• টিপাইমুখে নামতে পারেনি বাংলাদেশী পর্যবেক্ষক দলঃ ১৩ জনের ১০ জনই সাংবাদিক
    india_tipaimukh_dam_protest_rally_in_manipur.jpg

    ইউকেবেঙ্গলি - ৮ জুন ২০১২, শুক্রবারঃ  হেলিপ্যাড ভেজা থাকায় টিপাইমুখের প্রকল্প-স্থলে অবতরণ করতে পারেনি বাংলাদেশের পাঠানো পর্যবেক্ষক দল। তেরো সদস্যের দলটি - যার দশ জনই সাংবাদিক - ভূমিতে অবতরণে ব্যর্থ হয়ে ভারতীয় বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারে চড়ে আকাশ-পথেই তাদের পর্যবেক্ষণ কাজ সারেন বলে জানিয়েছে প্রেস ট্রাস্ট অফ ইণ্ডিয়া।

    এর আগে ২০০৯ সালের জুলাই মাসে একটি সংসদীয় পর্যবেক্ষক দল পাঠিয়েছিলো বাংলাদেশ। সেবারও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দলটি স্থল-পথে প্রকল্প-স্থলে যেতে পারেনি - হেলিকপ্টারে করে পরিদর্শন করে এসেছিল। যদিও পর্যবেক্ষকরা ফিরে এসে জানিয়েছিলেন যে, টিপাইমুখে তাঁরা কোনো বাঁধ বা স্থাপনা দেখতে পাননি।

    বহুল আলোচিত-সমালোচিত টিপাইমুখ বাঁধ বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি, পরিবেশ ও নদী-নালার উপর কী ধরণের প্রভাব ফেলবে তা নির্ধারণ করতে বাংলাদেশ এ-পর্যবেক্ষক-দলটি পাঠিয়েছে ভারতের আসামে। প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা ন্যাশলান হাইড্রোলিক পাওয়ার কর্পোরেশনের উচ্চপদস্থ কয়েকজন কর্মকর্তা ও ভারত সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিডিয়া লিয়াজোঁ অফিসার রঞ্জন মণ্ডল বাংলাদেশী পর্যবেক্ষক-দলের সাথে ছিলেন।

    তবে প্রশ্ন উঠেছে, এ-ধরণের একটি জটিল প্রকৌশলগত প্রকল্প পর্যবেক্ষণ ও তার বিরূপ প্রতিক্রিয়া নির্ধারণে সাংবাদিকরা কী ধরণের ভূমিকা রাখতে পারে, সে-নিয়ে। তার জন্য প্রয়োজন বিশেষজ্ঞ-মতামত, যারা প্রকল্পের প্রকৌশলগত দিক নিয়ে খুঁটিনাটি পর্যালোচনা করে এর সম্ভাব্য প্রভাব নির্ধারণ করবেন।

    'এ-বাঁধ হলে সুরমা-কুশিয়ারা-মেঘনা নদীতে ব্যাপক মাত্রায় বিরূপ প্রভাব পড়বে', ভারতীয় ও বাংলাদেশী বিশেষজ্ঞদের এমন মতামতের ভিত্তিতে বাঁধ-স্থলের ভাটির মানুষ তথা ভারতের মণিপুর, আসাম প্রভৃতি রাজ্য ও বাংলাদেশের মানুষ এ-প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছে। অবশ্য ভারত বরাবর বাংলাদেশকে আশ্বস্ত করে আসছে যে, বাংলাদেশের ক্ষতি হয় এমন কোনো প্রকল্প ভারত নেবে না।

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন