• ভারতের ত্রিপুরা থেকে অন্য রাজ্যে বিদ্যুৎ দিতে মাঝে গ্রাহক বাংলাদেশ
    bd_electricity_import_kolkata_agartala_transit.jpg

    ইউকেবেঙ্গলি - ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৩, শনিবারঃ  আগামী জুলাই মাসের মধ্যে ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি শুরু করবে বাংলাদেশ। দেশ দু'টির সরকারের বিদ্যুৎ সচিবেরা ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে এ-তথ্য জানান।

    ভারতের বিদ্যুৎ ও জ্বালানী মন্ত্রণালয়ের সচিব পি উমা শংকর গত ৩০ ও ৩১ জানুয়ারী বাংলাদেশ সফর করেন। গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় সে-দেশের জ্বালানী মন্ত্রণালয়ের সচিব মানওয়ারুল ইসলামের সাথ এক বৈঠকে এ-প্রসঙ্গটি চূড়ান্ত হয়েছে।  সে-বৈঠকে তাঁরা বাংলাদেশের সুন্দরবন সংলগ্ন রামপালে প্রস্তাবিত ভারত-বাংলাদেশ যৌথ অংশীদারীত্বের বিদ্যুৎ প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা করেছেন।

    দু'দেশের সম্মতি অনুসারে ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসবে ভারত থেকে বাংলাদেশে। ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম পড়বে বাংলাদেশী মুদ্রায় ৪টাকা। তবে আমদানির খরচ - অর্থাৎ সরবরাহ পরিসঞ্চালনের খরচ - কতো হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    এদিকে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরা বাংলাদেশের অভ্যন্তর দিয়ে ভারতের অন্যান্য অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার পরিকল্পনা করছে। এ-ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সহযোগিতা চেয়ে চাপ প্রয়োগ করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে ত্রিপুরার রাজ্য সরকার। উল্লেখ্য, ত্রিপুরার পালটানায় নির্মিয়মান দুই ইউনিট বিশিষ্ট ৭২৬ মেগাওয়াট প্ল্যাণ্টের প্রথম ইউনিটটি ইতোমধ্যেই সচল হয়েছে; অন্যটিও জুন মাস নাগাদ চালু হবে।

    ত্রিপুরায় উৎপাদিত বিদ্যুৎ আসাম-সহ অন্যান্য রাজ্যে পাঠাতে হলে পাহাড় ও বন-জঙ্গলের মধ্য দিয়ে নতুন বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনের পরিবর্তে বরং বাংলাদেশের অবকাঠামোর ব্যবহার লাভজনক বলে ভারতীয় পত্রিকা বিজনেস স্ট্যাণ্ডার্ডের কাছে মত প্রকাশ করেছেন ত্রিপুরার জ্বালানী মন্ত্রী মানিক দে। তিনি আরও বলেন, 'এ-সমস্যা সমাধানে একটি কৌশল খুঁজে পাবার জন্য বাংলাদেশের সাথে আলোচনা করতে আমরা কেন্দ্রীয় সরকারকে অনুরোধ করেছি'। এ-প্রকল্প থেকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ পেতে আগ্রহী বলে ইতিপূর্বে জানিয়েছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার।

    উল্লেখ্য, ত্রিপুরার পালটানা প্রকল্পে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও টার্বাইন পরিবহণে বাংলাদেশের কাছ থেকে প্রাপ্ত ট্র্যানজিট সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছিলো। পশ্চিম বঙ্গের পূর্ব মেদিনিপুরে অবস্থিত হালদিয়া বন্দর থেকে ভারী যন্ত্রপাতি নদীপথে বাংলাদেশে অভ্যন্তর দিয়ে ত্রিপুরার আনা হয়।

     

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন