• চীনা সাবমেরিন কিনছে বাংলাদেশঃ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রৌন মোতায়েন করবে দুঃচিন্তিত ভারত
    bangladesh_buy_submarine_india_deploy_drones.jpg

    ইউকেবেঙ্গলি - ৩ ডিসেম্বর ২০১৩, মঙ্গলবারঃ বাংলাদেশ চীনের কাছ থেকে দু'টো সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ কিনবে এমন সংবাদে বিচলিত ভারতের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। একই সাথে তাঁদের সন্দেহ চীনের ডুবোজাহাজ প্রায়শঃই গোপনে বঙ্গোপসাগরে আসা-যাওয়া করছে। পাল্টা ব্যবস্থায় বঙ্গোপসাগরে বিচরণ বাড়ানোর পদক্ষেপ নিচ্ছে ভারত, যার অংশ হিসেবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রৌন মোতায়েন করা হবে - উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে এ-সংবাদ জানাচ্ছে টাইমস অফ ইণ্ডিয়া।

    "বাংলাদেশের কেনো ডুবোজাহাজের প্রয়োজন পড়বে?" প্রশ্ন তুলেছেন ভারতীয় নৌবাহিনীর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তিনি বলেন, "আমাদের সন্দেহ চীনের ডুবোজাহাজ বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় জল-সীমায় ঢুকে পড়ছে", যদিও তিনি স্বীকার করেন চীনা ডুবোজাহাজের উপস্থিতি এখনও নিশ্চিতভাবে নিরূপিত হয়নি। তিনি বলেন, "[এ-দুই] কারণই যথেষ্ট বঙ্গোপসাগরে আমাদের নৌ-উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য।"

    এ-পরিস্থিতিতে প্রস্তাবিত ভারতীয় সামরিক ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত সাগর দ্বীপে একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র স্থাপণ এবং বেহালা বিমান-ঘাঁটি থেকে ড্রৌন উড্ডয়নের ব্যবস্থা করা।

    ভারতীয় নৌবাহিনীর পশ্চিম বাংলা অংশের প্রধান কর্তা কমোডর রবি আহলুওয়ালিয়া বলেছেন, "সাগর দ্বীপের ব্যপক কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে। এখানে ভূমি-থেকে-জাহাজে ও ভূমি-থেকে-আকাশে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের প্রয়োজন পড়বে।" এ-ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা আরও বিস্তৃত করা হবে ইঙ্গিত দিয়ে তিনি আরও বলেন, "ধীরে ধীরে এখানে ট্রাকে-বসানো মোবাইল ক্ষেপণাস্ত্রও আনা হবে। প্রয়োজনে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র জোগাড় করা হবে"।

    ড্রৌন মোতায়েন সম্পর্কে ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রস্তুতিও এগিয়ে চলেছে। কমোডোর আহলুওয়ালিয়া জানান, "বেহালা এয়ারফীল্ডে ভূমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে।" ড্রৌনে পরিচালনার পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, "বেহালা থেকে উড্ডয়ন করবে এগুলো, তবে তার পর-পর সাগরদ্বীপের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এগুলোর ভার নেবে।"

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন