• ইউক্রেনে সরকার-বিরোধীরা পশ্চিমা সাহায্য চায়ঃ 'জনগণের পাশে' থাকবে যুক্তরাষ্ট্র
    ukrain_anti_govt_protesters_take_down_lenin_statue.jpg

    ইউকেবেঙ্গলি - ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ শনিবারঃ ইউক্রেনের সরকার-বিরোধী আন্দোলকরা পশ্চিমা শক্তিগুলোর সহায়তা কামনা করেছে। জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রী জন কেরি আশ্বাস দিয়েছেন, তাঁর দেশ ইউক্রেনের জনগণের পাশে থাকবে। আজ জার্মানীতে দ্য মিউনিক সিকিউরিটি কনফারেন্সে যোগ দেয়া কেরির সাথে সাক্ষাতের কথা রয়েছে আন্দোলকদের একটি প্রতিনিধি দলের । খবর রয়টার্স, বিবিসি ও দ্য ইণ্ডিপেণ্ডেণ্টের।

    গত নভেম্বরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ যখন আশা করছিলেন, অর্থ-সহায়তার জন্য তাদের সাথে বাণিজ্য চুক্তিতে সম্মত হবে ইউক্রেন। কিন্তু দেশটির প্রেসিডেণ্ট ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ তার বদলে প্রতিবেশী ও ঐতিহ্যিকভাবে দীর্ঘদিনের অংশীদার রাশিয়ার কাছ থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলারের অর্থ-সাহায্য গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। এর বিরোধীতায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন-পন্থীরা সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে শুরু করে।

    রাজধানী কিয়েভের রাজপথে প্রথমে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ শুরু হলেও ক্রমাগত তা সহিংস হয়ে ওঠে। প্রায় তিনমাসের এ-বিক্ষোভে এ-পর্যন্ত অন্ততঃ ৬ ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন। সরকার বিক্ষোভ-সমাবেশ নিয়ন্ত্রণের একটি নতুন আইন প্রনয়ণ করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। গত সপ্তায় পদত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী। সরকার বিক্ষোভ-বিরোধী আইন বাতিল করে এবং আটক আন্দোলকদের সাধারণ ক্ষমা মঞ্জুরের একটি নতুন আইন পাশ করে। তবে এতেও বিক্ষোভ প্রশমিত হচ্ছে না।

    গতকাল সরকার-বিরোধীরা সরাসরি পশ্চিমা সহায়তা চেয়েছেন। তাঁদের মতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের উচিত মৌখিক সমর্থনের চেয়েও বেশি কিছু করা। সরকার-বিরোধীদের একটি প্রতিনিধি দল  গতকাল জার্মানীর পররাষ্ট্র মন্ত্রী ফ্র্যাঙ্ক-ওয়াল্টার স্টেইনমেরিয়েরের সাথে সাক্ষাত করে এসব অনুরোধ জানান।

    মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী জন কেরি আজ বলেছেন, "যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন [গণতন্ত্রের] সংগ্রামে ইউক্রেনের জনগণের পাশে রয়েছে।" গত সপ্তা-দুই ধরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান শক্তি জার্মানী ক্রমাগতভাবে ইউক্রেনের সরকার সমালোচনার মাত্রা বাড়িয়েছে। এক পর্যায়ে চ্যান্সেলর এ্যাঙ্গেলা মার্কেল যোগ দেন ইউক্রেনীয় সরকারের সমালোচনায়। এ-সপ্তায় তিনি টেলিফৌনে প্রেসিডেণ্ট ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ ও রাশিয়ার প্রেসিডেণ্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাতেহ কথা বলে দ্রুত শান্তিপূর্ণ সমাধানের অনুরোধ জানান।

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন