• হে বঙ্গ, তব বিভক্তি-রঙ্গ অদ্যাপি অনুষঙ্গ
    মাসুদ রানা

    উল্টো-রথ
    বার্লিন প্রস্তর-প্রাচীর ভেঙ্গে পুনঃএকত্রিত হয়ে যখন ইউরোপে জার্মান-নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছে, বিভক্ত বাংলার বাংলাদেশী রাজধানী ঢাকা তখন সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসনিক-প্রাচীর তুলে বিভক্ত হবার। বিমূঢ় আমি কবি-ভাবে বলিঃ হে বঙ্গ, বিভক্তি-রঙ্গ অদ্যাপি তব অনুষঙ্গ!

    ঢাকার বয়স চারশো বছর। কলকাতার চেয়েও প্রাচীন এ-নগরী। এ-মুহূর্তে বিশ্বের বর্ধিষ্ণু মেট্রোপলিসগুলোর অন্যতম। দক্ষিণে নারায়ণগঞ্জ ও উত্তরে টঙ্গির দিকে দ্রুত সম্প্রসারমান ঢাকা মেট্রোপলিস হতে পারতো একটি মেগালোপলিস। বিকাশের ধারায় একাধিক মহানগরীর সম্মিলনকে বলা হয় মেগালোপলিস। এই ‘মেগালোপলিস’ মর্যাদা ঢাকাকে পৃথিবীর মানচিত্রে সম্মানীত স্থান দিতে পারতো। অবাক কাণ্ড, বাংলাদেশের সরকার অত্যন্ত দ্রুততার সাথে সিদ্ধান্ত নিয়ে ঢাকাকে মেগালোপলিসের বদলে স্প্লিট-মেট্রোপলিসে রূপান্তরিত করলো!

    সুয়োরানি-দুয়োরানি
    মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে একটি ভার্চুয়্যাল মনার্কি - গণতন্ত্রের নামে রাজতন্ত্র। আর, এ-রাজতন্ত্র এখন সুয়োরানি-দুয়োরানির হিংসার আগুনে দগ্ধ ও বিশ্লিষ্ট। যে-দিকে তাকানো যাবে, সে-দিকে দেখা যাবে এ-বিভক্তি। প্রশাসন, প্রতিরক্ষা, আইন, বিচার, অর্থনীতি, রাজনীতি, বাণিজ্য, পরিষেবা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, কিছুই হিংসার এ-দহন ও বিভক্তি থেকে মুক্ত নয়। একদিকে প্রতিশোধ, অন্যদিকে প্রতিরোধ। তারপর হয়তো আসবে পালা-বদল, যেভাবে এসেছে আগেও। সুয়োরানি হবেন দুয়োরানি, আর দুয়োরানি হবেন সুয়োরানি। কিন্তু অব্যাহত থাকবে হিংসার আগুন। জ্বলবে বাংলা - বুঝিবা অনন্ত কাল!

    ঢাকা-বিভক্তি নিয়ে চলছে একই কাণ্ড। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের মহাজোট-সরকার বলেছে, পরিষেবার মান-উন্নয়নের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে এ-বিভক্তি। কিন্তু বিরোধী দলগুলো বলছে, আওয়ামী লীগ তার নির্বাচনী সুবিধা সুনিশ্চিত করতে এ-বিভক্তি করেছে। প্রধান বিরোধী দল বিএনপি সরকারী এ-সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এমনকি হরতাল পর্যন্ত করেছে।

    বাংলাদেশে সচরাচর যেভাবে ঘটে ঘটনা আর তার প্রতিক্রিয়া, তেমনি-ভাবে চলছে বক্তৃতা-বিবৃতির পালা ঢাকা-বিভক্তিকে ঘিরে। দৃশ্যতঃ এখানে বিষয়টি কী হচ্ছে বড়ো কথা নয়, কে করছে সেটিই বড়ো। ফলে, প্রত্যেকেই ‘লাইন-মতো’ ঢাকা-বিভক্তির প্রতি সমর্থন অথবা বিরোধিতা অব্যাহত রেখেছেন।

    সাধারণ মানুষের স্বার্থের কথা বলেই ঢাকা-বিভক্তি ও ঢাকা-অবিভক্তির রাজনীতি চলছে। কিন্তু মহানগরের নাগরিকেরা কী চান, তা কোনো পক্ষেরই কাছেই বস্তুতঃ গুরুত্বপূর্ণ নয়। মানুষকে জিজ্ঞেস না-করেই তাদের মনের কথা বুঝে নেবার যেনো এক অজ্ঞেয় ক্ষমতা রয়েছে বাংলাদেশের রাজনীতিক ও বুদ্ধিজীবীদের। সুতরাং, তাঁরা মানুষের ধারও ধারেন না।

    প্রতিবন্দী-প্রতিবন্ধী
    ঢাকার দিকে ভালো করে তাকালে মনে হতে পারে অপরিকল্পিত বিরাট এক শহরের উপর যেনো বিশাল একটি গ্রাম সুপার-ইম্পৌজ করে দিয়েছে এক অদৃশ্য হাত। দুটি শ্রেণী বেড়ে উঠেছে নিজ-নিজ অচলায়তনে। একদিকে প্রাসাদোপম বাড়ীতে বাস করছেন নব্য ধনিকেরা চারদিকে অলঙ্ঘ্য প্রাচীর তুলে। তাঁরা দখল করে নিয়েছেন পুকুর-জলাশয়, মাঠ-ময়দান এবং শহর-চত্বর। কোথায় বাড়ী, কোথায় বিপণী, কোথায় বিদ্যালয়, কোথায় শয্যালয়, কোথায় কারখানা, কোথায় পায়খানা, তার কোনো ঠিক-ঠিকানা নেই।

    সস্তা শ্রমে উৎপাদিত হচ্ছে পোশাক-পণ্য বাংলাদেশে। পৃথিবীর বাজারে সে-পণ্য বিক্রি করে ধনী হচ্ছেন গুটিকতক চালাক-চতুর। তাঁরা মানবেতর নগর-জীবনে ঠেলে দিয়েছেন গ্রাম থেকে উঠে আসা লক্ষ-লক্ষ সর্বহারাকে অফুরন্ত সস্তা শ্রম-যোগানদার হিসেবে। ফলে, রাজপথ হয়েছে লোকারণ্য; ফুটপাথ হয়েছে বস্তি; ধনিক শ্রেণীর প্রাসাদ-প্রাচীরের মাটি-ছোঁয়া মূল হয়েছে ছিন্নমূলদের গণ-শৌচাগার। প্রাসাদ-বাসী ধনিকেরা বাইরে বেরুলেই পতিত হন এক নরকে, যা তাঁরা নিজেরাই তৈরী করেছেন মহানাগরিক সুবিধাদি-বঞ্চিত মহানগরে লক্ষ-লক্ষ গ্রামীন মানুষকে টেনে এনে পুঁজিবাদী অর্থনীতির অমোঘ নিয়মে।

    সর্বহারা শ্রেণী বন্দী রাস্তায়, আর ধনিক শ্রেণী বন্দী প্রাসাদের অভ্যন্তরে। তাঁরা যেনো একে অন্যকে প্রতিবন্দী করে রেখেছে অগোচরে। ফলে, ঢাকা হয়ে পড়েছে এক অতিকায় প্রতিবন্ধী শিশু। শরীরে বেড়েছে ঢাকা, কিন্তু বাড়েনি মানে ও মননে। এ-কথা জানে সরকারও। তাই মান উন্নয়নের যুক্তি তুলে ধরেছে ঢাকা-বিভক্তির পক্ষে। কিন্তু উত্তর-দক্ষিণে দু’টুকরো করলেই কি ঢাকার মান বাড়বে? ঢাকার পত্রিকান্তরে প্রকাশিত অধিকাংশ লেখাতেই আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছেঃ মান বাড়বে না।

    মাথা-কাটা-দেও
    পৃথিবীতে মহানাগরিক প্রশাসন ও পরিষেবার যে-মান গড়ে উঠেছে, তাকে পাশ কাটিয়ে ঢাকার স্প্লিট-হাফ এ্যাডমিনিস্ট্রেশন কোনো সমাধান দিতে পারবে না। বিভিক্তিকে যদি বিকেন্দ্রিকরণ হিসেবে ভাবা হয়, তাহলে মস্তকহীন দ্বিখণ্ডিত শরীর কোনো কাজের কথা নয়। মহানগরীকে হতে হয় একদিকে লোকালাইজড, আবার অন্যদিকে সেন্ট্রালাইজড।

    মহানাগরিক প্রশাসন ও পরিষেবার স্থানিকতার ও কেন্দ্রিকতার দ্বান্দ্বিক সমন্বয় প্রয়োজন। তা না হলে এ-মহানগর হয়ে উঠবে মাথা-কাটা দেও। ঠাকুরমার ঝুলির ভূতের গল্পে যেমন মাথা-কাটা দেও পেছন থেকে দু-হাতে পথিকের চোখ চেপে ধরে, আর পথিক কৌতুক মনে করে নিজের মাথার পিছন হাতড়ে শেষ পর্যন্ত কাঙ্খিত-জনের মাথা স্পর্শ করতে না পেরে মুর্ছা যায়, তেমনি অবস্থা হবে মহানগরীর পরিষেবাকাঙ্খী নাগরিকদের।

    কেন্দ্রিকতা-বিকেন্দ্রিকতা
    বাংলাদেশের রাজনীতিতে কেন্দ্রিকতা ও বিকেন্দ্রিকতার একটি বিতর্ক আছে দীর্ঘকাল যাবৎই। কেন্দ্রিকতা ও বিকেন্দ্রিকতাকে জৈবিক-ভাবে না দেখে যান্ত্রিক-ভাবে দেখার কারণে, প্রসঙ্গটি প্রায়শঃ ‘এটি না হয় ওটি’র গর্তে পতিত হয়।

    সুষ্ঠু প্রশাসানের জন্য কেন্দ্রিকতা ও বিকেন্দ্রিকতা দুটোই অত্যাবশ্যকীয়। বৃত্তের পরিধি বাড়ার সাথে-সাথে কেন্দ্র থেকে প্রান্তের দূরত্ব বৃদ্ধি পায়। তখন প্রান্তস্থিত লৌকালাইজড ম্যানেইজমেন্ট বা স্থানীয় ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন হয়। কিন্তু এ-লৌকালাইজড মেনেইজমেন্টকে শুধু সেন্ট্রিফিউগ্যাল বা কেন্দ্রাতিগ হলে চলে না, একে সেন্ট্রিপেট্যাল বা কেন্দ্রাভিমুখও হতে হয়। এখানে প্রক্রিয়াটি প্রয়োজন, তা হলো সাইমাল্টেনিয়াস কনভার্জেন্স ও ডাইভার্জেন্সের অর্থাৎ একই সাথে কেন্দ্রাতিগ ও কেন্দ্রাভিমুখ সঞ্চালন । এটি অনেকটা মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্রের মতো - যা পরস্পর নির্ভরশীল সেন্ট্র্যাল নার্ভাস সিস্টেম বা কেন্দ্রিয় স্নায়ুতন্ত্র ও পেরিফেরাল নার্ভাস সিস্টেম বা পার্শ্বিয় স্নায়ুতন্ত্রের সমন্বয়ে গঠিত। মানবদেহের সুষ্ঠু ক্রিয়া-প্রক্রিয়া ও বিকাশের জন্য দুটো সিস্টেমেরই দরকার। পার্শ্বিয় স্নায়ুতন্ত্র দেহের প্রতিটি অঙ্গের নিজস্ব এবং পরিবেশেষের সাথে তাদের ক্রিয়া-প্রক্রিয়ার তথ্য কেন্দ্রিয় স্নায়ুতন্ত্রে পাঠায়, আবার কেন্দ্রিয় স্নায়ুতন্ত্র তা মস্তিস্কের বিশ্লেষণ করে পার্শ্বিয় স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে অঙ্গে-প্রত্যঙ্গে ফেরত পাঠায়।

    কেন্দ্রিয় স্নায়ুতন্ত্র যেভাবে নিজে থেকেই প্রয়োজন মতো এবং পার্শ্বিয় স্নায়ুতন্ত্রের অনুরোধ ছাড়াই তথ্য পাঠাতে পারে, পার্শ্বিয় স্নায়ুতন্ত্রও নিজে থেকে দ্রুত ক্রিয়া করার ক্ষমতা রাখে এবং ক্রিয়া-শেষে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে অবহিত করে। যেমন, হাতে ছ্যাঁকা লাগলে পার্শ্বিয় স্নায়ুতন্ত্র মস্তিষ্কের ‘হাত সরাও’ অনুমতি ছাড়াই তার নিজস্ব রিফ্লেক্স এ্যাকশনের মাধ্যমে সাথে-সাথে হাত সরিয়ে নেয় এবং অল্পক্ষণের মধ্যেই মস্তিষ্ককে জানায়। মস্তিষ্ক তখন চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নেয় ঐ স্থানটি আদৌ থাকা উচিত কি-না এবং পার্শ্বিয় স্নায়ুতন্ত্রকে সে অনুযায়ী দাঁড়াবার অথবা দৌঁড়াবার সিদ্ধান্ত কার্যকর করার নির্দেশ দেয়। এই যে, নিউরাল তথ্য মস্তিষ্কে কনভার্জ হওয়া এবং অঙ্গে-প্রত্যঙ্গে ডাইভার্জ হওয়া, এটি ছাড়া মানব দেহ কাজ করতে পারে না।

    ঢাকা মহনগরের প্রশাসনকেও হতে হবে মানব দেহের স্নায়ুতন্ত্রের মতো। যেখানে গ্রেইটার ঢাকা কাউন্সিল হবে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের মস্তিষ্কের মতো এবং লৌক্যাল কাউন্সিলগুলো হবে পার্শ্বিয় স্নায়ুতন্ত্রের মতো। মানবদেহের প্রতি কোষ, গ্রন্থি, অস্থিকে ঘিরে স্নায়ুতন্ত্রের স্নায়ুকোষ বা নিউরন ক্রিয়াশীল থাকে, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা তেমনি নাগরিকদের মধ্যে ক্রিয়াশীল থাকবেন। নাগরিকদের কোথায় ব্যাথা, কোথায় বেদনা, কোথায় সুখ, কোথায় আরাম এগুলো বুঝতে হবে।  আর এটি সম্ভব হতে পারে মাথা-ভারী আমলাতান্ত্রিক প্রশাসনের বদলে তৃণমূল পর্যায়ের গণ-সম্পৃক্ত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো ও পদ্ধতি প্রতিষ্ঠার দ্বারা। নাগরিকদের হাতে পছন্দ-মতো নীতি নির্ধারণ, বাস্তবায়ন ও তার ভালো-মন্দ পরিণতি ভোগ করার দায়িত্ব দিয়ে প্রকৃত অর্থেই ক্ষমতাবান করা ছাড়া অন্য যে-কোনো ব্যবস্থাই শেষ পর্যন্ত ভালো ফল আনতে পারে না।

    লন্ডন-মডেল
    ঢাকার নাগরিক পরিষেবার মান উন্নয়নের জন্য এক-কেন্দ্রিকতাকে দুভাগে বিভক্ত করে দুটো মেয়রাল অথোরিটীর অধীনে নয়, বরং অনেকটা লন্ডন মডেলে গ্রেইটার ঢাকা সিটি কাউন্সিল তৈরী করে তার উপর পরিবহন, যোগাযোগ, শান্তি-শৃঙ্খলা, ইত্যাদি বৃহত্তর বিষয়গুলো ছেড়ে দিয়ে, তার নিচে জিওগ্রাফিক ও ডেমোগ্রাফিক বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক লৌক্যাল কাউন্সিল গড়ে তুলে স্থানীয় চরিত্রের পরিষেবাগুলোর দায়িত্ব অর্পণের প্রয়োজন ছিলো।

    গ্রেইটার ঢাকা কাউন্সিল ও বিভিন্ন লৌক্যাল কাউন্সিল পরিচালনার জন্য প্রয়োজন হতো একজন করে বেতন-ভূক এক্সিকিউটিভ মেয়র ও বিভিন্ন সংখ্যক কাউন্সিলারের। বৃহত্তর ঢাকা পেতেও কেন লিভিংস্টৌন বা বরিস জনসনের মতো একজন গ্রেইটার সিটি মেয়র, আর স্থানীয় ভিত্তিতে প্রতিটি কাউন্সিল পেতো টাওয়ার হ্যামলেটসের লুৎফুর রহমানের মতো একজন লৌক্যাল মেয়র। তাঁরা এবং তাঁদের কাউন্সিলারগণ নির্বাচিত হতে পারতেন নাগরিকদের প্রত্যক্ষ ভৌটে এবং বাধ্য থাকতেন নিয়মিত সার্জারি পরিচালনার মাধ্যমে নাগরিকদের অভাব-অভিযোগ ও প্রশ্ন-পরামর্শ শুনতে এবং সে-অনুসারে ক্রিয়া করতে।

    লন্ডনে স্থানীয় সরকার পরিচালনায় সাফল্য সম্পন্ন রাজনীতিক ও পেশাজীবী আছেন যাঁরা বাঙালী বংশোদ্ভূত। এদের দর্শন, যোগ্যতা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও যোগান বিশ্ব-মানের। ব্রিটেইনের বাঙালীর সহযোগিতা নিতে বাংলাদেশের বাঙালীদের জন্য যদি ‘ব্যক্তিত্ব-ঘটিত-সমস্যা’ না হয়, তাহলে ব্রিটেইনের বাঙালীরা বাংলাদেশের অগ্রগতির জন্য একটি অমূল্য রিসৌর্স হতে আবির্ভুত হতে পারে।

    চীন ও ভারতের সাম্প্রতিক উত্থানের ক্ষেত্রে প্রবাসী চৈনিক ও ভারতীয়দের যে আদৃত অবদান আছে, তার যথাযথঃ উপলব্ধির ভিত্তিতে বাংলাদেশও প্রবাসী বাঙালীদের যোগ্যতা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দ্রুত এগিয়ে যেতে পারতো।

    বুধবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১১
    নিউবারী পার্ক, এসেক্স, ইংল্যান্ড
    masudrana1@gmail.com

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন