• বাম-পরাজয়ের সংবাদ ও আমার প্রশ্নের উত্তর
    সত্যব্রত দাস স্বপন

    রাজ্য সরকারের নির্বাচন হয়ে গেলো পশ্চিমবঙ্গে। যেখানে চৌত্রিশ বছর ধরে কমিউনিস্ট নেতৃত্বধীন 'বামফ্রন্ট' নির্বাচিত হয়ে আসছিলো, সেখানে তাদের হলো ভরাডুবি। এ-ভরাডুবি আঁচ করা গিয়েছিলো আগেই।

    যখন তারা প্রথম জয়ী হয়েছিলেন সেই সত্তরের দশকে, তখন আমি বাংলাদেশের বাম ধারার রাজনৈতিক কর্মী ছিলাম। সত্তর ও আশির দশকে সক্রিয় ছিলার রাজপথে সংগ্রামে আন্দোলনে। বাংলাদেশে যখন বাম-রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করার জন্য তৎপর ছিলাম, তখন স্বাভাবিক কারণেই, প্রতিবেশী পশ্চিমবঙ্গে ইতোমধ্য প্রতিষ্ঠিত বাম-ব্যবস্থা সম্পর্কে বরাবরই একটা আগ্রহ ছিলো। কিন্তু তা সত্ত্বেও একটা প্রশ্ন ছিলো অমীমাংসীত।

    ভারতের মতো একটি ফেডারেল রাষ্ট্রে, যেখানে প্রায় সব ক্ষমতাই কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে, সেখানে কেন্দ্রীয় ভাবে পূঁজিবাদ বজায় রেখে পশ্চিমবঙ্গের মতো একটি রাজ্যে কমিউনিস্টরা কী করতে পারেন? তাই, আগ্রহ থাকার পরও আমি আশাবাদী হবার কোনো কারণ দেখনি।

    কমিউনিস্টরা যা করতে চান, তা তাদের পক্ষে করা সম্ভব নয় বলেই আমার মনে হতো।  এটা হয়তো আমার জ্ঞানের অভাবের কারণেও হতে পারে। বিভিন্ন সময় বন্ধু-বান্ধবদের সাথে এ-নিয়ে অনেক কথা হয়েছে, এমনকি মন কষাকষিও হয়েছে।

    আমি মনে করতাম এবং এখনও করি, নির্বাচনে জিতে চার-পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়ে কিছু হবে না। নির্বাচনের পক্ষে বন্ধুরা বুঝাতে চেয়েছেন মার্কস-এঙ্গেলস-লেনিনের কাঁধে ভর করে। কিন্তু আমি পুরো বিষয়টা আজো বুঝিনি।

    যাহোক, আজ দু-দশকেরও বেশি কাল দেশ ছেড়ে প্রবাসী হয়েছি। বিলেতে থেকে বাংলাদেশের সাথে-সাথে পশ্চিমবঙ্গের সাথেও আমার যাওয়া-আসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে বৈবাহিক সূত্রে। শ্বশুরালয় পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার আলিপুর দুয়ার। যেতে হয় কলকাতা হয়ে।

    দু’বছর আগে জলপাইগুড়ি যাবার পথে কলকাতার আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য দুদিন থাকলাম। শহর-কলকাতা আগেও দেখেছি। সে-বার কলকাতার অনেক পরিবর্তন দেখলাম। ম্যাকডৌনাল্ডস, কেএফসি’র দোকান হয়েছে। আবার হলদিরামের ফাস্ট ফুডেরও অনেক দোকান দেখলাম।  ফ্ল্যাট এ্যাপার্টমেন্ট গড়ে উঠছে ব্যক্তি মালিকানায়। পণ্যের বিলবৌর্ডের বিপ্লব হয়েছে সারা কলকাতায়।

    আরও দেখলাম, পার্টি-কমিটী আর ইউনিয়নগুলোর লাল পতাকা দিয়ে ছোট-ছোট অফিস। চেয়ার টেবিল নিয়ে বসা কিছু যুবক প্রায়ই চোখে পড়লো। মনে হলো অনেকটা আমাদের দেশের লাল কাপড় দিয়ে মোড়ানো মাজারের মতো। জায়গা দখলে রাখাটাই যেনো বড়ো কথা।

    ২০০১ সালের সাথে - ২০০৯ সালের কলকাতার মিল কমই খুঁজে পেলাম। সব কিছুর মধ্যে একটা প্রাইভেটাইজেশনের ছায়া পড়েছে বলে বলেই মনে হলো।

    শিলিগুড়ি পর্যন্ত পৌঁছুতে-পৌঁছুতে আমার পায়ের একটা আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ না হলেও একটা ছোটো চাঁপা কলার আকার নিয়ে নিলো। শ্বাশুড়ি-মাতার নির্দেশে শ্যালক মশাই নিয়ে গেলেন ডাক্তার দেখাতে।

    আমাকে দেখার আগে আমিই দেখলাম ডাক্তার মশাইকে। ডাক্তার হাড্ডি বিশেষজ্ঞ। চেম্বারে অনেক লোকের ভীড় রীতি-মতো হাড্ডাহাড্ডি। শ্যালক বললেন, হাড্ডি বিশেষজ্ঞটি সরকারী ডাক্তার। মনে প্রশ্ন জাগলোঃ সকাল ১১ টায় ডাক্তার তো হাসপাতালে থাকবার কথা। সেখানে নিশ্চয়ই অনেক রোগী অপেক্ষা করছেন। তাহলে এখন এখানে কেনো তিনি? জিজ্ঞেস করে জানলাম, এক দেড় ঘণ্টা এখানে রোগী দেখে হাসপাতালে যাবেন ডাক্তার মশাই। যাহোক, আমাকে দেখে তিনি ওষুধ লিখে দিলেন, আর বললেন, রক্ত পরীক্ষা করাতে হবে।

    ডাক্তারের চেম্বার থেকে সেরে শ্যালক মশাই আমাকে নিয়ে গেলেন রক্ত পরীক্ষা করাতে। দেখলাম প্রাইভেট প্যাথলজিস্ট। তারপর গেলাম ওষুধ কিনতে একটি কেমিস্টে, হাসপাতালের কাছে।

    কেমিস্টের বারান্দায় দাঁড়িয়ে চতুর্দিকে তাকিয়ে দেখলাম, হাসপাতালকে ঘিরে অনেক ডাক্তার, কেমিস্ট , প্যাথলজিস্টের দোকান। এদের সবার নাকি এজেন্টও আছে। ওরা রোগী বা রোগী-পক্ষের লোকদের টেনে নিয়ে যায় দোকানের ভেতরে। ব্রিক লেইনের কথা মনে পড়লো। ব্যবসায় আমাদের টানাটানি লন্ডন পর্যন্ত গিয়েছে। ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও নাকি ধান ভানে।

    আমার বদভ্যাসের কারণেই হয়তো লোকজনের সাথে কথা বললাম। জানতে চাইলাম, হাসপাতাল, ডাক্তার, চিকিৎসা, ইত্যাদি বিষয়ে।

    জানতে পারলাম, এখানে হাসপাতালটা নাকি বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় চলে। কেনো? কমিউনিস্ট রাজত্বে হাসপাতাল (চিকিৎসা) প্রাইভেট কেনো?

    আরও বিস্তারিত জানতে চাইলাম। জানলাম, পূর্বে সরকারীই ছিলো, কিন্তু অব্যবস্থাপনার কারণে বন্ধ হতে চলেছিলো, সব লোপাট হয়ে যাচ্ছিলো। তাই, ব্যক্তিমালিকানায় দেয়া হয়েছে এবং ভালই চলছে।

    মালিকরা বামফ্রন্ট-সমর্থক কিনা জানতে চাইনি।  যাঁদের সাথে কথা হচ্ছিলো, তাঁদের আবার ওদের কেউ-কেউ ওদের দলের।

    হাসপাতালের প্রায় সকল ডাক্তারই প্রাইভেট চেম্বারে বসেন সারাদিন। হাসপাতালে রোগীরা ডাক্তারের জন্য অপেক্ষা করতে-করতে ফিরে যান। আবার অনেকে বাধ্য হয়ে প্রাইভেট চেম্বারে দেখাতে আসেন। শুনে ব্যথিত হলাম। খুব রাগ হলো। আমি একজন বিদেশী হয়ে যদি রাগ করতে পারি, তাহলে স্থানীয়দের কেমন লাগে তা বুঝার চেষ্টা করলাম।

    বুঝতে-বুঝতে আমি সেরে উঠলাম, কিন্তু ছোট মেয়েটা জ্বরে পড়লো। তাই, আবার সেই ডাক্তারের চেম্বার! তবে এবার আর হাড্ডি বিশেষজ্ঞ নন, তিনি শিশু বিশেষজ্ঞ। হায়, সেখানকার অবস্থা আরও ভয়াবহ।

    প্রায় ১০০’র উপর রোগী। মনে হলো, এ তো দুদিনেও শেষ হবে না। না, আমার বুঝার ভুল। ডাক্তার খুব করিৎকর্মা লোক। আমাদের নাম্বার এসে গেলো আধ ঘণ্টার মধ্যেই। জানলাম, শ্যালক মশাই আগেই নাম্বার নিয়ে রেখেছিলেন ছোট ভাইকে অগ্রিম প্রক্সি রোগী বানিয়ে। তবুও ২৮ নাম্বার এতো তাড়াতাড়ি আসে কী-করে? আমার স্ত্রীর চোখ বড়ো-বড়ো করে প্রশ্ন করলেন আমাকে। তিনি আরও বললেন, ‘এক মিনিট সময় ও দিচ্ছে না রোগীকে, এ কেমন ডাক্তার গো?’ আমি আর কি বলি! বললাম, ‘এজন্যই আমাদের দেশে ডাক্তারকে বলে সাক্ষাত ভগবান।’

    রাতে মেয়েটার জ্বর খুব বেড়ে গেলো। আমি ডাক্তার ডাকতে বললাম। আমাকে বলা হলো, ডাক্তার বাড়ীতে আসেন না। কী করা যায়? একজন হোমিওপ্যাথ ডাক্তার পাওয়া গেলো। কিন্তু তার দেয়া ওষুধ তেতো বলে মেয়ে খেলো না।  হাসপাতালের জরুরী বিভাগে যেতে চাইলে, শ্যালক রাজী হলেন না। বললেন, অসুখ আরও বেড়ে যাবে।

    শেষে, বিলেত থেকে নিয়ে যাওয়া ক্যালপল মেয়েকে খাইয়ে,  ভোরের জন্য অপেক্ষা চললো। সকালে শ্যালকের এক ওষুধ ব্যবসায়ী বন্ধু কোনো এক ডাক্তারের পরামর্শে অল্প-ক্ষমতার এ্যান্টিবায়োটিক এনে দিলেন। পরদিন মেয়ের শরীর একটু ভালো হলে, শ্বাশুড়ি হুকুম করলেন তাড়াতাড়ি বিলেতে ফেরত যেতে। বেচারী খুব কষ্ট পেয়েছেন নাতনীর ঠিকমত চিকিৎসা করাতে পারেননি বলে।

    এরকম কতো সমস্যায় ভুগছে মানুষ। এ-সকল সমস্যার কি কোনো সমাধান নেই? সবার মতো আমার শ্বাশুড়িও নিশ্চয়ই সমাধান খুঁজছেন।

    একটি ঘটনা দেখার পর আমার মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেলো। একটা অসহায় রাগও অনুভব করলাম। বিলেতে হলে কী করার ছিলো, তা আমি জানি। কিন্তু উত্তর খুঁজে পেলাম না এই প্রশ্নের যে, আমি ওই পশ্চিমবঙ্গবাসী হলে কী করতাম?

    যে হাড্ডি-বিশেষজ্ঞ আমাকে রক্ত পরীক্ষা করাতে বলেছিলেন, রিপোর্ট পাবার পর তাঁর কাছে ওটি নিয়ে গেলাম। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর তিনি এলেন। এসেই তাঁর এক কর্মচারীকে জিজ্ঞেস করলেন একটি রোগী এসেছিল কি-না। কর্মচারীটি বললেন ‘আজ্ঞে হ্যাঁ, বলে মনে হয় চা খেতে গেছে।’
    ‘যাও, খুঁজে নিয়ে এসো’, হুকুম করলেন ডাক্তার। কর্মচারীটি গেলেন এবং কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে জানালেন, রোগীটিকে পাওয়া যায়নি। এ-সংবাদে ডাক্তার ভীষণ ক্ষেপে গেলেন। তিনি রেগে গিয়ে অনেকক্ষণ কর্মচারীটিকে বকাঝকা করলেন।

    জানা গেলো, পা-ভাঙ্গা রোগীটিকে তিনি হাসপাতাল থেকে পাঠিয়েছিলেন এখানে অপারেশন করবেন বলে। এতোক্ষণে হয়তো অন্য ডাক্তার দিয়ে কাজটা করিয়ে নিয়েছে, এ-আশঙ্কায় তিনি রেগে উঠেছেন সম্ভাব্য উপার্জন হারাবার কারণে। কতো টাকা ক্ষতি হলো তাও ডাক্তার রেগে-মেগে জানালনে।
    কর্মচারীটিকে বললেন, ‘তোমাদের দিয়ে কিচ্ছু হবে না, তোমরা ব্যবসার কিছুই বুঝো না।’
    মাথা একটু ঠাণ্ডা হবার পর ডাক্তার আমার দিকে নজর দিলেন। রক্ত পরীক্ষার আগেই যে আমাকে ঠিক ঔষধ দিয়েছিলেন, তা গর্বের সাথে জানালেন আমাকে। উত্তরে আমিও তাঁকে ধন্যবাদ দিলাম।

    বেরুতে-বেরুতে ভাবলাম কি নির্লজ্জ এই ডাক্তারটি! আমার প্রতিবাদ করার কোনো অধিকার নেই, কারণ আমি একজন বিদেশী। কিন্তু সেই রোগীটি? সেও নিশ্চয়ই এর সমাধান খুঁজবে  আমার শ্বাশুড়ির মতো।

    সারা পশ্চিম বাংলা ঘুরে দেখিনি তাই সার্বিক বিবেচনা আমার পক্ষে কঠিন। তবে যা দেখলাম তাতেই প্রশ্ন জাগে। কেনো এরকম অবস্থা এখানে? কী করণীয় আছে মানুষের?

    মানুষের নুন্যতম অধিকার - অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান - কি কমিউনিস্ট সরকারের অধীনে মানুষের থাকা উচিত নয়? সংজ্ঞানুসারে তাই করা উচিত। কিন্তু চৌত্রিশ বছরেও তারা তা নিশ্চিত করতে পারলো না। ভারতের মতো দেশে যেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে সব, তখন সব কিছু না হোক - অন্তত শিক্ষা এবং চিকিৎসার ব্যবস্থাটা করা উচিত ছিলো। তাহলে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়া কেনো?

    যতদূর জেনেছি, বাম সরকারের প্রথম দিনগুলোতে এ-অধিকারগুলো নিশ্চিত করার চেষ্টা হচ্ছিলো। কিছুটা অর্জনও ছিলো তাদের। হয়তো সে-কারণেই পর-পর নির্বাচিত হচ্ছিলেন তারা।

    তবে কেনো জানি মনে হলো, তারা সরকারে থাকতে-থাকতে শাসক হয়ে যাচ্ছিলেন। মানুষ থেকে দূরে সরে যাচ্ছিলেন। ভুলে যাচ্ছিলেন জনগণকে দেয়া কথা। ভুলে যাচ্ছিলেন কমিউনিস্ট মেনিফেস্টো।

    দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, জনগণের প্রতি উন্নাসিকতা, দেয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসা, ব্যক্তি মালিকদের দিকে ঝুঁকে পড়া-সহ বিভিন্ন প্রাণহরণকারী ব্যাধি আঁকড়ে ধরছিলো কমিউনিস্টদের।
    জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যাচ্ছিলেন তাঁরা ধীরে ধীরে।

    আর জনগণ? তাদের তো আর বাহিনী নেই যে, সরকারকে উৎখাত করবে, জেলে পাঠাবে, কিংবা গুলি করবে।

    তারা তাদের সময়ের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। আমার শ্বাশুড়ির মতো। আর বিরোধীরা  বামফ্রন্টের কর্মসূচি এক-এক করে হাতিয়ে নিচ্ছিলো। এ যেনো একটি পারস্পরিক প্রতিস্থাপন। বামফ্রন্ট হচ্ছিলো কংগ্রেসী আর কংগ্রেসী আর হচ্ছিলো বামপন্থী। কর্মসূচির অর্থে।

    পশ্চিমবঙ্গে আমার বেড়াতে যাবার কাহিনী দু’বছরের পুরনো। কিন্তু যারা থাকেন ওখানে, তাদের জন্য প্রতিদিনই নতুন অভিজ্ঞতা।

    ক’দিন আগে খবর পেলুম, আমার শ্বাশুড়ি তাঁর পুত্র-কন্যা-সহ কংগ্রেসীদের ভোট দিয়েছেন। দু’বছর আগে পশ্চিমবঙ্গের চিকিৎসা ক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা পেয়ে যে বিক্ষুব্ধ প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছিলো, শ্বাশুড়ির প্রেরিত সংবাদে আমি তার উত্তর পেলাম। জনগণ সম্মিলিতভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে বলেছে, ‘ না কমরেড, আর না, এবার ক্ষেমা দিন।’

    নিজে বাম রাজনীতি করতাম বাংলাদেশে, তাই এক অর্থে খারাপও লাগলো। তাই ভাবি, বামফ্রন্টের কী করা উচিত? এর সঠিক উত্তর আমার মতো কম-জ্ঞানের মানুষের পক্ষে বলা সম্ভব নয়। তবে এটুকু বলতে পারিঃ যেখানে হারিয়েছেন, সেখানেই খুঁজুন। জনগণের কাছে ফিরে যান, তাঁদের ভালবাসা অর্জন করুন।

     

পাঠকের প্রতিক্রিয়া

ভাই জহিরউদ্দিন,
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আমি হতাশ নই।
যেভাবেই হোক বামেরা হেরেছেন।
অন্যরা কিভাবে জিতলেন সেটা বিষয় নয়।
আর কারো অসফলতার জন্য অপেক্ষা করা কি ঠিক হবে? বামফ্রন্ট তার কর্মসূচী নিয়ে আবার জনগণের কাছে যাবেন এটাই আমাদের কামনা।

ভাল লিখেছেন। এ পরাজয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। মমতা অতি ডান ,বাম সহ সব বিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে জয়ী হয়েছেন।তারপরও বামপন্হীরা ৪১ ভাগ ভোট পেয়েছে। মমতার জোটের ভোট ৪৯%।জনগণের মধ্যে কাজ করে তাদেরকে ফিরিয়ে আনতে আবারো বামপন্হার দিকে । মমতা সফল হবে না।

দাদা, লেখার ধরন আসাধারন হয়েছে। আশা করি নিয়মিত লিখবেন

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন