• ত্রিপোলিতে সরকারী বাহিনীর পাল্টা-আক্রমণঃ সাংবাদিক-বেশে পশ্চিমা গোয়েন্দা
    Tripoli.jpg

    ইউকেবেঙ্গলি - ২ অগাস্ট ২০১১, সোমবারঃ  লিবিয়াতে রাজধানী ত্রিপোলিতে ন্যাটোর অব্যাহত বোমাবর্ষণের কারণে সরকারী সেনাবাহিনী রক্ষণাত্মক অবস্থানে গেলে বাধাহীন-ভাবে প্রবেশ করেছে দেশটির নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফী-বিরোধী পশ্চিমা-সমর্থক পুষ্ট বিদ্রোহী-বাহিনী। 

    দুদিন আগে ন্যাটোর সামুদ্রিকযান দিয়ে ছদ্মবেশী আল-কায়েদা ও অন্যান্য বিদ্রোহী গ্রুপের প্রায় ২০০ সদস্যের ত্রিপোলি অনুপ্রবেশ ঘটেছিলো বলে জানা যায়। কিন্তু গতকাল ও আজ সরকারী সৈন্য ও নাগরিক স্বেচ্ছাসেবক মিলিশিয়ার পাল্টা আক্রমণের মুখে পড়েছে বিদ্রোহীরা। নিরপেক্ষ তথ্যের অভাবে পরিস্থিতির প্রকৃত গতিপ্রকৃতি অনুধাবন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।  

    গতরাতে ন্যাটো ও বিদ্রোহীরা দাবী করেছিলো ত্রিপোলি সম্পুর্ণ তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে আজ বিকেলে কিছু-কিছু সংবাদ-মাধ্যম জানাচ্ছে, ত্রিপোলির বেশিরভাগ অংশই সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিদ্রোহীরা লিবিয়ার সরকারী টেলিভিশন কেন্দ্র দখল করে নিয়েছে বলে ন্যাটো যে দাবী করেছিলো তা ভ্রান্ত প্রমাণ করে সেখানে পরবর্তীতে মুয়াম্মার গাদ্দাফির অডিও-ভাষণ পুনঃপ্রচার করা হয়েছে। তবে আজ অপরাহ্নে ন্যাটো বোমার আঘাতে টিভি কেন্দ্রের বিদ্যুত-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে।

    সরকারী পক্ষের দাবী,  ৬৫ হাজার সৈন্য রাজধানী ত্রিপোলির রক্ষায় নিয়োজিত আছে। প্রত্যক্ষদর্শীর উদ্ধৃতি দিয়ে রাশিয়া টুডে টিভি জানিয়েছে, নগরীতে আজ সরকারের ট্যাঙ্কের বহর ও মেশিনগান-সজ্জিত পিক-আপ ট্রাক টহল দিতে দেখা গেছে।

    দৃশ্যতঃ লিবিয়ার বিরুদ্ধে মিডিয়া-যুদ্ধের প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে যা বিশ্লেষকদের ধারণাকে সত্য প্রমাণ করছে। বিদ্রোহীদের বরাত দিয়ে কাতারের টিভি চ্যানেল ও আল-জাজিরা গতকাল জানিয়েছিলো যে, লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির দুই পুত্রকে গ্রেফতার করেছে বিদ্রোহীরা। কিন্তু আজ আল-জাজিরা ও অন্যান্য পশ্চিমা সংবাদ-সংস্থা জানাচ্ছে, গাদ্দাফির এক-পুত্র মুহাম্মদ গাদ্দাফি বন্দীত্ব থেকে পালিয়ে গিয়েছেন। যুদ্ধ-বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গতকালের প্রচারিত সংবাদটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে সঠিক ছিল না; ত্রিপোলিতে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সামরিক ফায়দা নেয়াই ছিলো তার উদ্দেশ্য। ফাঁস হয়ে যাওয়ার আগেই তাই এখন তার বন্দীত্ব-পলায়নের খবর দেওয়া হচ্ছে।

    এদিকে সাংবাদিকের ছদ্মবেশে ত্রিপোলিতে ঢুকেছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ও যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা এমআই-৬ এর সদস্যরা। কানাডা-ভিত্তিক গ্লৌবালাইজেশন রিসার্চের প্রতিনিধি মাহদি নাজেমরয়া এবং আমেরিকানস ফর মিডল-ঈস্ট পিস-এর ডাইরেক্টর ডঃ ফ্রাঙ্কলিন ল্যাম্ব-সহ ত্রিপোলিতে কর্মরত আরও কয়েকজন আন্তর্জাতিক সাংবাদিক - যারা পশ্চিমা কর্পোরেইট মিডিয়ার অন্তর্ভুক্ত নন - ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

পাঠকের প্রতিক্রিয়া

লিবিয়ায় সাম্রাজ্যবাদী তত্ত্বাবধানে সংগঠিত এই সংঘরষে ক্ষমতা পেতে চায় National Transitional Council. এদের এই স্টেটমেন্টই বলে দেয় সাম্রাজ্যবাদী স্বারথের এই কাউন্সিল ।

The Council’s statement

In this important historical juncture which Libya is passing through right now, we find ourselves at a turning point with only two solutions. Either we achieve freedom and race to catch up with humanity and world developments, or we are shackled and enslaved under the feet of the tyrant Mu’ammar Gaddafi where we shall live in the midst of history. From this junction came the announcement of the Transitional National Council, a step on the road to liberate every part of the Libyan lands from Aamsaad in the east to Raas Ajdair in the west, and from Sirte in the north to Gatrun in the south. To liberate Libya from the hands of the tyrant Mu’ammar Gaddafi who made lawful to himself the exploitation of his people and the wealth of this country. The number of martyrs and wounded and the extreme use of excessive force and mercenaries against his own people requires us to take the initiative and work on the Liberalization of Libya from such insanities.

To reach this goal, the Transitional National Council announced its official establishment on 5th March 2011 in the city of Benghazi, stating its perseverance towards the aim of relocating its headquarters to our capital and bride of the Mediterranean, the city of Tripoli.

To connect with our people at home and abroad, and to deliver our voice to the outside world, we have decided to establish this website as the official window of communication via the world wide web.

May peace and God’s mercy and blessings be upon you
Long live Libya, free and dignified.

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন