• ভারতের ঋণের টাকায় ভারতীয় বাস কিনছে বাংলাদেশঃ খরচ প্রায় ৫০ কোটি টাকা
    india_ashok_leyland_vestibule_bus.jpg

    ইউকেবেঙ্গলি - ৬ জুন ২০১২, বুধবারঃ  ভারতের অশোক লেল্যাণ্ড কৌম্পানী ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ৫০ কোটি টাকা মূল্যের বাস বিক্রি করবে বাংলাদেশের কাছে। ৫০টি ভেস্‌টিবিউল বাসের এ-বাণিজ্যের জন্য বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের সাথে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে হিন্দুজা গ্রুপের এ-কোম্পানীটি। সম্প্রতি ঢাকায় এ-মর্মে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

    এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কোম্পানীটি জানায় যে, ভারতের দেয়া ১ বিলিয়ন ডলার ঋণের অর্থ থেকে বাংলাদেশ এ-বাসগুলোর মূল্য পরিশোধ করবে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিনোদ কে দেশারি বলেন, 'বিদেশের বাজারে এ-ধরণের বাস আমরা এই প্রথম রপ্তানি করছি।' ভারতের বাজারে অবশ্য তাঁরা এ-ধরণের বাস ইতোমধ্যেই বিক্রি করেছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সংস্থার সূত্রে জানা গেছে যে, একই ঋণের টাকায় অশোক লেল্যাণ্ডের কাছ থেকে আরও ৭.৭ মিলিয়ন ডলারের (প্রায় ৬৩ কোটি টাকা সমমূল্যের) শীতাতপ-নিয়ন্ত্রিত বাস ক্রয় করবে বাংলাদেশ।

    উল্লেখ্যঃ গতবছর বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন সংস্থা অশোক লেল্যাণ্ডের কাছ থেকে ২৩.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে (প্রায় ১৯০ কোটি টাকায়) ২৯০টি দ্বিতল বাস ক্রয়ের চুক্তি করেছিলো, যা ছিলো ঐ-বছর কোম্পানীটির একক বৃহত্তম রপ্তানি আদেশ। ভারতীয় ঋণের আওতায় কেনা ঐ বাসগুলো দ্রুত সরবরাহের আশ্বাস দিলেও অশোক লেল্যাণ্ড এ-পর্যন্ত ২৯০টির মধ্যে মাত্র ৪৫টি হস্তান্তর করেছে। বাকীগুলো এখনও কারখানায় প্রস্তুত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

    মোট ঋণের ৮৫% ভারতীয় পণ্য ও পরিষেবায় ব্যয় করতে হবে এমন শর্তে ২০১০ সালে ভারত বাংলাদেশকে ১০০ কোটি ডলার ঋণ দেয়। এ-পর্যন্ত সে-ঋণের অর্থে ভারতীয় পণ্য ও সেবা ক্রয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ মূলতঃ পরিবহণ অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে ১২টি রেইল প্রকল্প ৫টি যোগাযোগ উন্নয়ণ প্রকল্প ও ৩টি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। দৃশ্যতঃ বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ভারতের এক সীমান্ত থেকে আরেক সীমান্তে চলাচলের ট্রানজিট সুবিধা ব্যবহার করে মাধ্যমে বাণিজ্যিক ও সামরিক কাজে যাতায়তের জন্য যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নই এ-প্রকল্পগুলোর উদ্দেশ্য।

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন