• সুনামির অলৌকিক শিশু তুলসিঃ পেনাং মায়ামি বীচের সেই মেয়েটি
    মাসুদ রানা

    তুলসির দেখা
    মেয়েটি আপন মনে খেলতে-খেলতে, থেকে-থেকে, উদাস হয়ে সমূদ্রের দিকে তাকিয়ে দেখে। দীর্ঘক্ষণ! যেনো কারও অপেক্ষা করছে সে। কিংবা কোনো দূর অতীত রোমন্থন করছে। উঁচু পাথরটায় চড়ে সে সমূদ্র দেখে। তারপর আবার নীচে নেমে খেলতে বসে। আবার পাথরটার উপর বসে। উদাস চোখে সমুদ্র দেখে। বয়স বড়ো জোর পাঁচ-ছয়।

    লক্ষ্য করলাম, মেয়েটির খেলার সরঞ্জাম হচ্ছে ধুলো-বালির ভাত, ফুল-পাতার তরকারি এবং প্লাষ্টিকের ক্ষুদে থালা-বাসন। বুঝতে অসুবিধে হয়নি সে তার নিজস্ব ক্যাফে বানিয়ে অদৃশ্য খদ্দেরদের সার্ভ করছে।

    পেনাংয়ের মায়ামি বীচ বাতু ফিরিঙ্গির (ফিরিঙ্গি পাহাড়) যে-ঢালু থেকে শুরু হয়েছে, সেখানে রাস্তার খানিকটা নীচে, কিন্তু বীচ থেকে অনেক উপরে, কয়েকটি দৈত্যাকৃতির পাথরের সুরক্ষায় স্থাপিত হয়েছে একটি ক্যাফে। নাম ‘মায়ামি ক্যাফে’।

    ‘মায়ামি ক্যাফে’র ঠিক বিপরীতে রাস্তা পার হলেই পাঁচতারা হৌটেল হাইড্রৌ। মূলতঃ হাইড্রৌর অতিথিরা সমুদ্রের সান্নিধ্যে বীয়ার পিতে ও ভারতীয় খাবার খেতে এখানে আসেন এখানে। আরও আসেন পাহাড়ের উঁচুতে নির্মিত মায়ামী গ্রীন টাওয়ার্স চতুষ্টয়ের বাসিন্দাগণ।

    যে তরুণীটি ‘মায়ামি ক্যাফে’ পরিচালনা করছে - অন্ততঃ এই মুহূর্তে - সেই আমাকে সার্ভ করছিলো। ক্যাফের সাথেই লাগোয়া ওদের বাসা। ভাবলাম, ছোটো মেয়েটি ওর বোন হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবু ধারণা নিশ্চিত করতে জিজ্ঞেস করলাম,  "ওটি কে, ওখানে ঐ ছোটো মেয়েটি?"

    "আপনি ওকে চেনেন না? ও তো তুলসি, স্যার!" ঝকঝকে দাঁত ও উজ্জ্বল চোখের তারার জ্যোতি ছড়িয়ে আমায় বললো কালো মিষ্টি তামিল তরুণী।

    আমি খানিকটা বিব্রত হয়ে ভাবলামঃ তুলসি? কে সে, যাকে আমার চেনা উচিত ছিলো। পাঁচ-ছয় বছরের মেয়ে, তার নাম তুলসি। হতেই পারে। কিন্তু তাকে আমার চিনতেই হবে কেনো?

    "আরেকটি পানীয় স্যার? আপনি কি ওর ছবি দেখতে চান? এখানে আমার কাছে সব আছে। অনেক লোক এগুলো দেখতে চায়। আপনি চান?" তরুণীটির ইংলিশ ওর দাঁতের মতোই ঝকঝকে। শুধু পেনাংয়ে নয়, সমগ্র মালেসিয়াতে তামিল ছেলে-মেয়েরা ইংলিশে ভালো।

    বেখাপ্পা ব্যক্তিত্ব
    ক্যাফের পরিচারিকাটি স্বয়ং ছাত্রী। তরুণীটি জানালো, সে স্থানীয় একটি ইংলিশ মিডিয়াম কলেজে পড়ে। ইতিমধ্যে সে জানে যে, আমি আপল্যাণ্ডন্স ইণ্টারন্যাশন্যাল স্কুলের শিক্ষক এবং মায়ামি গ্রীনে থাকি।

    পেনাংয়ের মায়ামি বীচ এ-অঞ্চলের বিখ্যাত টুরিষ্ট আকর্ষণ। সে-কারণেই এখানে নির্মিত হয়েছে হাইড্রো হৌটেল ও মায়ামী গ্রীন টাওয়ার্স। প্রতি উইকএণ্ডে এখানে হাজার হাজার মানুষ আসে সূর্যস্নান ও সমূদ্রস্নান করতে।

    মায়ামি গ্রীনের একটি টাওয়ারে আমার বাসা। চৌত্রিশতম তলায় তিন বেড, দুই বাথ ও এক সীটিং রুমের কণ্ডোমিনিয়ামে আমি থাকি একা। প্রয়োজনের তুলনায় অনেক অনেক বেশি স্পেইস। অবসরে সীটিং রুম থেকে গান শুনতে শুনতে সমূদ্রের সগর্জন তরঙ্গমালা দেখি। দারুন লাগে!

    বিদেশী শিক্ষক হিসেবে হাউজিং এ্যালাউন্স পাই বলে মায়ামি বীচে থাকতে পারছি। আমি ছাড়াও আরও দুয়েকজন ইউরোপীয়ান ও এ্যামেরিক্যান শিক্ষক থাকেন মায়মি বীচে, যা স্থানীয় শিক্ষদের জন্য অকল্পনীয়।

    এর আগেও মায়ামি ক্যাফেতে এসেছি, কিন্তু মেয়েটিকে দেখিনি। আজ শনিবার অথচ কোথায়ও যাইনি। আমার কলিগ বিজনেস ষ্টাডিজের ব্রায়ানকে গ্রাস করে নিয়েছে ম্যাথমেটিক্সের এই মুহূর্তে বিস্মৃত নামের চাইনিজ ফিমেইল টীচার। তা না হলে ব্রায়ানের জীপে করে শনিবারে লং ড্রাইভে যেতাম। আমি জানি, কাল আসবে ব্রায়ান এবং বলবে, "লেটস গৌ টু জর্জটাউন ফর ডিনার।" হয়তো যাবো। কিন্তু আজ কোথায় যাচ্ছি না।

    ফিজিক্সের হেড অরুণ মুখার্জি আমাকে 'দাদা' বলে জান দেয়, কিন্তু আজ সে ব্যস্ত এক্সাম পেইপার্স মার্কিংয়ে। এতে কিছু বাড়তি টাকা মেলে। শান্তি নিকতনে বাড়ি করছে বলে ওর অর্থের প্রয়োজন বেশি। ওঁর ছোট্ট ছেলে বাবি দারুন বেহালা বাজায়। বাংলা, ইংলিশ, ফেঞ্চ ও আরবি জানে। কিন্তু বাংলাদেশের নাটক পছন্দ করে বাবি। সে আমার সাথে বাংলা নাটক দেখতে চায়। অরুণের স্ত্রী রূপা আমাকে দিব্যি দেয়ে ওদের বাড়িতে যেয়ে খেতে। আমি যাই না।

    আমি নিতান্তই অড - বেখাপ্পা - কারণ টীচার হয়েছি নিতান্ত অনিচ্ছায়। কী যে হতে পারতাম, তাও জানি না। হয়তো রাজনীতিই ছিলো আমার জন্য ঠিক পেশা। বাড়ির জন্য মন পুড়ছিলো। কীভাবে যে লণ্ডনই আমার বাড়ি হয়ে উঠলো! পেনাংয়ে না এলে বুঝতাম না, লণ্ডন আমার কী।

    গত রাতে ভীষণ মন খারাপ ছিলো। বিশালাকৃতির চাইনীজ মালেসিয়ান জেইসন নিজের কাজ সেরে আমাকে নিয়ে গতরাতে বেরুতে চেয়ে ফৌন করেছিলো। যাইনি। ওর সঙ্গ আমি উপভোগ করি। মনে হয় রামভক্ত হনুমান! সে ভিক্ষুক থেকে শুরু করে ব্যাঙ্কের ম্যানেজার পর্যন্ত সবাইকে চেনে।

    পেনাং স্পৌর্টস ক্লাবের অভিজাতদের সাথে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাত অব্দি খেলায়, আড্ডায় ও ডিনারে ডাকেন ব্যাপক পরিচিত রিটায়ার্ড বিজনেসম্যান রাজ পিল্লাই। ওখানে আমার প্যে করার সুযোগ নেই বলে প্রতি সপ্তাহে যেতে ভালো লাগে না। কিন্তু ওঁরা বলেন, “বন্ধু, এখানে এই পেনাংয়ে তুমি আমাদের অতিথি। তুমি কথা বলো, তোমার কথা বলা আমাদের ভালো লাগে।”

    শিল্পপতি প্যারেণ্ট ফয়জালের সাথে আর কোথাও যাবো না ঠিক করেছি। সেদিন আমাকে লিফট দিতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত ফুসলিয়ে নাইট ক্লাবে নিয়ে বেশ বিব্রত করেছেন তিনি। একান্ত আত্মবিশ্বাসের জোরে টিকে ছিলাম। তাই কাল রাত থেকে ওঁর টেলিফৌনের জবাব দিচ্ছি না।

    ব্যারিষ্টার মুহাম্মদ দর্শন সিংয়ে নিমন্ত্রণ সবিনয়ে ফিরিয়ে দিয়ে খেতে এসেছি আজ মায়ামি ক্যাফেতে। তাঁর নিমন্ত্রণে আবার হয়তো দেখা হতে যেতে পারে পাকিস্তানের প্রাক্তন অস্থায়ী বাঙালী প্রেসিডেণ্ট মুহাম্মদ আলির ছেলের সাথে, যা আমার কাছে খুব উপভোগ্য নয়। তাছাড়াও, দর্শন সিংয়ের বিপ্লবী ও মার্ক্সবাদী কবিতা শোনার মন নেই আমার।

    একটি কবিতা
    সেই শনিবারের তারিখটা মনে আছে - ১৫ই মে। কারণ, তার পূর্বরাতে শুক্রবারে আমি একটি কবিতা লিখেছিলাম, যার নীচে লেখা আছে ‘শুক্রবার ১৪ মে ২০১০’। পরদিন দুপুরেও আমার মন আচ্ছন্ন হয়ে আছে গত রাতের লেখা আমার কবিতায়ঃ

    The empty sky surrounds me
    as I ascend the hill
    before the sea.
     
    Still too high the northern star
    the blue of the sea
    waves too far.
     
    My path ends and I am lost
    though I travelled far
    at a huge cost.
     
    Where is the way, how to be back?
    whatever be the cost
    here is a cheque.
     
    Return my days, morns and nights
    against the blank cheque
    as my rights.

    আগ্রাসী সমুদ্র
    মায়ামি ক্যাফের তরুণীটির দিকে চেয়ে,আমার চোখে-মুখে যথা সম্ভব আগ্রহের ভাব ফুটিয়ে তুলে জিজ্ঞেস করলাম, "তুলসি? আমি কি ওকে চিনতাম? ওকে আমার চেনাত কথা কি? ও নিশ্চয় তোমার বোন হব, নয় কি?"

    "হ্যাঁ, সে আমার বোন। কিন্তু সে হচ্ছে অলৌকিক সুনামি শিশু। সমূদ্র ওকে ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিলো এবং আবার ওকে ফিরিয়ে দিয়েছিলো আমার মায়ের কোলে।" কথাগুলো বলেই মেয়েটি আমার কাছে অনেকগুলো পেইপারকাটিংয়ের একটি এ্যালবাম নিয়ে এলো।

    এবার মনে পড়লো। এই তো, গার্ডিয়ানের পেপারকাটিংটা মনে করিয়ে দিলো ২০০৪ সালে সেই ভয়ঙ্কর সুনামির কথা। ইন্দোনেশিয়া, মালেশিয়া ও ভারতে বেশ লোকক্ষয় ও সম্পত্তি ক্ষয় করেছিলো। তখন এমনই একটি অলৌকিক ঘটনার কথা পড়েছিলাম বটে।

    আমি লক্ষ্য করেছি, প্রতিটি দূর্যোগে যখন অনেক মানুষের মৃত্যু হয়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে এমন একটি দু’টি অলৌকিক ঘটনা ঘটে। কিন্তু এগুলোকে কি অলৌকিক বলা যায়? এগুলো কি বস্তুতঃ বৃহত্তর দুর্ঘটনার অন্তর্গত ক্ষুদ্রতর দুর্ঘটনা নয়?

    সে যাক। তুলসির বোন আমাকে দেখাতে লাগলো সেই আশ্চর্য ছবিগুলো। আর বলতে লাগলো সেই কাহিনী। সেদিন ছিলো ক্রিসমাসের পরের দিন। বক্সিং ড্যে। ২০০৪ সাল। কিয়ামতের মতো হঠাৎ দিন দুপুরে এলো সুনামি। অকল্পনীয় দানবীয় ঢেউ। এতো উঁতে থাকার পরও মায়ামি ক্যাফেকে গ্রাস করলো সুনামির ঢেউ।

    'মায়ামি ক্যাফে'র মালিক দম্পতির দু’টি কন্যা সন্তান। প্রথমটি কিশোরী এবং দ্বিতীয়টি সদ্যজাত। যখন সুনামি এলো, তখন ঘুমোচ্ছিলো কয়েকদিনের শিশু তুলসি তার বেইবি-ম্যাট্রেসে। তুলসির বাবা-মা ও বড়ো মেয়েটি গাছ জড়িয়ে ধরে ঢেউয়ের টান থেকে নিজেদের রক্ষা করলেও তুলসিকে রক্ষা করতে করা যায়নি। সর্বগ্রাসী সমুদ্রের ঢেউ তুলসিকে ম্যাট্রেস-সহ ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

    ঢেউ চলে যেতেই তুলসির মা-বাবা লক্ষ্য করলেন, ক্যাফে ও বাসার সমস্ত সম্পদের সাথে তাদের নবজাতিকাকেও ভাসিয়ে নিয়ে গেছেন সমুদ্র দেবী। তুলসির মা ঘটনার আকস্মিকতায় উন্মাদ-প্রায় হয়ে গেলেনঃ "একি হলো, ভগবান!"

    হঠাৎ সুনামি মুহূর্তের মধ্যে গুড়িয়ে দিয়ে গিলো ওদের সোনার সংসার। "হে সমুদ্র দেবী, এর চেয়ে তুমি আমাকে নিয়ে গেলে না কেনো?" বললেন তুলসির মা। তুলসির বাবারও একই কথা। তুলসির বোনও কাঁদছে কোনো প্রার্থনা ছাড়াই।

    দয়ার সাগর
    সহসা দেখা দিলো দ্বিতীয় তরঙ্গ। সুনামি ফিরে আসছে। ভয় পেলো তুলসির বোন। কিন্তু তুলসির মা যেনো আর ভীতা নন। বাবাও যেনো কাণ্ডজ্ঞানহীন। তবুও অনেকটা রিফ্লেক্স এ্যাকশনের মতো পুনরায় আলিঙ্গন করলেন বৃক্ষ। সুনামি তরঙ্গ এলো আবার এই তামিল পরিবারের ঘরে।

    "হায় ভগবান এমনও কি হয়?" দ্বিতীয় তরঙ্গ ফিরিয়ে নিয়ে এলো তুলসিকে। সেই একই ম্যাট্রেসে রয়েছে তুলসি। আশ্চর্য! তুলসি এখনও ঘুমন্ত! না কি মরে গেছে? মুহূর্তে ছিনিয়ে নিলেন জননি তুলসিকে। তুলে নিলেন বুকে।

    "হায় ঈশ্বর! হায় সমূদ্র দেবী! অশেষ কৃপা তোমার!" তুলসি জীবিত। স্তন দিতেই তুলসি পান করতে শুরু করলো। সংসার সরঞ্জাম ব্যবসায়ের আসবাব অর্থ সবকিছু হারিয়ে ফের তুলসিকে ফিরে পেয়ে আনন্দে কাঁদতে লাগলো তুলসির মা-বাবা ও বোন।
    খবরটি সেদিনই ছড়িয়ে পড়লো সারা বিশ্বে। তুলসি হয়ে উঠলো সুনামি 'মিরাকল বেইবী', যাকে দেখতে আসে দেশ বিদেশের মানুষ। আশ্চর্য, এতো কাছে থেকেও আমি সচেতন ছিলাম না। ঘটনাটা আমি পড়েছিলাম বটে। কিন্তু তখন পেনাং আমার কাছে একটি অসম্পর্কিত স্থানে নাম। মনে রাখাটা জরুরি ছিলো না।

    ২০০৯ সালে যখন আমি এশিয়া প্যাসিফক ভ্রমণের অংশ হিসেবে পেনাং বেড়াতে আসি, তখন আমাদের গাইড ডেইভিড মিং সুনামি ও এর ধ্বংসলীলার কথা বলেছিলেন। কিন্তু এই পেনাংয়েই আমি একদিন শিক্ষক হিসেবে পড়াতে আসবো তখন কি তা ভেবেছিলাম?

    পেনাং নানা-কারণে আমার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতি হয়ে থাকবে। পেনাং নিয়ে আমার অনেক কিছু লেখার আছে। লিখবো লিখবো করে লেখা হয়নি। কিন্তু আজ ২০১৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর সেই সুনামীর ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভাবলাম, তুলসির সাথে আমার সাক্ষাতের বিষয়টি লিখে রাখা যাক।

    আজ ইণ্টারনেটে তুলসির সাক্ষাতকার দেখলাম। তুলসি এখন ১০ বছরের কিশোরী। তুলসি বলেছে, সে বিজ্ঞানী হতে চায়। কারণ, অনুসন্ধান তার ভালো লাগে। এমনও হতে পারে যে, তুলসি একদিন হয়ে উঠবে সমুদ্রবিজ্ঞানী।

    তুলসির মা-বাবা প্রতি বছরের মতো আজকের দিনে দুপুর একটায় পূজো দিয়েছনে সমুদ্রদেবীর উদ্দেশ্য। সমুদ্রদেবী অনেক ক্ষতি করলেও তুলসি ও ওর পরিবারকে করেছে বিখ্যাত। তুসলি ও তার পরিবার তাই সমুদ্রের কাছে কৃতজ্ঞ।

    শুক্রবার ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪
    লণ্ডন, ইংল্যাণ্ড
    masudrana1@gmail.com

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন