• তালেবানের সাথে শান্তি-আলোচনা যুক্তরাষ্ট্রেরঃ আফগানিস্তানের নিরাপত্তা-রক্ষার দায়িত্ব স্থানীয় বাহিনীকে প্রত্যার্পণ ন্যাটোর
    afghanistan_taliban_us_talk_in_days.jpg

    ইউকেবেঙ্গলি - ১৮ জুন ২০১৩, মঙ্গলবারঃ  দীর্ঘ এক যুগের যুদ্ধের পরও তালেবানকে পরাজিত করতে না পেরে আফগানিস্তান ত্যাগ করছে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো। এর অংশ হিসেবে আজ দেশটির আভ্যন্তরীন নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব ফিরে পেয়েছেন স্থানীয় নিরাপত্তারক্ষী বাহিনী। একই সাথে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যেকোনো দিন তালেবানের সাথে আলোচনায় বসবে তারা।

    আজ আফগানিস্তানের কাবুলের নিকটবর্তী একটি সামরিক অ্যাকাডেমিতে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশটির পুলিস স্থানীয় নিরাপত্তার দায়িত্বে পুনঃনিয়োজিত হয়। প্রেসিডেণ্ট হামিদ কারজাই এ-উপলক্ষ্যে বলেন, 'আমাদের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বাহিনী এখন থেকে [নিরাপত্তা রক্ষার] নেতৃত্ব দিবে'। তবে 'নিরাপত্তার স্বার্থে' অনুষ্ঠানের নির্দিষ্ট স্থান ও সময় আগে থেকে প্রচার করা হয়নি। স্পষ্টতঃ তালেবানদের হামলার ভয়েই এ-পদক্ষেপ নেয়া হয়।

    এদিকে, তালেবানের সাথে সরাসরি আলোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। 'শান্তি ও মীমাংসা'র উদ্দেশ্য নিয়ে 'যে কোনও দিন' কাতারে অনুষ্ঠিত হবে এ-আলোচনা - জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। এ-উপলক্ষ্যে কাতারের রাজধানী দোহায় একটি অফিস খুলবে তালেবানের রাজনৈতিক নেতৃত্ব। ২০১১ সাল থেকেই দোহায় তালেবানের অফিস খুলবার কথা শোনা যাচ্ছিলো, তবে শান্তি আলোচনার দিনক্ষণ স্পস্টভাবে নির্ধারিত না হওয়ায় তা আর এগোয়নি। অবশ্য কয়েকজন উর্ধ্বতন তালেবান নেতা কয়েকবছর ধরেই কাতারে বাস করছেন।

    ২০০১ সালে সুন্নি চরমপন্থী সংগঠন আল-কায়েদার নেতা ওসামা বিন লাদেনকে ধরতে আফগানিস্তানে আক্রমণ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও, সে-সময় দেশটির ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলো মার্কিন সমর্থনপুষ্ট তালেবানরা, তথাপি তারা লাদেনকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

     

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন