• লন্ডনের রাস্তায় কাজের খোঁজে হন্যে হয়ে ঘুরছে বাঙালী শিক্ষার্থীরা
    আশফাক চৌধুরী

    কাজ-কর্ম না পেয়ে ব্রিটেইনে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন বাংলাদেশ থেকে আগত নতুন শিক্ষার্থীরা। সাম্প্রতিক সময়ে দেশ থেকে আসা বহু শিক্ষার্থীই এখন ন্যুনতম মুজুরীর বিনিময়ে যেনো-তেনো একটি কাজের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়েছেন লন্ডন নগরীর পথে-ঘাটে। এদের মধ্যে অনেকেই আবার সঙ্গে করে নিয়ে আসা অর্থ-কড়ি শেষ হয়ে যাবার মতো পরিস্থিতিতে থাকা-খাওয়ার মতো মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণের ক্ষেত্রেও ভয়ানক সমস্যার মধ্যে দিন-যাপনে বাধ্য হচ্ছেন।

    ইউকেবেঙ্গলির প্রতিবেদকের সাথে গত কয়েক দিন ধরে এসব ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা হয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে দেশ থেকে আসা বেশ কিছু শিক্ষার্থীর। এদের প্রত্যেকেই জানিয়েছেন, বিলেতে এসে এতটা ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হবার আশঙ্কা তারা দেশে থাকতে কখনোই করেননি। খুলনা থেকে আগত ইফতেখার (২৬) নামে এক শিক্ষার্থী জানালেন তার দুর্ভোগের কথা। ইফতেখার বিলেত এসেছেন জুলাই মাসে,  এখন পর্যন্ত কোনো কাজের সন্ধান পাননি। যে-পরিমাণ অর্থ-কড়ি নিয়ে এসেছিলেন, তা এখন একেবারে তলানীতে। পরিবারের পক্ষে নতুন করে টাকা পাঠানোও সম্ভব নয়। সামনের দিনগুলো নিয়ে ভাবতে গিয়ে চোখে অন্ধকার দেখছেন ইফতেখার। হাসিবের অবস্থা আরো করুন। কর্মহীন প্রায় ৪ মাস। বাবার পেনশনের টাকা খরচ করে বিলেতে এসেছেন সংসারের ভাগ্য ফেরাতে। পরিবারের পক্ষে নতুন করে টাকা পাঠানো কিছুতেই সম্ভব না। আশা ছিলো পড়াশোনার পাশাপাশি কিছু আয়-উপার্জনের মাধ্যমে সংসারের জন্য কিছু করা। এখন সব উলোট-পালট মনে হচ্ছে।

    আরেক শিক্ষার্থী নাজমুল হোসাইন(১৯) বললেন কলেজগুলোর অসহযোগিতার কথা। ঢাকায় স্টুডেন্ট রিক্রুটমেন্ট এ্যাজেন্সীকে টিউশন ফী বাবদ ৩৫০০ পাউন্ড দিয়ে লন্ডনে এসে নাজমুল শুনেন কলেজ কোন পাউন্ড পায়নি। এখন কলেজ তাকে আনুষাঙ্গিক কাগজ-পত্র দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ থেকে আসা শিক্ষার্থীদের বেশির ভাগের মধ্যেই কলেজগুলোর ব্যাপারে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। বেশ কয়েক-জন শিক্ষার্থী জানিয়েছেন ওয়েবসাইটে যে-ধরণের তথ্যাদি দেয়া হয় কিংবা যে-ধরণের আকর্ষণীয় ফটৌ সংযোজন করা হয়, লন্ডনে হাজির হবার পরে সে-সবের সাথে তেমন কোন মিল খুঁজে পাওয়া যায় না। এ-প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানান এ-ধরণের অনুযোগ-অভিযোগ আমলেই নেয়নি তার কলেজ। ইউকেবেঙ্গলি অফিসে বসে আর এক শিক্ষার্থী বলেন, আমার কথা শুনে কলেজওয়ালারা হাসে।

    এছাড়াও অনেকে শিক্ষার্থীর মধ্যে বাংলাদেশে স্টুডেন্ট রিক্রুটমেন্ট এ্যাজেন্সীগুলোর ব্যাপারেও আছে তীব্র ক্ষোভ। জানা যাচ্ছে, নতুন নিয়মের ফলে কলেজগুলোতে টিউশন ফী ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ার সাথে-সাথে সুযোগ বুঝে এ্যাজেন্সীগুলোও কমিশনের হার বাড়িয়ে দিয়েছে যথেচ্ছভাবে। শিক্ষার্থীদের অনেকেই জানান, কলেজগুলোর বাংলাদেশী প্রতিনিধিরা ভুলভাবে তথ্য উপস্থাপন করার কারণেই অনিশ্চয়তার মধ্য পড়তে হচ্ছে।

    এদিকে, পূর্ব-লন্ডনের বাঙালী জব-সেন্টারগুলো উপচে পড়ছে বাংলাদেশ থেকে সদ্য আসা শিক্ষার্থীদের ভীড়ে। বিশেষ করে ব্রিটেইন-জুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বাঙালী রেস্টুরেন্টগুলোতে কাজের আশাতে জব-সেন্টারগুলোতে জড়ো হচ্ছেন শত-শত শিক্ষার্থী। জব-সেন্টারগুলো জানাচ্ছে এ-বিপুল চাহিদা মেটানোর কোনো ব্যবস্থাই তাদের হাতে মজুত নেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, বেতন দূরে থাকুক, শুধুমাত্র থাকা-খাওয়ার বিনিময়েও বাঙালী রেস্টুরন্টে কাজ পাওয়া যাচ্ছে না। লন্ডনে ঘনিষ্ঠ এমন কেউ নেই যার কাছ থেকে অর্থ সাহায্য পাবো। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে চরম হতাশায় দিনাতিপাত করতে হচ্ছে"। কাজের ব্যাপারে দুয়েক-জন রেস্টুরেন্ট-মালিকদের সাথে কথা বলে জানা গেলো, তারা প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ ফৌন কল পাচ্ছেন। কিন্তু এতো লোকজনকে এক সাথে কাজ দেয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না, আর এ-ধরণের কোনো প্রয়োজনও তাদের নেই। অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে আগের মতো ব্যবসা না থাকার কারণে বাড়তি কর্মী নিয়োগের প্রয়োজনীয়তাও কমে গেছে বলে জানালেন একাধিক রেস্টুরেন্ট-মালিক।

    পরিস্থিতি ইদানীং এতোটাই মারাত্মক পর্যায়ে চলে গেছে যে, কাজ-কর্ম না পেয়ে অর্থ-কড়ির অভাবে বাধ্য হয়ে পূর্ব লন্ডনের কয়েকটি মসজিদে রাত্রি-যাপন এবং কোনো-কোনো ক্ষেত্রে খাবার-দাবারের সুযোগ নিতে বাধ্য হচ্ছেন বেশ কিছু শিক্ষার্থী। রোজার মাস কোনোভাবে কেটে গেলেও, ঈদের পরে মসজিদে থাকার সুযোগও খুব একটা নেই। গত কয়েক বছর ধরে সুপার স্টৌরগুলোতে বাঙালী ছাত্র-ছাত্রীরা ভালো রকমের কাজ-কর্ম করার সুযোগ পেলেও, এখন এসব সুযোগ একেবারেই কমে গেছে। সুপার মার্কেটের একজন ম্যানেজার বললেন, পুরোনো কর্মী ছাঁটাই করে সেলফ চেক আউট সিস্টেম চালু করায় নতুন কর্মী নিয়োগ অনেকটা কমে গেছে। তাই রিটেইল শপগুলোতে কর্মীও লাগছে না আগের মতো। এছাড়াও মন্দার কারণে সুপার মার্কেটগুলোতে ব্যাপকবভাবে কর্ম-ঘ্ন্টা কমানোর পর্ব চলছে। শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের ব্যাপারে একাধিক কলেজের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, শিক্ষার্থীরা জেনে-শুনে আসতে চাইলে তাদের কিছুই করার নেই। বর্তমান পরিস্থিতির ব্যাপারে ব্রিটিশ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার কোনো যুক্তি নেই বলেও জানান কেউ-কেউ; কেনোনা  ব্যক্তিগত ব্যয়ে পড়তে আসা শিক্ষার্থীরা ভিসার আবেদন পত্র জমা দেয়ার সময় টিউশন ফী এবং জীবন-যাপনের ব্যয় বহনে সক্ষম বলেই উল্লেখ করেছেন। বাংলাদেশে কলেজগুলোর এ্যাজেন্টরা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের অনিশ্চয়তার দিয়ে ঠেলে দিচ্ছে কিনা - এমন এক প্রশ্নের জবাবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কলেজ মালিক বলেন "বাংলাদেশে এজেন্টরা শিক্ষার্থীদের কি ধরনের তথ্য দিচ্ছেন সে ব্যাপারে আমাদের কিছু জানা নেই"।

    এছাড়াও অর্থনৈতিক মন্দার কারণে হাই স্ট্রীটের শপগুলোও কর্মী নিয়োগ-কমিয়ে দিয়েছে ২০০৮ এর মাঝামাঝি থেকে। তাছাড়া শীর্ষ-স্থানীয় রিটেইল শপগুলো এখন জব সেন্টারের ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে কর্মী নিয়োগ করেছে। এর ফলে পরিচিত বাঙালীর সূত্র ধরে এ-শপগুলোতে কাজ পাবার সুযোগ বলতে গেলে বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যাংক লৌনের সুবিধা প্রসঙ্গে নামকরা এক ব্যাংকের বাঙালী এক ম্যানেজারের সাথে আলাপ করা হলে তিনি জানান, ব্রিটেনের ব্যাংকগুলো  ব্রিটিশ শিক্ষার্থীদেরকেই এখন ব্যাংক দেয়ার ক্ষেত্রে অনেক কড়াকড়ি আরোপ করেছে। আর ক্রেডিট স্কৌরিং ব্যবস্থা চালু হবার পর বাইরে থেকে নতুন আসা কারু পক্ষে লোন পাওয়া প্রায় অসম্ভব।

    ইউকেবেঙ্গলির পক্ষ হতে নতুন আসা শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে লন্ডনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার রাশেদ চৌধুরী জানান, সমস্যার মূল কারণ অনুসন্ধান ও এ-ব্যাপারে কোনো করণীয় থাকলে, সে-ব্যাপারে তারা সচেষ্ট হবেন। উল্লেখ্য, হাতে গোনা কয়েক-জন পাঠদানকারী আর যেনোতেনো কয়েকটি কক্ষ সম্বল করে গড়ে ওঠা পূর্ব লন্ডনের কিছু কলেজে ভর্তি হবার জন্যও এখন একেক জন শিক্ষার্থীকে গুনতে হচ্ছে হাজার তিনেক পাউন্ড; এর সাথে থাকছে এ্যাজেন্সীগুলোর মোটা-দাগের কমিশন। বিমান ভাড়া, কিছু কেনা-কেটা আর বিলেতে এসে প্রাথমিক খরচ হিসাবে ধরলে একেকটি ভিসার জন্য ব্যয় হচ্ছে বিপুল পরিমাণ অর্থ। সাম্প্রতিক সময়ে বিলেতে আসা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিম্মে পাঁচ থেকে সর্বোচ্চ আট লক্ষ টাকা খরচ হবার তথ্য পাওয়া গেছে। খুব সহসাই আয়-উপার্জনের ব্যবস্থা না হলে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা নিয়ে সাধারণ মধ্যবিত্ত বা নিম্ম মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো থেকে আগত শিক্ষার্থীদের মধ্যে এখন বিরাজ করছে তীব্র আশঙ্কা।

    ০৩ অক্টৌবর ২০০৯

পাঠকের প্রতিক্রিয়া

দেশের ছেলেরা লন্ডনে পড়াশুনা করতে এসেছে। এদের ব্যক্তিগত দোষ বের না করে বুদ্ধি-পরামর্শ দিন, যাতে করে তারা ন্যুনতম সম্মানটুকু নিয়ে পড়াশুনা শেষ করে দেশে ফিরে যেতে পারে।

You can have a go at Nipa but the fundamental problem lies with the Bangladesh authorities. Student visa clearly states taht one can work up to 20 hrs/week. If you are lucky enough to get a job it will help you to maintain yourself but you still need additional funding to continue with your studies.
The problem is that we are going through a very bad patch with economy and job market is very poor. I suggest that Government should take cognisense of this and check who can afford to come to England to study. There are lot of peo[ple get bad advise eg, that "Just get a student visa then do a F?t job, That is not going to work now.
Regards
Pin2

hi,im from a deep village of jaipurhat.my father too much compelled to go UK for higher study as well as earning lot of money. but i never listened to my father.i said to him"at first i will try to do something in BD if i fail i will try"inswallah i am doing job at grameenphone IT Ltd.this is good enough to stay well in BD.keeping respect to all i want to say all the student suffering in UK....please come back BD and try something.inswallah you will be succeed.
myfaridbd@live.com

Miss Nipa all the students of Bangladesh are illiterate ??I did''nt understand your "ENGLISH" because I am Bangladeshi and my mother tong is bangle..So it's not our Student's fault....Anyway ...I want to say ::If You are Bangladeshi and if your mother's tong was bangle then I'll say Your mentality and psychology is very very poor.Just I want to say we Want to HATE such types of person like you........

* comment removed by webmaster *

Ek raja rajjo dorshone beriyeche, tini ek doridro kutirer shamne giye dekhlem ekjon maa tar sontander mukhe khabar tule dite na pere kadchen aar shontanrao khidey kadche. Raja kannar hetu bujhte na pere montri-ke prosno korlen
Raja: Montri moshai, ora sob kadche keno?
Montri: Raja moshai, ora bhat khete na pere kadche.
Raja: Bhat khete pacche na, tate somossa ki. Bhat na khak, polao khelei to pare!!
jara nijera kokhono somossay poren ni, tara onek somoy onnoder somossa-ke ei Raja moshai-er motoy dekhe :O. Nipar likha pore tai mone holo.

Opportunities for Students in Canada
Seeking to attract and retain international students amongst fierce global competition, the Canadian government has made significant improvements to the student visa and related programs in order to strengthen Canada’s standing as a destination of choice for students.  
In order to obtain a study permit, the applicant must first be accepted by an elementary/secondary school, college, university or other educational institution in Canada. Applicants must demonstrate access to sufficient funds to pay for tuition and educational fees as well as living expenses and return transportation for themselves and any accompanying dependents. They must also satisfy Canadian immigration medical and security requirements. International student tuition fees vary widely by province and institution, with the current average exceeding $14,000 CDN per year for a university undergraduate program (although there are significantly lower cost options as well).
International students are allowed to work on campus without a work permit provided the educational institution is a public post-secondary institution such as a college or university, or a specified private institution.  Foreign students are eligible for off-campus work permits if they are a full-time student enrolled at a participating publicly funded post-secondary educational institution or an approved program at an eligible privately funded institution. The work permit authorizes the student to work up to 20 hours per week during regular academic sessions, and full time during scheduled breaks. Students must also demonstrate that they have been studying on a full time basis for 6 of the last 12 months at a participating institution and have maintained a satisfactory academic standing.
Graduates of approved post secondary institutions are eligible for a Post-Graduation Work Permit following completion of their studies. Students must apply under this program within 90 days of receiving written confirmation from their institution that they have met the requirements for completing the academic program. Work permits are valid for up to three years with no restrictions on the type of work or geographical location. The validity period of the work permit however cannot exceed the period of study at the Canadian post-secondary institution.
As a foreign graduate of a Canadian post secondary institution, applicants must meet certain minimum requirements to apply for permanent residence under the Canadian Experience Class.  They must plan to live outside the province of Quebec, have at least one year of full-time (or equivalent) skilled work experience in Canada pursuant to a work permit, and apply while working in Canada or within one year of leaving their job in Canada. Skilled work experience includes occupations classified under the National Occupational Classification (NOC) as Skill Type 0 (managerial occupations), Skill Level A (professional occupations) or Skill Level B (technical occupations and skilled trades).
Applicants who wish to apply under the Canadian Experience Class based on their Canadian educational credentials must have completed either a full-time Canadian post-secondary educational program of at least two years (i.e.: at least 16 months of school) or a one-year Master’s program plus an additional year of education obtained in Canada. English- or French-as-a-second- language courses do not count toward education requirements under the Canadian Experience Class nor do distance learning/online programs. The programs must be delivered by a private or public post-secondary educational institution such as a college or a university that is provincially recognized, or private CEGEP.
 
International students also have the option of applying under the Federal Skilled Worker Program, which accepts applications from international students residing legally in Canada for at least 12 months immediately prior to submitting their application. Applicants must meet program criteria including a minimum of 67 points assessed in relation to several factors such as age, education, work experience, English/French ability, and adaptability factors including previous study or work experience in Canada. Applications must also have at  least one continuous year of full-time, paid work experience or the equivalent in part-time continuous employment within the last 10 years in Skill Type 0, A or B of the NOC.
Certain provincial nominee programs (PNPs) also accept applications from foreign graduates. In Manitoba, for example, the applicant must have graduated from a post-secondary educational program of at least one academic year at a Manitoba institution, obtained a post graduate open work permit, received a formal offer of a full-time long-term job related to their field of studies from a Manitoba employer, and have been working for that Manitoba employer for at least six months. Grads from other Canadian provinces or territories may also be considered under MPNP if they have been working with the same Manitoba employer for at least six months on a post graduate open work permit and can demonstrate strong ties to Manitoba (such as friends or family).
The Alberta Immigrant Nominee Program accepts applications from former students who have completed a diploma, degree, or graduate level program a minimum of 2 years in length at an undergraduate level or a minimum of 1 year at a graduate level from a publicly funded community college, trade/technical school or university, or at a private institution authorized by provincial statute to confer degrees in Alberta. Former students with a diploma, degree, graduate level program from a publicly funded community college, trade/technical school or university in another province also qualify. The international graduate must have secured permanent full-time employment with an Alberta employer and be employed with that employer on a post-graduate work permit for a minimum of six months in a skilled occupation related to their field of study prior to applying to the AINP.
The Newfoundland Provincial Nominee Program accepts applications from international students who have graduated from a recognized Newfoundland and Labrador post-secondary educational institution. Applicants must demonstrate strong ties to the province and intend to live, work, and establish themselves in Newfoundland and Labrador.  The applicant must also have a full-time job offer from a Newfoundland and Labrador employer in his/her field of study or a related area, or a demonstrated attachment to the local labour market for at least six months with a reasonable expectation for future employment.
The Nova Scotia Provincial Nominee Program also has an International Graduate stream for applicants who have received a certificate, diploma, or degree from a recognized Nova Scotia post-secondary institution within the two years prior to application from a program of at least one academic year of full-time study in Nova Scotia and, as well as a work permit, a permanent, full-time job offer from a Nova Scotia employer in their field of study, and at least 3 months of work experience in the position.
International graduates with at least 6 months of work experience under a work permit with a Saskatchewan employer can apply for permanent residency under the Saskatchewan Immigrant Nominee Program.
Additional criteria apply to all provincial nominee programs and the Canadian Experience Class, as well as student visa applications. While applicants may intend to apply for permanent residency following the completion of their studies, they must also satisfy a visa officer that they will leave Canada following their studies assuming they fail to maintain legal status in Canada for any reason.
International students should also ensure prior to enrollment that their school and program are approved for the purpose of a Post-Graduation Work Permit as well as a permanent residency program if they plan exercising these options following graduation, as certain restrictions do apply.  Unfortunately some students have enrolled in or completed a program only to find out that they do not qualify due to the program itself or other factors.
The Canadian education system enjoys a great reputation worldwide, so students who intend to return to their home country also obtain benefits by attending school in Canada such as the opportunity to immerse themselves in an English or French environment, to learn about Canadian culture, and to generally expand their horizons in a country known as the best place in the world to live.
 Mahboobur Rahman B harm, M Pharm, MBA ( USA ), PGDBM (Canada)                 CEOImmigration Solutions Inc
418-171 Main Street North, Brampton, ON L6X 0H4 , CanadaEmail: immigration.solutions@yahoo.comDhaka office:2/21 Tajmahal Rd., Block-C, Dhaka-1207, Affiliate withCanada Immigration Group & Carroll- Fisher- Belding (Canadian Law firm)

 www.canadaimmigrationgroup.com

Hi Nipa,
 
Nice to read your comments.
Can i asked what r u doing in UK?
I think you are the same as a student. I think u are the big stupid in your life , I fell sorry for your parents becouse they coundnot educated you properly.
Is not your fult becouse you came from a deep village.
thanks
Nick
Canada

Hi Nipa,
 
Nice to read your comments.
Can i asked what r u doing in UK?
I think you are the same as a student. I think u are the big stupid in your life , I fell sorry for your parents becouse they coundnot educated you properly.
Is not your fult becouse you came from a deep village.
thanks
Nick
Canada

what a shame Nipa!i donot think so ,ur english is also good enough to get a good job(not store job or other clerical job,that kind of job can do anybody,it does not matter how good is ur english is).i know so many bangali so called ...girl who change there boy friend(white or black)to get some benefit(money,job....) & i think Nipa is one of them.A rationl & decent person never made a such comment,what nipa did....shame nipa.shame.

u nipa all talking like kids.  if u  commin uk for work u should apllied for working visa and for studying student visa. as a student ucan work maximum 20 hours a week.
lots of bd students working more then 36 hours  per week. So its their main duty to helps oncomming students. More then 20 hours work as a student illigal. ans is in ur pocket. I m not goin in depth.
Just tell me how many students ar commin uk for studying? We r all knows the fact. So stop fighting and keeps unity.
try to help them to survive.
 

* comment removed by webmaster *

Thank you Arif, for telling the truth. I am feeling sorry for all the dumb shit like Nipa!

@NIPA: Such a snob you are, I am ashamed of being a Bangladeshi that my country produces such a moron. Where do you think those village students came from? They came from parts of your country which make the base for snobs like you who brough up in Dhaka (I doubt) and lived your lives. I can imagine the shitty job you are doing here which does not require any skill. These people have the same skill as you do but they are just in a wrong time. Therefore, stop being a ***** just because you are from Dhaka and they are from villages. It doesn't make any difference. Now shut the ******** !!!! and get a life...
PS: I was born and brought up in Dhaka and I believe I owe to my village people and villagers for whom I am here today. We live on them.

ভাল কইছেন.....

একটু কঠিন ভাষা হয়ে গেল না....?

একটি ভোগবাদি সমাজ কিভাবে ব্যক্তিসতন্ত্রবাদী হতে শেখায় তার দারুন উদাহরণ এখানে কমেন্টের দু'একজন।কমেন্টকারিদের দোষ দেয়া যায়রা এই কারনে যে, তারা যে সামজে বসবাস করছে সেই সমাজটিই তৈরী হয়েছ ব্যক্তির চরম বিকাশের কথা বলে; মূলত তা পূঁজি এবং তার মুনাফা বিকাশেরই চরম বিকাশ এবং সাথে বিকারে পরিণত হয়েছ।বাংলাদেশ থেকে যারা যাচ্ছে তারা মূলত একটি জবের আশয়াই যাচ্ছে রাখ লাখ টাকা খরচ করে। দেশ কত খারাপ ঐসব উদ্যেমি তরুন তরুনিদের একটি জব এখানে দিতে পারছে না। ইংল্যান্ড এই সুযোগে গরিব দেশের মানুসের অনেক টাকা কামিয়ে নিয়েছে। গালি দিলে সত্যিকারর্থে এই দুই দেশের ভন্ড মাসকদের দেয়া উচিত

Nipa You are stupid.
Like animal....................

You are stupid.
Like animal....................

এই খবর তাইলে ?

এ জন্য দায়ি আমাদের লোভী ভাইয়েরা।এতে দেশ টা পঙ্গুই হচ্ছে।

why the students from villeges must need to suffer? as they have recieved the visa that means they have fulfilled all the requirement of BHC.
I really feel sorry for people those who like Nipa. I don't think so they could be name as a human rather than heartless beast.
 

I support you Nipa.
I believe those student have gone there from Dhaka they are really fine. And all those stupid students from villages must suffer and should suffer.

All you have written here is false. I am living in London but I am having a job. All the stupid students do not get jobs. This is because they are stupid and illiterate. They do not know English and they are from villages. So if I were a British person I would not give them a job. How they think they could deserve a job in London. Kick them back to Bangladesh. And let London be free of these packs.
Nipa
Piccadelli, London

Thanks for the feature. Such information should be published in the Bangladeshi newspapers more and more to develop awareness.

thanks for this report. Sounds very useful for those yet to arrive in UK!

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন