• বলিভিয়ার প্রেসিডেণ্টবাহী বিমান ইউরোপে থামিয়ে স্নৌডেনের অনুসন্ধান
    bolivia_morales_jet_denied_access_eu.JPG

    ইউকেবেঙ্গলি – ৪ জুলাই ২০১৩, বৃহস্পতিবারঃ  যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন গোয়েন্দা ‘এডওয়ার্ড স্নৌডেন সঙ্গে রয়েছে’ এমন সন্দেহে রাশিয়া থেকে বলিভিয়ায় ফেরার পথে প্রেসিডেণ্ট ইভো মোরালেসকে বহনকারী বিমানকে অস্ট্রিয়ায় অবতরণে বাধ্য করা হয়েছে। এ-ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন লাতিন আমেরিকার নেতারা। পাল্টা কী ব্যবস্থা নেয়া উচিত সে-প্রসঙ্গে আলোচনার উদ্দেশ্যে আজ ইউনিয়ন অফ সাউথ আমেরিকান নেশন্‌স (উনাসুর) এক জরুরী সভায় মিলিত হয়েছে।

    গতকাল রাশিয়ায় এক সরকারী সফর শেষে প্রেসিডেণ্ট মোরালেস বলিভিয়ান এয়ার ফৌর্সের একটি বিমানযোগে রাজধানি লা পাজ়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। ইউরোপ অতিক্রম করার সময় শুরুতে পর্তুগাল, ও তারপর একে-একে ইতালি, স্পেইন ও ফ্রান্স যার-যার আকাশসীমায় বিমানটিকে প্রবেশ করতে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। ফলে বাধ্য হয়ে প্রেসিডেণ্টবাহী বিমানটি অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অবতরণে বাধ্য হয়।

    শুরুতে মন্তব্য করতে অস্বীকার করলেও পরে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন বলিভিয়ার প্রেসিডেণ্টের বিমানে স্নৌডেন থাকার সম্ভবনাযুক্ত দেশগুলোর সাথে তাঁরা যোগাযোগ করেছেন। ভিয়েনায় প্রায় ১৪ ঘণ্টা আটকে থাকার পর সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলোর অনুমতি সাপেক্ষে পুনরায় যাত্রা শুরু করে বিমানটি।

    বলিভিয়া ইতোমধ্যেই জাতিসঙ্ঘে ‘প্রেসিডেণ্টকে অপহরণ’ করার উল্লেখ করে অভিযোগ দাখিল করেছে। জাতিসঙ্ঘে দেশটির প্রতিনিধি সাচা লোরেন্তি বলেন, ‘যেসব দেশ আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদের কাছে নতি স্বীকার করে প্রেসিডেণ্ট মোরালেসকে এমন অসহায় অবস্থায় ফেললো তাদের কাছে আমরা উপযুক্ত ব্যাখ্যা চাইবো’।

    কোন রাষ্ট্রের প্রেসিডেণ্টের এ-ধরণের পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা অভূতপূর্ব। উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক আইনে সকল রাষ্ট্রপ্রধান ও তাঁদের বাহনসমূহের চলাচলে কোনো প্রকার বাধাপ্রদান নিষিদ্ধ।

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন