• বিবিসির জরিপে প্রকাশঃ এনএইচএস সংস্কারে আস্থা হারিয়েছেন জিপিরা
    GPS.jpg

    ইউকেবেঙ্গলি - ৪ এপ্রিল ২০১২, বুধবারঃ  ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কোর্পোরেশন বিবিসি তার সদ্য পরিচালিত এক জরিপের ফল প্রকাশ করে আজ জানাচ্ছে যে, পার্লামেন্টে পাস-করা এনএইচএস (ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস) সংস্কার প্রস্তাব, যা ঈস্টারের পর আইন হতে যাচ্ছে, তাতে জিপিদের (জেনারেল প্র্যাক্টিশনার) অল্পই আস্থা আছে।

    বিবিসি-পরিচালিত জরিপের ফল থেকে দেখা যায়, জিপিদের নেতৃত্বাধীন কমিশনিং গ্রুপগুলোর হাতে স্বাস্থ্য-বাজেট পরিচালনা, রোগীদের চিকিৎসা পরিকল্পনা ও স্থানীয় প্রাইভেট কোম্পানীগুলো থেকে পরিষেবা কেনার যে-বিধান হয়েছে, তাতে রোগীদের ‘নজরের পড়ার মতো উন্নতি’ হবে বলে মনে করেন ৮১৪ জনের মধ্যে মাত্র শতকরা ১২ জন জিপি।

    একই প্রশ্নের উত্তরে ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরের এক জরিপে ২৩% জিপি তাঁদের আস্থা প্রকাশ করেছিলেন উল্লেখ করে বিবিসি জানায়, মাত্র দেড় বছরের মাথায় এ-বছরের মার্চ মাসে পরিচালিত সর্বশেষ জরিপে তা অর্ধেক  হ্রাস পেয়ে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১২%।

    বিবিসির-মতে, সরাসরি অনাস্থা প্রকাশ-করা জিপির হার বেড়েছে বলে দেখাচ্ছে সর্বশেষ জরিপের ফল। ২০১০ সালে যেখানে অনাস্থা প্রকাশকারী জিপির সংখ্যা হার ছিলো ৪৫%, এ-বছরের জরিপে সে-হার দেখানো হচ্ছে ৫৫%। আর, ‘জানি না’ বলে জানিয়েছে ৩৩% জিপি, যা ২০১০ সালের জরিপে প্রাপ্ত হারের চেয়ে খানিকটা বেশি।

    জরিপের প্রকাশিত ফলে আরও দেখা যাচ্ছে যে, স্বাস্থ্য-খাতে সরকারের আর্থিক-সাশ্রয় তথা ব্যয়-সঙ্কোচন নীতি কার্যকর করতে গিয়ে রোগীদের স্বাস্থ্য-সেবায় রেশনিং তথা নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করেন ৮৩% জিপি।

    নতুন আইনের ফলে জাতীয় স্বাস্থ্য সেবায় প্রাইভেট কোম্পানীগুলো বৃহত্তর ভূমিকা পালন করবে বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন জরিপে অংশগ্রহণকারী জিপিদের মধ্যে ৮৭ শতাংশ।

    ব্রিটিশ মেডিক্যাল এসৌসিয়েশনের জিপি কমিটীর চেয়ারম্যান ডঃ লরেন্স বাকম্যানকে উদ্ধৃত করে বিবিসি জানায়, ‘অধিক হারে জিপিরা এই ভেবে উদ্বিগ্ন হচ্ছেন যে, সরকার ২০বিলিয়ন পাউণ্ড সাশ্রয়ের যে লক্ষ্য স্থির করেছেন, তা পূরণ করতে গিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণের বদনাম জিপিদেরকে নিতে হবে।’

    বাকম্যান বলেন, ‘সরকারের উচিত জনগণকে সরাসরি বলা, কী পরিমাণ অর্থ-সাশ্রয় চাচ্ছে সরকার এবং কেনো তা চাচ্ছে।’

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন