• ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল মতিনকে নিয়ে বিতর্ক ভিত্তিহীন
    সাক্ষাতকার দিয়েছেন: 
    আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম

    গত ২৮ এপ্রিল বাংলাদেশের আইন প্রতিমন্ত্রী এডভৌকেট কামরুল ইসলাম স্টকহৌমে শ্যারহোলমেন শপিংমলের একটি রেঁস্তোরাতে দলীয় সদস্যেদের সাথে এক মত-বিনিময় সভায় মিলিত হন। স্থানীয় সময় সন্ধ্যে ৬টায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সুইডেন শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় আইন প্রতিমন্ত্রীর ছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমদ। দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে মত-বিনিময়ের ফাঁকে আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলামের সঙ্গে বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে কথা বলেন ইউকেবেঙ্গলির সুইডেন প্রতিনিধি চিত্রা পাল। সাক্ষাতকার গ্রহনের এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগ সুইডেন শাখার সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবিরের বাধার মুখে প্রতিমন্ত্রীর সাথে পুরো আলাপ টেইপ-রেকর্ডারে ধারন করা সম্ভব হয়নি। অসম্পূর্ণ সাক্ষাতকারটি পড়ুন নীচেঃ

    ইউকেবেঙ্গলিঃ ১৯৭১ সালের প্রেক্ষাপটে ‘যুদ্ধাপরাধ’ এবং ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ শব্দ দু’টির অর্থ এবং ব্যবহারিক পার্থক্যের ব্যাখ্যা কিভাবে করবেন আপনি?

    কামরুল ইসলামঃ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তান হায়েনারা বাঙ্গালীদের  হত্যা , ধর্ষন, ঘরবাড়ি লুন্ঠন, অগ্নিসংযোগ এসব মানবতাবিরোধী কাজ করে এবং সেই সময় আমাদের দেশের যেসব দোসর হত্যাকারীদের এহেন জঘন্য ঘৃন্য মানবতাবিরোধী কাজে সাহায্য করা ছাড়াও নিজেরাও অংশগ্রহন করেছিলো, তারাই মূলতঃ যুদ্ধাপরাধী এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের অপরাধী। আমার কাছে এদুটো শব্দের আলাদা কোন অর্থ নেই। যুদ্ধ্বের সময় যারা উল্লেখিত মানবতাবিরোধী কাজ করেছে তারাই যুদ্ধাপরাধী। সেক্ষেত্রে মানবতা বিরোধী অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধকে আলাদাভাবে সংজ্ঞায়িত করার কোন অবকাশ নেই।

    ইউকেবেঙ্গলিঃ যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিয়োগ পাবার মানদন্ডের কথা আপনি আগে মিডিয়ার সামনে বলেছেন। কিন্তু ট্রাইব্যুনালের তদন্ত শাখার প্রধান আব্দুল মতিনের নিয়োগ নিয়ে অনেকেই হতাশ এবং ট্রাইব্যুনালের ভবিষ্যত নিয়ে শংকিত। শোনা যায়, তদন্ত প্যানেল প্রধান নিয়োগে সরাসরি আপনার ভূমিকা ছিলো। এ-ব্যাপারে আপনার মন্তব্য?

    কামরুল ইসলামঃ আপনাদের অনেক প্রশ্নের উত্তর এই মুহুর্তে আমার জানা নেই। আমি যা জানি শুধু তারই উত্তর দিতে পারবো। মিষ্টার আব্দুল মতিনকে নিয়ে যে সব প্রশ্নের অবতারনা হচ্ছে তা সম্পূর্ন ভিত্তিহীন। এসব ষড়যন্ত্রকারীদের প্রপাগান্ডা। তিনি একজন সাবেক জেলা জজ। আমরা তার সততা দক্ষতার মূল্যায়ন করে এবং তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বলে তাকে এবং অন্যান্যদেরকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছি। অথচ মতিন সাহেবকে নিয়ে বিতর্ক ছড়ানো হচ্ছে।  এসব অভিযোগ এবং প্রশ্নের কোন বৈধতা নেই।

    আইন প্রতিমন্ত্রী আরো জানান ১৯৭১ সালে এবং ২০০৯ সালে একই ভাবে গণজাগরনের সৃষ্টি হয়। এই গণজাগরনের সবচেয়ে বৃহৎ শক্তি ছিল ছাত্র-ছাত্রী ও তরুন প্রজন্ম। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা ব্যাহত করার চেষ্টা হয়েছে। তারপরও সরকার সেটা নিষ্পত্তি করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, অনেকে বলছেন আমরা কেন নামকরা আইনজীবি নিয়োগ দেইনি।  এটা কোন প্রশ্ন হতে পারে না। আমাদের মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য ছিল ট্রাইব্যুনালে সেসব লোকদের নিয়োগ দেয়া যাদের আছে সততা, বিজ্ঞতা ও সাহসিকতা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় রয়েছে অগাধ বিশ্বাসী।

    আমি বলতে চাই, ট্রাইব্যুনালে বাংলাদেশের প্রথম সারির আইনজীবিদের রাখা হয়েছে। বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে সংবিধান কাটাছেঁড়া করা হয়েছে। দালাল আইন বিলোপ করা  হয়েছে। এসব কাজে মওদুদ আহমেদের মত আইনজীবিরাও ছিলেন। তাদের কি এখানে রাখা যায়? ২৫ হাজার আইনজীবি আমাদের সাথে আছেন। তাদের সাথে নেই। একাত্তরের ঘাতক এবং বঙ্গবন্ধুর ঘাতককে বিচ্ছিন্ন করে দেখার কোন সুযোগ নেই। আমরা সাহসী আইনজীবিদের নিয়োগ দিয়েছি।

    আইন প্রতিমন্ত্রী প্রসঙ্গত উল্লেখ করেন যে জামাতের শাখা-প্রশাখা পৃথিবীর সর্বত্র। এদের আয়ের উৎস সরকারী নিয়ন্ত্রনে আনা না গেলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে তারা সংঘাত সৃষ্টি করবে। তার সরকার উদ্দেশ্যমূলক ভাবে গত ১৪ মাসে কাউকে বিব্রত করেনি বলেও উল্লেখ করেন কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমরা গনতন্ত্রকে সুসংহত করতে চাই। জবাবদিহিতার কারণে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) কিছু সংশোধনী এনেছি। যেটা আগে ছিল না। আগে দুদক শুধু রাজনৈতিক হয়রানি করেছে। তার মতে বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশন ও বিচার বিভাগ বর্তমানে স্বাধীন। সংবাদ পত্র এবং গনমাধ্যম স্বাধীন।

    ইউকেবেঙ্গলিঃ শোনা যায় খোদ আওয়ামি লীগেও যুদ্ধাপরাধী আছে এবং তারা এ বিচারের বিপক্ষে। এ-ব্যাপারে আপনাদের বা সরকারের অবস্থান কোথায়?

    কামরুল ইসলামঃ যুদ্ধাপরাধের বিচার আমাদের নির্বাচনের অঙ্গীকার। তদন্ত শুরু হয়ে গেছে। তদন্ত কমিটির সাথে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর দীর্ঘ বৈঠক হয়েছে। মাসে এক বার বৈঠক করার সিদ্ধান্তও নিয়েছি আমরা, যাতে এই বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে। ঘাতকরা আমাদের মধ্যে ফাটল ধরাতে বদ্ধ-পরিকর। আপনাদের কাছে আমার আবেদন বর্তমান সরকারের পাশে থাকুন।

    [ সাক্ষাতকারটি গ্রহনের দুই দিনের মাথায় ৩০ এপ্রিল, ঢাকায় এক আলোচনা-সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা ডঃ আলাউদ্দিন আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, তদন্ত সংস্থার প্রধান আব্দুল মতিন মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যায় মদদদানকারী ইসলামী ছাত্র সংঘের, যা পরে ছাত্র শিবির নামে আত্মপ্রকাশ করে, সদস্য ছিলেন।  প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার অভিযোগের ব্যাপারে কথা বলার জন্য আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন ধরনের মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন। ]

    ০২/০৫/১০

     

পাঠকের প্রতিক্রিয়া

অসাধারণ একটা কাজ হয়েছে, ইউকেবেঙ্গলি! শাসকগোষ্ঠীর নির্লজ্জ দ্বিচারী চরিত্র নির্মমভাবে প্রকাশিত হয়ছে।

এই আওয়ামীলগের ওপরমহল '৭৫ এর আগেই স্বাধীনতাবিরোধীদের সাথে ফয়সালা করে ফেলেছিল। বাকী ছিল কেবল রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠা দেয়া, যে কাজটা করেছে জেনারেল জিয়া এসে। এই তো মাত্র সেদিন, শেখ সেলিম তার বড় ছেলে শেখ ফজলে ফাহিমের বিয়ে দিয়েছে রাজাকার নুলা শমসের এর মেয়ে ন্যন্সীর সাথে! কি চমৎকার রাজাকার আর তথাকথিত 'স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির' মেলবন্ধন!

এই আওয়ামীলিগ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে তাদের রক্ষার ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায়, ট্রাইবুনালের তদন্তের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে জামাতের স্টুডেন্ট ফ্রন্টের মেম্বারকে!

১৫ কোটি জনগনের সাথে এই প্রতারণা আর বেঈমানী, সকলে রুখে দাঁড়ান।

The interview of the State Minister for Law and Parliamentary Affairs taken by Chitra Paul rightly shows how the present government ministers are trying to cover up the sensitive issues of Jamaat-BNP's destructive works for our nation and how they are indirectly supporting the Jamaat activities which they had done during our Liberation War in 1971. The state minister could not answer straight forward the questions he was asked by the interviewer. It is shame for this government. How could a person like Abdul Matin, be choosen to be the chief of the investigation committee of the War Criminals? Who proposed Abdul's name? Why did not the high command of the party and the highest personality of the state, the PM or the President or any other ministers did not check the name or proposals for the position? Is it not a shame for our nation as a whole?
The nation as a whole and the international community are just watching what the government does to bring to justice the war criminals but if after 17 months the government takes the first step which probes to be wrong, how can we expect that true justice will be promoted? How can we be sure that the war criminals will be really brought under trial and be punished? Can we really rely on this government who claims themselves secular and progressive? Already 17 months are passing by without taking any concrete step on this issue which was in the AL Election manifesto. People believed them and the election was a true silent revolution against BNP-Jamaat. People have experienced their atrocious and barbaric brutal rule and so silently they have supported Awami League. But will AL be able to keep up the trust the nation put on them? AL should not do the same mistake they have done in the past when they signed the Peace Treaty with the CHT in 1997 but did not take any concrete step to implement it for which the BNP-Jamaat could bring lots of changes in the treaty and in some way denied it. The most sufferers were and are the adivasis of the CHT.
The main question here about the selection of Abdul Matin as chief investigator for the War criminals is, was not the Home Minister involve in this process? How could it be possible that this person was choosen for such position without any verification or investigating his past life? Or is there someone who has good family links with this man and because of personal contact he was choosen? We know that although AL and BNP-Jamaat are in two directions in the parliament, many of these elected members of Parliament of the AL have family relationship with Jamaat or BNP leaders. They bear double face - one for parliament and one for their family.
Therefore, I hope the high command of the goverment and AL will be more careful about her party members and the activities of her ministers. She should remember the ultimate responsibility lies on her for all the decisions taken by her government/ministers or offices.

Rosaline costa Answer these question first !! please

একটি এনজিও হটলাইন হিউম্যান রাইটস বাংলাদেশ এবং তার প্রধান রোজালিন ডি কস্তা ধর্মীয় সংখ্যালঘু খ্রিষ্টান-আদিবাসীদের নামে বিদেশ থেকে আনা কোটি কোটি টাকার ডলার ইউরো লুটপাট করে খাচ্ছেন। বিগত দুই যুগ ধরে এই লুটপাট চলছে বিরামহীনভাবে, বাধাহীনভাবে। সরকারের তরফ থেকে বিপুল অংকের এই বিদেশী ডোনেশন অডিট করাও হয় না। তদুপরি সংগঠনের প্রধান প্রতি মাসে অর্ধলক্ষাধিক টাকার বেতন-ভাতা ছাড়াও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করছেন। কিন্তু একই সংস্থার সাধারণ কর্মচারী যারা দিনরাত পরিশ্রম করেন তারা নামমাত্র পারিশ্রমিকের বিনিময়ে কাজ করে যাচ্ছেন। দুর্নীতির এখানেই শেষ নয়, হটলাইন হিউম্যান রাইটস বাংলাদেশ নামের এই এনজিওটির এনজিও ব্যুরো থেকে পাওয়া কোন রেজিষ্ট্রেশন নেই। সংস্থা প্রধান বছরে প্রায় লাখ টাকার বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করলেও তিনি সরকারকে একটি কানা কড়িও কর দেন না। ব্যাপক অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসছে রোজালিন ডি কস্তা ও তার সংস্থার ভেতরের অনিয়ম-দুর্নীতি ও লুটপাটের নানান চিত্র।

সূত্র জানায়, কমার্শিয়াল ব্যাংক অফ সিলন ঢাকাস্থ মতিঝিল শাখার সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর ৮১১৬৭৫৪০০০। সরকারের নাকের ডগায় এই হিসাবের মাধ্যমে গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কোটি কোটি টাকার অর্থ লেনদেন হয়েছে রোজালিন ডিয কস্তার নামে। সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে বিদেশী ডোনেশন এনে তা লুটপাট করা হয়েছে। জার্মানীর একটি দাতা সংস্থা ‘মিসরিয়র’ মানবাধিকার প্রকল্পের নামে (প্রকল্প নম্বর- Project No: 306-900-1045) জানুয়ারি ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০০৯ পর্যন্ত প্রকল্প মেয়াদের জন্য রোজালিন ডি কস্তা ৩৮,৭৫৭ দশমিক ৫৬ ইউরো পেয়েছেন মিসরিয়র থেকে। যা বাংলাদেশী মুদ্র্য়া ৩৪ লাখ ৮৮ হাজার ৯০ টাকার সমপরিমাণ।

সূত্র মতে, গরীব ও দুস্থ-অসহায় ধর্মীয় সংখ্যালঘু আদিবাসী বা খ্রিষ্টান স¤প্রদায়ের লোকদের আইনি সহায়তা প্রদানের নামে মূলত: এই সংস্থায় কেউ আসলে তার কাছ থেকে একটি লিখিত দরখাস্ত গ্রহণ করে তাকে পাঠিয়ে দেয়া হয় অন্য কোন সংস্থায়, যারা আইনগত সহায়তা দিয়ে থাকে। উদাহরণ হিসেবে এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে ব্লাষ্ট এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্র। কিন্তু এই সংস্থার দুই বছরের আইনী সহায়তা ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ৫১০ টাকা। তাছাড়া এই সংস্থায় ৫ বছরের বেশি সময় ধরে কর্মরত এক নারী কর্মী আজও বেতন বৈষম্যের শিকার। অথচ সংস্থার প্রধান হিসেবে কো-অর্ডিনেটরের মাসিক বেতন হলো সাড়ে ৫৫ হাজার টাকা।

সূত্র আরও জানায়, বাংলাদেশ সম্বন্ধে তার অপপ্রচারণার প্রমাণ পাওয়া যায় ডক্টর মোহাম্মদ ওমর ফারুকের লেখায় (সূত্র:www.banglarights.net/situation/situation-23.htm)। এছাড়া সাতক্ষীরার ন্যাশনাল ব্যাংক, ঢাকার উত্তরা ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংকসহ অন্য একাধিক ব্যাংকের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন সময়ে মানবাধিকারের নামে মোটা অংকের বিদেশী ডোনেশন এনে তা লুটপাট করছেন। আমেরিকা, জার্মান ও নেদারল্যান্ড এর বাংলাদেশস্থ দুতাবাসের কতিপয় কর্মকর্তার নাম ভাঙিয়ে এই রোজালিন কস্তা তার দুর্নীতি ও লুটপাট অব্যাহত রেখেছেন। একইভাবে তিনি জাতিসংঘের কাছ থেকে আনা ফান্ডের টাকাও লুটপাট করেছেন। বিষয়টির সরকারিভাবে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত হওয়া জরুরি।

Attachment documents:
‘Mass corruption of Rosaline Costa and NGO business in Bangladesh’
A NGO activist Rosaline Costa in Bangladesh often said that “I become a stone hill after working decades in the Ngo filed, the one who will try to hit me with rod the rod will broke”. Yes, she is true indeed! She becomes a billionaire from an expelled Nun from the Holy Catholic Church. Before she had nothing but now she earns an amount of 54000 thousands every month from the Hotline Human rights Bangladesh. This Ngo Hotline is registered as under the social welfare ministry of Bangladesh but illegally bringing an amount of Euro 38757.56 per year as foreign donation from a German based donor agency MISEREOR. Rosaline and Hotline often talks about the accountably and responsibility of the government and different government instruments, but the question is now who will question about the accountability of huge foreign donation she is getting to protect the minorities.

The minorities and the government should ask this organization to give details of every penny for the decades she is bringing to protect the minorities under the project number of Project No: 306-900-1045 of German donor agency in different bank account including under the account of Commercial Bank of Ceylon, Dilkusha branch Ac no:8116754000.

The question is, Rosaline often talks a lot in different international platform like US congress in different Human rights caucus, European parliament and in different place about the irregularities of Bangladesh government. Now this is open question, is this not illegal to bring foreign fund without said permission from the government. The question is who gave her permission to do illegal works like this.

Even she had channel huge money from UN also in the name of this human rights organization in National Bank Ltd, Satkhira Branch 32-33 Old College Road, Sultanpur Bazar Satkhira, Bangladesh.

The question is, why the government is silent about this illegal business of Rosaline Costa, I don’t know who was benefited from this organization. But she indeed get a lot by suppressing other in that organization. While she is getting an amount of 55,723 per month, the poor other workers in that organization are getting 7,500 per months. She said that she echoes for human rights and equality. There is no equality and human rights in her organization.

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd>
  • Lines and paragraphs break automatically.

লেখা ফরম্যাট করার বিষয়ে আরো তথ্য

আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন