• আন্তর্জাতিক আদালত গাদ্দাফির বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেছে
    Muammar-Gaddafi-indicted.jpg

    ইউকেবেঙ্গলি, ২৭ জুন ২০১১, সোমবারঃ  আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত - আইসিসি - লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি, তার পুত্র সাইফ আল-ইসলাম ও লিবিয়ার গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান আব্দুল্লাহ আল-সেনুসির বিরুদ্ধে আনীত মানবতা-বিরোধী অপরাধের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেছে।

    উল্লেখ্য, গত ২৬ ফেব্রুয়ারীতে জাতিসঙ্ঘের সুপারিশে আইসিসি’র চীফ প্রোসিকিউটার লুইস মোরেনো-ওকাম্পো গাদ্দাফির বিরুদ্ধে ‘অপরাধ তদন্ত’ শুরু করেন এবং যথেষ্ট ‘প্রমান’ সংগ্রহ করে ১৬ মে আইসিসির কাছে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করার আনুষ্ঠানিক ‘অনুরোধ’ জানান।

    সোমবার, এরই ধারাবাহিকতায়, আইসিসি প্রিসাইডিং জাজ সানজি মাসেনোনো মোনাগেং সে-অনুরোধ কার্যকর করেন এবং বলেনঃ অপরাধ ঢাকা ও আরও অপরাধ করা থেকে নিবৃত্ত করার জন্য গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গাদ্দাফী সমর্থিত লিবিয়া-সরকার জাতিসঙ্ঘের প্রস্তাব থেকে শুরু করে, লিবিয়া আক্রমণ, বিদ্রোহীদের সহযোগিতা ও স্বীকৃতি-দান এবং  আন্তর্জাতিক আদলতের অভিযোগ পর্যন্ত মূলতঃ দেশটির প্রাকৃতিক সম্পদ দখল করার একটি ‘পশ্চিমা ষড়যন্ত্র’ বলে দাবী করে আসছে। তারা গাদ্দাফির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগও 'ভিত্তিহীন' বলে অস্বীকার করে আসছে।

    এদিকে আরব লীগ, আফ্রিকা ইউনিয়ন, রাশিয়া, চীন ও সর্বশেষ ইতালী যেখানে লিবিয়া সঙ্কটের রাজনৈতিক সমাধানের কথা বলছে, তখন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের জারীকরা গ্রেফতারী পরোয়ানা গোটা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে বলে প্রতিভাত হচ্ছে।

    তবে বুঝা যাচ্ছে, যে-কোনো মূল্যে গাদ্দাফিকে সরানোর জন্য আগ্রহী ব্রিটেইন ও এই গ্রেফতারী পরোয়ানাকে একটি গাদ্দাফির উপর একটি অতিরিক্ত চাপ হিসেবে ফলদায়ক হবে বলে মনে করছে।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেইগ - যিনি ‘গাদ্দাফি ভেনিজুয়েলাতে পালিয়ে গিয়েছেন’ বলে গুজব ছড়িয়েছিলেন - বলেন, ‘এই গ্রেফতারী পরোয়ান আবার দেখাচ্ছে যে কেনো গাদ্দাফি তার সমস্ত বৈধতা হারিয়েছেন এবং কেনো তাকে অতিসত্ত্বর যেতে হবে।’

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন