• হীরক রানীর দেশে মনে পড়ে হীরক রাজার দেশ
    মাসুদ রানা

    রানী এলিজাবেথ ২য়ার রানীত্বের ৬০ তম বার্ষিককে ‘ডায়মণ্ড জুবিলী’ বা ‘হীরক জয়ন্তী’ বলা হচ্ছে। এই সূত্রে রানীকে বলা হচ্ছে ‘ডায়মণ্ড কুঈন’ - অর্থাৎ, ‘হীরক রানী’। আর আমার মনে পড়ে অনেক বছর আগে দেখা সত্যজিৎ রায়ের ছবি ‘হীরক রাজার দেশে’।

    ‘হীরক রাজার দেশে’ যখন ১৯৮০ সালের ডিসেম্বরে মুক্তি পায় কোলকাতায়, আমরা তখন পুরনো ঢাকায় বেআইনী ভিসিআরে প্রায় সাথে-সাথেই দেখে ফেলি। পরবর্তীতে সম্ভবতঃ ঢাকার একটি চলচ্চিত্র উৎসবেও প্রদর্শিত হয়েছিলো ছবিটি।

    ছবিটি ছিলো বাংলাদেশে সে-সময়কার স্বৈরতন্ত্র-বিরোধী আন্দোলনের জন্য প্রেরণা-দায়ক। বাংলাদেশ তখন শেখ মুজিবুর রহমানের একদলীয় বাকশালী স্বৈরশাসন বিস্মৃত হয়ে জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় ব্যবস্থার আড়ালে নতুন প্রকারের স্বৈরশাসনে পড়ে কাতরাচ্ছিলো।

    ছবিটিতে মুক্তবুদ্ধির শিক্ষক - অভিনয়ে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় - ছাড়া সবাই ছন্দে-ছন্দে কথা বলেন। অর্থাৎ, গদবাঁধা বুলি। যেমনঃ ‘জানার কোনো শেষ নাই, জানার চেষ্টা বৃথা তাই’; ‘লেখা পড়া করে যে, অনাহারে মরে সে’; ‘পেট ভরে নাও খাই, রাজকর দেয়া চাই’; ‘অনাহারে নাহি খেদ, বেশি খেলে বাড়ে মেদ’; ‘যায় যদি যাক প্রাণ, হীরক রাজা ভগবান’; দড়ি ধরে মারো টান, রাজা হবে খান-খান; ইত্যাদি।

    এ-সকল ছন্দোবদ্ধ সংলাপের একটি ধার করে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিলে ব্যবহার করতে শুরু করেছিলাম, যা সম্ভবতঃ একটা নতুন জোশ তৈরী করেছিলো জিয়াউর রহমানের স্বৈরশাসন-বিরোধী আমাদের ছাত্র-আন্দোলনে। যেখান মূল সংলাপটি ছিলো ‘দড়ি ধরে মারো টান, রাজা হবে খান-খান’, আমরা তার একটু পরিবর্তন করে বলতে লাগলাম ‘গদি ধরে মারো টান, জিয়া হবে খান-খান।’

    গদি ধরে টান দেবার ক্ষমতা আমাদের - ছাত্রদের - ছিলো না ঠিক, কিন্তু যাঁদের ছিলো, তাঁরা কিছু দিনের মধ্যেই তা করলেন। প্রায় ছয় মাসেরও কম সময়ের মধ্যে জিয়ার গদি ধরে টান দিলেন উর্দি-পরা তাঁরই জাত-ভাইরা, আর খান-খান হয়ে গেলেন জিয়াউর রহমান। তবে শীঘ্রই ‘শহীদ’ শিরোপা ধারণ করে ঢাকায় ‘মাজারে’ স্থিত হলেন তিনি। অবশ্য, তখনও শেখ মুজিবুর রহমান টুঙ্গিপাড়ার ‘কবরে’ রয়েছেন ‘মরহুম’ হয়ে।

    ইত্যবসরে মঞ্চে এলেন নতুন একনায়ক জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। আমরা শুরু করলাম শিক্ষার আন্দোলন। এরই পথ ধরে ১৯৮৩ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারীর পর থেকে শুরু তীব্র গণতান্ত্রিক আন্দোলন।

    জেনারেল এরাশাদ কবিও ছিলেন। তিনি কাব্য করে লিখলেন, ‘ দুঃখে আমার মন ভরপুর’। আর ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভায় ছাত্রনেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন বললেন, ‘বেকুফ, দুঃখে ‘মানুষের মন ভরপুর হয় না, ভারাক্রান্ত হয়।’ রসিক ছিলেন এই নেতাটি, যিনি সাধারণের কাছে পরিচিত ছিলেন ‘ কালা মামুন’ নামে। এরশাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহব্বতজান চৌধুরীর নাম বাংলায় ‘পীরিতপরান চৌধুরী’তে অনুবাদ ও ঘোষণা করে মামুন সেনা-গোয়েন্দাদের হাতে প্রচুর মার খেয়েছিলেন।

    নানা অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ এবং অনেক সাথী-হারানো আমাদেরই শুরু-করা এই আন্দোলন শেষ পর্যন্ত ১৯৯০ সালে গণ-অভ্যূত্থানে রূপ নিলে জেনারেল এরশাদেরও পতন হয়। তবে তাঁর ভাগ্য ভালো যে,  তিনি প্রাণ না হারিয়ে বাংলাদেশের ক্ষমতার একনায়কত্ব থেকে নামতে পেরেছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য বাংলাদেশের যে, স্বৈরশাসনের হাত থেকে এখনও মুক্ত হয়নি।

    স্বৈরশাসক হুসেইন এরশাদের পতনের পর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের দ্বিদলীয় পালাক্রমিক স্বৈরতন্ত্র, যার হাত থেকে জনগণ নিস্তার পাচ্ছেন না। এর মূলে রয়েছে এক ভ্রান্ত রাজনৈতিক পদ্ধতি ও আদর্শ, যাকে বলা যায় ‘পালাক্রমিক রহমানবাদ’। এরই আদর্শিক পরিমণ্ডলে প্রয়াত শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমানের পরিবার দুটো পালা করে শাসন করছে বাংলাদেশ। সুতরাং স্বদেশে বাঙালী এখনও ‘হীরক রাজার দেশে’।

    সেই দেশেরই বেখাপ্পা-বেমানান আমি দুই দশক আগে উপযোগিতা হারিয়ে নিজের কিছু মূল্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যে লেখা-পড়ার জন্য এসে পড়েছিলাম এই যুক্তরাজ্যে। ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করা জাতির গর্ভে জন্ম নেবার কারণে স্বভাবতঃ রাজা-রানীর প্রতি একটি মানসিক প্রতিরোধ ছিলো এবং এখন আছে। কিন্তু আশ্চর্য্যান্বিত হয়ে লক্ষ্য করছি, আমার জন্মভূমি বাংলাদেশের মতো যুক্তরাজ্য একটি ‘রিপাবলিক’ না হওয়া সত্ত্বেও এখনাকার মানুষ এ-পর্যন্ত স্বাধীনতা ভোগ করে যে, তাঁরা রানীর হীরক জয়ন্তীর উৎসবে উল্লসিত জনতার পাশে রাজতন্ত্রেরই বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে পারছে!

    ইংল্যাণ্ড তথা যুক্তরাজ্য একটি রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র। তত্ত্বগতভাবে এখানে রাষ্ট্রের অধিপতি হচ্ছেন রাজা বা রানী। যিনি জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত নন, বরং বংশ-পরম্পরায় আরোপিত। জনগণের কিছুই করার নেই ‘জিন্দাবাদ’ দেয়া ছাড়া। কারণ, জনগণ তাঁর প্রজা। এখানে তত্ত্বগত ভাবে কোনো স্বাধীন নাগরিক নেই, সবাই রানীর অধীনস্থ প্রজা মাত্র। কারণ এটি ফ্রান্সের মতো একটি রিপাবলিক নয়।

    ইংল্যাণ্ডের গৃহযুদ্ধ-কালে অলিভার ক্রৌমওয়েল ১৬৪৯ সালের ৩০ জানুয়ারীতে যুক্তরাজ্যের রাজা চার্লস ১মকে ফাঁসি দিয়ে কমন ওয়েলথ অফ ইংল্যাণ্ড নামে রিপাবলিক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পর রাজা চার্লস ২য়কে ফিরিয়ে আনা হয় ১৬৬০ সালে এবং পরবর্তী বছর অর্থাৎ ১৬৬১ সালের ৩০ জানুয়ারীতে ওয়েস্ট মিনস্টার অ্যাবী থেকে ক্রৌমওয়েলের কঙ্কাল তুলে এনে প্রতীকার্থে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাজতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করা হয়।

    গত সাড়ে তিনশো বছর ধরে কিছু-কিছু পরিবর্তন হজম করে এখন পর্যন্ত রাজতন্ত্র টিকে আছে যুক্তরাজ্যে। তারই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার থেকে আগামী কাল মঙ্গলবার পর্যন্ত উদযাপিত হচ্ছে এলিজাবেথে ২য়ার সিংহাসনারোহণের ডায়মণ্ড জুবিলী বা হীরক জয়ন্তী। ১৯৫২ সালে তাঁর পিতা জর্জ ৬ষ্ঠর মৃত্যুর দু-দিন পর তিনি রানী ঘোষিত হন এবং তাঁর ১৬ মাস পর ১৯৫৩ সালের ২রা জুন তারিখে তিনি আনুষ্ঠানিক ভাবে অভিষিক্ত হন রাজমুকুট পরে।

    এহেন রাজ্যের অর্থনীতি ও রাজনীতি সংক্রান্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান লণ্ডন স্কুল অফ ইকোনোমিক্স এ্যাণ্ড পলিটিক্যাল সাইয়িন্সে স্নাতকোত্তর পাঠ নিতে এসে আমি সহপাঠীদের সাথে পারস্পরিক ‘কোন্ দেশ থেকে আসা?’ প্রশ্নের উত্তরে আত্ম-শ্লাঘার সাথে বলতাম, ‘বাংলাদেশ থেকে, যে-দেশ ১৯৭১  যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছে এবং যেখানে আমরা স্বাধীন নাগরিক, প্রজা নই।’

    কিন্তু সহসাই প্রশ্ন জাগলো মনেঃ ‘আমাদের পূর্ব-পুরুষেরা বাংলাদেশকে ইংরেজিতে রিপাবলিক বলছেন ঠিকই, কিন্তু বাংলায় প্রজাতন্ত্র বললেন কেনো? রাজা ছাড়া প্রজা হয় কীভাবে?’ ভাবিঃ ‘এটি কি তাঁদের বিদ্যার ঘাটতি, না-কি সংস্কৃতির ঘাটতি?’ আমার মনে হয় দু-ধরনের ঘাটতিই অবদান রেখেছে ‘রিপাবলিক’ কী তা বুঝতে ও বুঝাতে গিয়ে। আর তারই ভার বইছি আমরা - বাংলাদেশের ‘নাগরিক’ নামের ‘প্রজারা’। ‘প্রজা’ নাম নিয়ে প্রজা হয়ে থাকলে অন্ততঃ ‘ভ্যালিডিটি’র ঘাটিতি হয় না। কিন্তু ‘নাগরিক’ নাম নিয়ে প্রজা হয়ে থাকাটা সত্যি বিড়ম্বনার।

    রোববারে যখন টেমস নদীতে দশ সহস্র পুষ্প সজ্জিত বজরা সহ হাজার তরীর বহরে বিহার করেন রানী এলিজাবেথ ২য়া, তখন দু-তীরের সারিবদ্ধ আন্দাজিত দশ লক্ষাধিক প্রজার করতালির আর উল্লাস প্রকাশের পাশাপাশি ছিলো রাজতন্ত্রের পতন দাবী-করা ও রিপাবলিক-চাওয়া নাগরিকদের উপস্থিতি। বিবিসি-সহ ব্রিটেইনের প্রায় সব ক’টি সংবাদ মাধ্যম দেখিয়েছে রাজতন্ত্র বিরোধীদের ছবি এবং প্রচার করেছে তাঁদের বক্তব্যঃ ‘আমরা অনির্বাচিত ব্যক্তির অধীনে শাসিত হতে চাই না। আমরা জবাবদিহিতাহীন শাসক চাই না।’

    ‘হীরক রানীর দেশে’ এসে যে-কোনো বাংলাদেশী অবাক হয়ে হয়তো ভাববেনঃ ‘এটি কি করে সম্ভব? যে-দেশে শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু বলে উল্লেখ না করলে কোথাও মার কিংবা কোথায় চড় খেতে হয়, সে-দেশটি হচ্ছে ‘রিপাবলিক’, আর যে-দেশে রানীর হীরক জয়ন্তীতে রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে পৌস্টার হাতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা যায়, সেটি হচ্ছে রাজতন্ত্র?’

    ভাবা যায় কি এমন দৃশ্যঃ রাষ্ট্রীয়ভাবে শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো একটি তিথি পালন হচ্ছে, আর তার পাশাপাশি কিছু লোক পৌস্টার-হাতে ‘শেখ মুজিবকে জাতির পিতা মানি না’ বক্তব্য প্রদর্শন করছে? অসম্ভব!

    সাথে-সাথে ‘মুক্ত চিন্তা’ ও ‘গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সম্পন্ন’ কিছু  ‘স্বাধীন নাগরিক’ এসে ‘ধর্-ধর্‌ , মার্‌-মার্‌’ বলে লোকগুলোর বক্তব্য প্রকাশের অধিকার তো দূরের কথা, শ্বাস ফেলার অধিকারটুকুও ছিনিয়ে নিতে উদ্যত হবেন। তারপর, তাঁদেরকে সহ্য করতে হবে পুলিসের হাতে থানায় হাঁড়-ভাঙ্গা ‘হেফাজত’, গোয়েন্দাদের হাতে রিমাণ্ডে চামড়া-তোলা ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ এবং সবেশেষ পেতে হবে আদলতের যুগপোযোগী ‘ন্যায় বিচার’।

    যখন বিএনপি ক্ষমতায় আসবে, তখন জিয়াউর রহমানকে ‘জাতির পিতা’ না হলেও ‘জাতির ত্রাতা’ হিসেবে মহিমান্বিত করা হয় এবং হবে, তখন সেই মহিমান্বিত অবস্থানকে অস্বীকার-করা পৌস্টার নিয়ে কাউকে রাস্তায় দাঁড়াতে দেবে কি বিএনপি? নিশ্চয় না। তাঁরাও ঐ একই পুলিস, একই গোয়েন্দা ও একই আদালত ব্যবহার করে একই ‘হেফাজত’, জিজ্ঞাসাবাদ’ ও ‘ন্যায় বিচার’-এর ব্যবস্থা করবে।

    ধর্মবাদী জামাতে ইসলামী কি সহ্য করবে ‘সংবিধান থেকে বিসমিল্লাহ বাতিল করো’ লেখা পৌস্টার? সাথে-সাথেই কি হিন্দুর দালাল, ভারতের দালাল, ইত্যাদি আখ্যা দিয়ে নির্মূল করতে আসবে না জামাত? আর তাঁদের মৌলিক বিশ্বাসের সমালোচনা বা প্রশ্ন করা মাত্রই কি ‘কাফের’ চিহ্নিত করে ‘জবেহ্’ করতে আসবে না? তাঁরা যে কী করতে পারে, তার প্রমাণ তাঁরা দূর ও নিকট অতীতেও রেখেছেন।

    এমনকি যাঁরা নিজস্ব প্রতীকে নির্বাচনে জেতার মতো ক্ষমতা রাখেন না, তাঁরাও কি দেবেন তাঁদের বিরুদ্ধে কথা বলার অধিকার? ক্ষমতাসীন জোটের অতি ছোটো শরীরক নৌকা-মার্কা জাসদের নেতা হাসানুল হক ইনুও ক’দিন আগে বললেন, তাঁর এমনই ক্ষমতা যে, তিনি খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে মাইনাস করে দেবেন। তিনি পারবেন কি-না, সেটি বড়ো কথা নয়। কিন্তু তাঁর যে-স্বৈরাচারী মনোভঙ্গি সেটিই উদ্বেগের বিষয়।

    আমরা যেখানে যতো সমষ্টি দেখি, সেখানেই পাই একজন হীরক রাজা। গোটা বাঙালী জাতি হীরক রাজা-শাসিত। এমন কি হীরক রানীর দেশ এই যুক্তরাজ্যেও যেখানেই বাঙালী ক্ষমতা পায়, সেখানেই সে হীরক রাজা সেজে বসে। আর হীরক রাজার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে মুর্খতা, অজ্ঞতা, অসততা, মিথ্যাচারিতা, আত্মম্ভরিতা, আত্মপ্রচারতা, স্বজনপ্রীতি, চাটুকারপ্রিয়তা, অসহিষ্ণুতা, হিংসাপরায়ণতা ও দুঃশাসন।

    তা সত্ত্বেও হীরক রাজা শাসন করতে পারেন, কারণ হীরক রাজার প্রজারা হচ্ছেন, নির্বোধ, হুজুগে, অতি-আবেগী, আত্মমর্যাদাহীন, ক্ষুধার্ত ও উচ্ছিষ্টভোগী। এঁরা ইতিহাসে আত্মসংহারক বলে আত্ম-অভিশপ্ত। এঁদের শাপমোচন হয়নি এখনও - ১৯৭১ সালে লক্ষ প্রাণের বিনিময়েও। কিন্তু হতে পারে, যদি তাঁরা বুঝতে সচেষ্ট হন তাঁদের সমস্যা কী। সমাধান আসবে তার পর।

    ৪ জুন ২০১২, সোমবার
    নিউবারী পার্ক
    এসেক্স, ইংল্যাণ্ড
    masudrana1@gmail.com

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন