্বে।

    রোববার, ১০ নভেম্বর ২০১৩
    নিউবারী পার্ক
    এসেক্স, ইংল্যাণ্ড
    masudrana1@gmail.com

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন