• দাঙ্গার আগুনে গৃহ-হারাদের ক্ষতিপূরণ দেয়া হবেঃ দাবী করতে হবে ৪২ দিনের মধ্য
    Jumping-from-burning-home.jpg

    ইউকেবেঙ্গলি, ১১ অগাস্ট ২০১১, বৃহস্পতিবারঃ  ইউকেবেঙ্গলি, ১১ অগাস্ট ২০১১, বৃহস্পতিবারঃ সরকারের ডিপার্টমেন্ট ফর কমিউনিটিস আজ বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছে যে, গত শনিবারে শুরু-হওয়া ও চার দিন ধরে চলা দাঙ্গায় লাগানো আগুনে যে পরিবারগুলো ঘর-ছাড়া হয়েছে, তাদেরকে জরুরী অর্থ সাহায্য-সহ ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষতিপূরণের জন্য ৬ সপ্তাহ, অর্থাৎ ৪২ দিনের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।

    সরকারী সূত্রে জানানো হয়েছে, ক্ষতিপূরণের অর্থ খানিকটা আসবে কাউন্সিলগুলোকে দেয়া ১০ মিলিয়ন পাউন্ডের ‘রিকোভারী’ প্যাকেইজ থেকে এবং এ-অর্থ কাউন্সিলগুলোর বেলউইন স্কীমের অর্থের অতিরিক্ত হিসেবে যুক্ত হবে।

    উল্লেখ্য, লৌক্যাল গভর্নমেন্ট এ্যান্ড হাউসিং এ্যক্ট ১৯৮৯ এর সেকশন ১৫৫ -এর অধীনে বেলইউন স্কীম জরুরী অর্থ-সাহায্য হিসেবে জারী রয়েছে, যা ১৯৮৩ সালে তৎকালীন ডিপার্টমেন্ট অফ ইনভার্নমেন্ট মিনিস্টার লর্ড বেলউইন প্রবর্তন করেছিলেন।

    ক্ষতিগ্রস্তদেরকে তাদের বাড়ী মেরামতের জন্য ১৮৮৬ সালের রায়ট ড্যামেইজ এ্যাক্টের অধীনে পুলিস কর্তৃপক্ষের সমীপে আবেদন করতে হবে। এ-আইন অনুসারে আবেদনের সময় সীমা দু-সপ্তাহ হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তা বাড়িয়ে ৬ সপ্তাহ করা হয়েছে।

    ক্ষতিগ্রস্তদের আবেদনের প্রতি যতো দ্রুত সম্ভব সাড়া দেবার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা অনুরোধ করেছেন।

    এদিকে, ইন্সিওরেন্স ইন্ড্রাস্ট্রীজ বলেছে, ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারী সাহায্য পাবার ফলে তারা ‘ক্লেইম’ বৃদ্ধি আশা করছেন না। এ-বিবেচনায়, সরকারের পদক্ষেপ বস্তুতঃ শেষ পর্যন্ত ইন্সিওরেন্স কোম্পানীগুলোর স্বার্থের অনুকূলেই যাবে।

    রায়টের কারণ হিসেবে অর্থনৈতিক ও সামাজিক অসাম্য ও বঞ্চনা এবং সরকারের বরাদ্দ-কর্ত্তন নীতিকে দায়ী করে ব্যাপক জনমত থাকলেও সরকার তা মানছে না। আর এ-বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে কমিউনিটী সেক্রেট্যারী এরিক পিকলসের বক্তব্য থেকে।

    পিকলস জানা, তাঁর ডিপার্টমেন্ট বর্তমান হাউসিং আইনে পরিবর্তনের প্রস্তাব করতে যাচ্ছে, যাতে ভাড়া-থাকা ও সমাজ-বিরোধী আচরণ করা বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করার ক্ষেত্রে ল্যান্ডলর্ডরা অধিক ক্ষমতা অর্জন করতে পারেন।

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন