আমি বিষয়টিতে একটু আশ্চর্য হইনি। কারণ ইংল্যান্ডে যারা যায় তাদের বড় অংশই গোড়া মৌলবাদীতে পরিণত হয়েছে (আমার চেনাদের কথা বলছি)। ষাটের দশকে যারা যেতো তারা অনেকে প্রগতিশীল আন্দোলনে যুক্ত থাকলে, এখন সে পরিস্থিতি উল্টো হয়ে গেছে।
দেশের বাঙালীরা বিদেশে গিয়ে আরো কট্টর হচ্ছে। আর যদি বিষয়টি ভোটের ফ্যাকড়ার মধ্যে পড়ে তাহলে শেষ পর্যন্ত এই কাউন্সিলর শেষ পর্যন্ত লব্মা জোব্বা পরবেন, যা তিনি বিশ্বাস করেন না। এই হলো ভোটের গণতন্ত্র!
সম্প্রতি আমরা বাংলাদেশ থেকে লন্ডনের হিজাব গেট নিয়ে যে বিতর্ক শনুছি সেটি এর থেকে খুব বেশি দূরে নয়।
প্রথমে বিবেচনা করা দরকার যে বৈষম্যমূলক সমাজ ব্যবস্থায় লন্ডনে মুসলিমরা অন্যদের ফেইস করছে সেখানে এমন কোনো বিষয় থাকতে পারে কিনা, যার ফলে মুসলিমরা (বিশেষত বাঙালি মুসলিমরা) আইডেন্টি ক্রাইসিস (বিশেষত সামাজিক-রাজণেতিক-অর্থনৈতিক) ভুগছে কিনা। তাদের ক্ষোভের কারণ কি সবই ধর্মীয় না অন্যান্য ব্যপারা আছে এটা দেখা দরকার।
আমি বিষয়টিতে একটু আশ্চর্য হইনি। কারণ ইংল্যান্ডে যারা যায় তাদের বড় অংশই গোড়া মৌলবাদীতে পরিণত হয়েছে (আমার চেনাদের কথা বলছি)। ষাটের দশকে যারা যেতো তারা অনেকে প্রগতিশীল আন্দোলনে যুক্ত থাকলে, এখন সে পরিস্থিতি উল্টো হয়ে গেছে।
দেশের বাঙালীরা বিদেশে গিয়ে আরো কট্টর হচ্ছে। আর যদি বিষয়টি ভোটের ফ্যাকড়ার মধ্যে পড়ে তাহলে শেষ পর্যন্ত এই কাউন্সিলর শেষ পর্যন্ত লব্মা জোব্বা পরবেন, যা তিনি বিশ্বাস করেন না। এই হলো ভোটের গণতন্ত্র!
সম্প্রতি আমরা বাংলাদেশ থেকে লন্ডনের হিজাব গেট নিয়ে যে বিতর্ক শনুছি সেটি এর থেকে খুব বেশি দূরে নয়।
প্রথমে বিবেচনা করা দরকার যে বৈষম্যমূলক সমাজ ব্যবস্থায় লন্ডনে মুসলিমরা অন্যদের ফেইস করছে সেখানে এমন কোনো বিষয় থাকতে পারে কিনা, যার ফলে মুসলিমরা (বিশেষত বাঙালি মুসলিমরা) আইডেন্টি ক্রাইসিস (বিশেষত সামাজিক-রাজণেতিক-অর্থনৈতিক) ভুগছে কিনা। তাদের ক্ষোভের কারণ কি সবই ধর্মীয় না অন্যান্য ব্যপারা আছে এটা দেখা দরকার।