• বাংলাদেশে মানবতা-বিরোধী অপরাধ মামলাঃ সরকার-পক্ষের এ্যাপীলে কারাদণ্ডিত কাদের মোল্লার ফাঁসি
    bangladesh_quader_mollah_to_hang.jpg

    ইউকেবেঙ্গলি - ১৮ সেপ্টেম্বরঃ ২০১৩, বুধবারঃ  ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-যুদ্ধ চলাকালে মানবতা-বিরোধী অপরাধ সঙ্ঘটনের অপরাধে জামায়াতে ইসলামীর এ্যাসিস্ট্যাণ্ট সেক্রেট্যারি জেনারেল কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত।

    গত মে মাসে রায়ের পূর্বে ব্যাপকভাবে অনুমান করা হচ্ছিলো মোল্লার প্রাণদণ্ড হবে। তবে মোল্লাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত লঘুতর শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিলে সরকারের সাথে জামায়াতে ইসলামীর গোপন সমঝোতার সন্দেহে সে-রায়ের বিরুদ্ধে ঢাকার শাহবাগে আন্দোলন গড়ে ওঠে। সে-আন্দোলনের চাপে সংসদ আইন পরিবর্তনের মাধ্যমে রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের এ্যাপীলের সুযোগ তৈরি করে।

    আসামী ও রাষ্ট্র উভয় পক্ষই সর্বোচ আদালতে অ্যাপীল করে - রাষ্ট্র ফাঁসি চেয়ে, আসামী মওকুফ চেয়ে। প্রধান বিচারপতি মোহামদ মুজাম্মেল হোসাইনের নেতৃত্বে ৫-সদস্যের এ্যাপীলেট ডিভিশন বেঞ্চ আসামীর আবেদন নাকচ করেন এবং রাষ্ট্রের আবেদন সাড়া দিয়ে মোল্লাকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন।

    আসামী পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক - যিনি নিজেও জামায়াতে ইসলামীর একজন এ্যাসিস্ট্যণ্ট সেক্রেট্যারি জেনারেল - জানান তাঁরা সংবিধানে প্রদত্ত অধিকারের আওতায় রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করবেন এবং প্রয়োজন হলে শেষ চেষ্টা হিসেবে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ-ভিক্ষা চাইবেন। 

    আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ দাবি করেছেন, সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পর আর পুনর্বিবেচনার সুযোগ নেই; তবে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা-প্রার্থনার পথ খোলা রয়েছে।

    এ-রায়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে জামায়াতে ইসলামী সমগ্র বাংলাদেশে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল ডেকেছে। এর অংশ হিসেবে আজ পালিত ধর্মঘটে বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার খবর পাওয়া গিয়েছে।

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন