• ভারত সফরে প্রধানমন্ত্রী ডেইভিড ক্যামেরোনঃ জালিয়ানওয়ালাবাগ গণহত্যা লজ্জাজনক
    india_uk_pm_david_camerone.jpg

    ইউকেবেঙ্গলি - ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৩, বৃহস্পতিবারঃ  ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগে ব্রিটিশ সেনাদের দ্বারা সঙ্ঘটিত গণহত্যাকে 'গভীর লজ্জাজনক ঘটনা' বলে আখ্যা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেইভিড ক্যামেরোন। এছাড়াও তিনি বলেছেন যে, ঔপনিবেশিক যুগে ভারত থেকে আনা দুষ্প্রাপ্য হীরকখণ্ড কোহিনূর - যা ব্রিটিশ রাজমুকুটে শোভা পাচ্ছে - ফেরত দেবে না ব্রিটেইন।

    জালিয়ানওয়ালাবাগ গণহত্যায় নিহতদের স্মরণ-বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, 'আমাদের অবশ্যই ভুলে যাওয়া উচিত নয় এখানে কী ঘটেছিলো। আর সে-কথা মনে রাখতে গিয়ে পৃথিবীর সর্বত্র শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের পাশে ব্রিটেইনের দাঁড়ানো নিশ্চিত করতে হবে'।

    ১৩ এপ্রিলের জালিয়ানওয়াবাগ গনহত্যায় নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের উপর ব্রিটিশ সেনারা গুলি চালায়। আনুষ্ঠানিক দলিলে নির্দেশিত রয়েছে যে, বুলেট ফুরিয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত গুলি চালানো হয়। প্দরায় শ মিনিটের গুলিতে ১ হাজারেরও বেশি ভারতীয়ের প্রাণহানি ঘটে সেদিন। এ-ঘটনার প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রিটিশ রাজের দেয়া নাইটহূড পরিত্যাগ করেন। গণহত্যাকে লজ্জাজনক বলে স্বীকার করলেও ক্যামেরোন আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাননি ভারতবাসীর কাছে। 

    ক্যামেরোনের সফর মূলতঃ ভারতের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে হলেও এ-সফরের শেষ দিন ভারতীয় হীরে কোহিনূর সম্পর্কে তিনি বলেন, 'আমি ফেরত দেয়াদেয়িতে বিশ্বাসী নই'। ১৮৫০ সালে ২১ গ্রাম ওজনের ১০৫ ক্যারেটের কোহিনূর নিয়ন্ত্রণে আসে ঈস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানীর। ১৮৭৭ সালে রানি ভিক্টৌরিয়া ব্রিটিশ ভারতের সম্রাজ্ঞী হলে এটি স্থান পায় তাঁর রাজ রত্ন-ভাণ্ডারে।  বর্তমানে এটি এলিজাবেথ ২য়ার মুকুটে শোভিত এবং টাওয়ার অফ লণ্ডন প্রাসাদে প্রদর্শিত।

     

     

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন