• বিনা-অনুমতিতে মৃত রোগীর প্রত্যঙ্গ সংরক্ষা করছে ব্রিটিশ হাসপাতাল
    uk_nhs_stored_organs_without_permission.jpg

    ইউকেবেঙ্গলি - ৭ মে ২০১৩, মঙ্গলবারঃ  লণ্ডনের দু'টো হাসপাতাল ২০ বছর যাবত মৃত রোগীদের পরিজনদেরকে না জানিয়ে তাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংরক্ষা করে আসছে। যাদের প্রত্যঙ্গ এ-পর্যন্ত রাখা হয়েছে তাদের মধ্যে অনেক শিশুও রয়েছে। পুলিসের সহায়তায় ইতোমধ্যেই ঐ-সকল প্রত্যঙ্গ ফেরত দেয়ার কাজ শুরু হয়েছে। দ্য ডেইলি সানে প্রকাশিত এক তদন্ত-প্রতিবেদনে আজ প্রকাশিত হয়েছে এ-সংবাদ।

    উল্লিখিত ঘটনাগুলো ঘটে সেইণ্ট থমাস হসপিটাল ও গাই'স হসপিটালে। লণ্ডনের কিংস কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন অনুষদের পরীক্ষার জন্য পুলিসের সংশ্লিষ্টতাতেই এ-ঘটনাগুলো ঘটে বলে জানা গিয়েছে দ্য সানের প্রতিবেদন থেকে। তবে ২০০০ সালে কিংস কলেজের উক্ত অনুষদটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর প্রত্যঙ্গগুলো ঐ হাসপাতালগুলোতে সংরক্ষণের জন্য স্থানান্তরিত করা হয়। তবে কোন ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট পরিবারকে অবহিত করা হয়নি।

    ১৭ বছর পর মায়ের মস্তিষ্ক ফেরত পেয়েছেন ড্যারেন জনসন। গত সপ্তার আগ পর্যন্ত তিনি জানতেনই না যে তাঁর মায়ের - যিনি মারা যান ১৯৯৬ সালে - শরীরের অংশ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁদেরকে না জানিয়েই এতোদিন সংরক্ষণ করেছে। ৪৩ বছর বয়েসী নির্মাণ-কর্মী ড্যারেন বলেন, 'হাসপাতালটি মৃত একজন মানুষের মর্যাদা লুটে নিয়েছে। কর্তৃপক্ষকে আমি কখনোই ক্ষমা করবো না'।

    উল্লেখ্য, গত শতকের নব্বইয়ের দশকে লিভারপুলের অনুরূপ একটি ঘটনা ঘটে। সেসময় এ্যাল্ডার হে চিল্ড্রেন্‌স হসপিটালে প্রায় এক হাজার শিশুর প্রত্যঙ্গ বিনা-অনুমতিতে সংরক্ষন করার ঘটনা ফাঁস হয়, যা লিভারপুল অর্গ্যান স্ক্যাণ্ডাল নামে কুখ্যাত।

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন