সংবাদ পরিক্রমা
সংবাদ প্রতিবেদন
- ডাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফৌরামের বার্ষিক সভাঃ শুরু হলো পুঁজিবাদের ভবিষ্যত বিতর্কে

ইউকেবেঙ্গলি - ২৫ জানুয়ারী ২০১২, বুধবারঃ ৬৬ বছরের মধ্যে তীব্রতম তুষারপাত ও পুঁজিবাদ-বিরোধী 'অকুপাই ডাভোস' বিক্ষোভের মধ্যে সুইৎজারল্যাণ্ডের ডাভোস শহরে আজ থেকে শুরু হয়েছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফৌরামের বার্ষিক সভা, যা আগামী ২৯ তারিখে শেষ হবে। 'বিংশ-শতকের পুঁজিবাদ কি একবিংশ শতকের সমাজকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে?' - এমন বিতর্ক দিয়ে শুরু হয়েছে সভার প্রথম অধিবেশন। ধারণা করা হচ্ছে, এবারের সভার অন্যতম আলোচ্য বিষয় হবে বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে চলমান সঙ্কট ও ইউরোজৌনের ঋণ-সংকট।
এ-বছরের সভা শুরু হচ্ছে এমন একটি সময়, যখন একদিকে পশ্চিমা পুঁজিবাদী দেশগুলোতে অর্থনৈতিক মন্দা প্রতিদিন প্রবলতর হচ্ছে, অন্যদিকে চীন ও ব্রাজিলের মতো উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোতে প্রবৃদ্ধি বাড়ছে আর একইসাথে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে চলছে সরকার ও পুঁজিবাদ-বিরোধী বিক্ষোভ। এ-সভাস্থলের বাইরেও বিক্ষোভ করছেন পুঁজিবাদ বিরোধীরা। আবহাওয়ার কারণে এবার তাঁরা প্রথাগত তাঁবুর বদলে ইগলু বা বরফের ঘর তৈরি করে নিয়েছেন।
ফৌরামের প্রতিষ্ঠাতা ক্লস শোয়াব বলেছেন, 'পুঁজিবাদ বর্তমান চেহারায় আমাদের চারপাশের জগতের সাথে আর খাপ খাচ্ছে না'। বিপরীতে মাইক্রোসফ্টের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেইটস বলেন, 'পুঁজিবাদ একটা বিস্ময়কর ব্যবস্থা, কারণ এটি অনেক নতুনত্বের জন্ম দিয়েছে'। আজ বিকেল লণ্ডন সময় সাড়ে চারটায় জার্মান চ্যান্সেলর এ্যাঞ্জেলা মার্কেল তাঁর ভাষণ দিবেন।
১৯৭১ সালে যাত্রা শুরু হয় পুঁজিবাদী অর্থনীতি-কেন্দ্রিক এ-ফৌরামের। মূলতঃ বিশ্বের প্রভাবশালী বৃহৎ ব্যাঙ্ক, বহুজাতিক কোম্পানী ও বিভিন্ন দেশের সমসাময়িক ক্ষমতাসীন রাজনীতিবিরা অংশ নেন এতে। এ-বছরের সভা যৌথভাবে সভাপতিত্ব করবেন জাপানের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান তাকেদা, যুক্তরাষ্ট্রের সিটিগ্রুপ, যুক্তরাজ্যের ইউনিলিভার, মেক্সিকোর সিনেপোলিস, যুক্তরাষ্ট্রের ফেইসবুক ও নেদারল্যাণ্ডসের রয়্যাল ডাচ শেলের প্রতিনিধিরা।
আপনার মন্তব্য
সম্পর্কিত অন্যান্য
- ব্রিটেইনে বেকারত্ব অ-ইউরোপী অভিবাসনের সাথে যুক্তঃ বলছে সরকারী গবেষণা
- ২০১১ সালে ২০০ কোটি কর্ম-ঘন্টা বিনা-পারিশ্রমিকে খেটেছেন ব্রিটিশ কর্মীরা
- বেকারত্ব ১৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চঃ যুক্তরাজ্যে কর্মহীন তরুণ-বেকারের সংখ্যা মিলিয়নাধিক
- ব্রিটিশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পূর্বান্দাজিত হারের চেয়ে কমঃ ধীর-কর্তনে আইএমএফের পরামর্শ
- ঔসবর্নের দাবীঃ ‘আমাদের ঘাটতি-হ্রাসের পরিকল্পনা সঠিক প্রমাণিত’