সংবাদ পরিক্রমা
সংবাদ প্রতিবেদন
- ঢাকায় আটক জোড়া খুনের আসামী আইয়ুব খানকে ব্রিটেইন আনা হচ্ছে

বাংলাদেশে গ্রেফতার হওয়া ব্রিটেইনের খুনের আসামী পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত আইয়ুব খানকে লন্ডনে আনা হচ্ছে। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান-সহ প্রধান গণ-মাধ্যমগুলো ফলাও করে গতকাল ও আজ এ-খবর প্রকাশ করেছে।

বৃহত্তর লন্ডনের চিগওয়েলের বাসিন্দা ২৭ বছর বয়সের আইয়ুব খানকে ব্রিটেনের গোয়েন্দা সংস্থা স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড ‘মৌস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকা-ভুক্ত করে ২০০৪ সালে। তাকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে তথ্যের জন্য দশ হাজার পাউন্ড পুরষ্কার ঘোষণা করেছিলো স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড। ইস্ট লন্ডনের ফরেস্ট গেইটে ২০০৩ সালে সংঘটিত জোড়া-খুনের সংশ্লিষ্টতায় পুলিস আইয়ুব খানকে খুঁজছিলো।
এশীয় অধ্যুষিত ইস্ট লন্ডনের ফরেস্ট গেইটে ২০০৩ সালের সেপ্টেম্বরে গাড়ী পার্কিং নিয়ে ঝগড়ার রেশ ধরে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ফরেস্ট ভিউ হৌটেলের মালিক অমরজিৎ সিং (৫২) ও তার ঘনিষ্ট আত্মীয় রাজিন্দর সিংকে প্রকাশ্যে দিবালোকে গুলি-করে খুন করা হয়। হৃদয়-বিদারক এ-হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী হিসেবে পুলিসের তরফ থেকে অভিযুক্ত হবার পর আয়ূব খান দীর্ঘ ছ’বছর ধরে পলাতক থাকতে সক্ষম হয়েছে।
প্রকাশিত খবরে জানা যায়, গত সপ্তায় এক বাঙালী বন্ধুর সাথে মিলিত হবার জন্য আইয়ুব খান বাংলাদেশের সিলেটে যায়। উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর সিলেট থেকে ফিরে ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাবার পথে সে-দেশের পুলিসের হাতে গ্রেফতার হয় খুনের আসামী আইয়ুব খান।
বাংলাদেশের পুলিস কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে ব্রিটিনের প্রধান-প্রধান সংবাদ-মাধ্যম আইয়ুব খানের গ্রেফতারের ঘটনা নিশ্চিত করেছে। এদিকে, লন্ডনের পুলিস কর্তৃপক্ষ জানায়, ব্রিটেইনের সাথে বাংলাদেশের মধ্যে অপরাধী হস্তান্তরের চুক্তি অনুসারে বাংলাদেশ পুলিস কর্তৃপক্ষের কাছে আইয়ূব খানকে চেয়ে পাঠানো হয়েছে। আইয়ুব খানকে হাতে পেয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে লন্ডন মেট পুলিস অপেক্ষা করছে।
৯ অগাস্ট, ২০১০
লন্ডন