• ইরানী বিজ্ঞানী হত্যায় মার্কিন ও ব্রিটিশ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগঃ দু-দেশকে চিঠি
    Iran-protest-killing.jpg

    ইউকেবেঙ্গলি - ১৪ জানুয়ারী ২০১২, শনিবারঃ  গত বুধবারে ইরানের পারমাণবিক প্রকল্পের বিজ্ঞানী মোস্তাফা আহমাদি-রোশানকে হত্যার পেছনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেইনের হাত আছে বলে অভিযোগ করে লণ্ডন ও ওয়াশিংটনকে চিঠি লিখেছে তেহরান।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে ইরানের বিদেশ মন্ত্রণালয়ের লিখিত এ-চিঠিতে অভিযোগ করে বলা হয়েছে যে, ইরানের কাছে প্রমাণ ও নির্ভরযোগ্য তথ্য রয়েছে যে এ-হত্যার সাথে সরাসরি জড়িত খুনীদেরকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ পরামর্শ, পরিকল্পনা ও সমর্থন যুগিয়েছে।

    ইরানী বার্তাসংস্থা ইরনার বরাত দিয়ে পশ্চিমী সংবাদ-মাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যে লেখা চিঠিটি সুইস দূতাবাসে পৌঁছে দেয়া হয়েছে, কারণ ইরানে মার্কিন দূতাবাসের অনুপস্থিতিতে দেশটির কূটনৈতিক দিকগুলো দেখাশুনা করে তেহরানে সুইস দূতাবাস।

    ব্রিটেইনের কাছে পাঠানো চিঠিতে ইরান এ-হত্যাকাণ্ডে ব্রিটেইনের 'স্পষ্ট ভূমিকা' রয়েছে বলে দাবী করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, ব্রিটিশ গোয়েন্দা-প্রধান স্যার জন স্যাওয়ার্স ২০১০ সালে ইরানের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা হানা চালাবার পর থেকেই এ-রকম হত্যাকাণ্ডের বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। উল্লেখ্য, গত দু-বছরের মধ্যে সর্বশেষটি হচ্ছে ৫ম হত্যাকাণ্ড এবং প্রতিবারই আততীয়কে মোটর সাইকেল ব্যবহার করতে দেখা যায়।

    এদিকে ব্রিটিশ বিদেশ মন্ত্রণালয় বেসামরিক ব্যক্তি হত্যার নিন্দা জানিয়েছে এবং মার্কিন বিজ্ঞানী হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরপত্তা পরিষদের মুখপাত্রও ইরানে বিজ্ঞানী হত্যাকাণ্ডের সাথে তাঁর দেশের কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবী করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের ‘তীব্র নিন্দা’ জানিয়েছে।

    একের পর এক দেশের পাঁচ বিজ্ঞানীকে হত্যার প্রতিবাদে ছাত্ররা তেহরানে তীব্র বিক্ষোভ প্রকাশ করে, হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেবার জোর দাবী জানান।

    ইরানের সশস্ত্র বাহিনী-সমূহের মুখপাত্র জেনারেল মাসউদ জাযায়েরি বলেছেন, পর্দার অন্তরালে থেকে যারা এ-হত্যাকাণ্ডগুলো করছে, তাদের শায়েস্তার বিষয়ে পর্যালোচিত হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন