• মালিকানা-বিতর্কিত দ্বীপে দক্ষিণ কোরীয় প্রেসিডেন্টের পরিদর্শনঃ জাপান ক্ষুব্ধ
    Korean-President-visit-island.jpg

    ইউকেবেঙ্গলি - ১০ অগাস্ট ২০১২, শুক্রবারঃ  জাপানের অনুরোধ উপেক্ষা করে কোরীয় প্রেসিডেন্ট লী মীয়ং-বাকখু মালিকানা-বিতর্কিত একটি দ্বীপ পরিদর্শনের যাবার কারণে আজ দূরপ্রাচ্যের এই দেশ দুটোর মধ্যে কূটনৈতিক ঝগড়া শুরু হয়েছে। জাপানীতে ‘তাকেশিমা’ ও কোরীয়ান ভাষায় ‘দোকদো’ নামের এই দ্বীপটি কোরিয়ার অধীনে থাকলেও নিজ-মালিকানা দাবি করছে জাপানও এবং এ-নিয়ে শুরু হয়েছে কূটনৈতিক অশান্তি।

    জাপান সরকারের প্রধান মুখপাত্র ওসামু ফুজিমুরা কোরীয় প্রেসিডেন্ট লী মীয়ং-বাকখুর এই দ্বীপ-পরিদর্শনকে ‘চরম দুঃখজনক’ বলে বর্ণনা করেছেন। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট লী বলেছেন, ‘দক্ষিণ কোরিয়াকে অবশ্যই তার সীমান্ত প্রতিরক্ষা অব্যাহত রাখতে হবে’।

    সম্প্রতি জাপানের নিরাপত্তা বিষয়ক একটি প্রকাশনায় দ্বীপটির মালিকানা-দাবির উপর গুরুত্বারোপ করার পরিপ্রেক্ষিতে দক্ষিণ-কোরিয়ার বিদায়ী প্রেসিডেন্ট লী দ্বীপটি পরিদর্শনের ঘোষণা দেন। জাপান প্রেসিডেন্ট লীর পরিদর্শন বাতিলের অনুরোধ জানায়, কিন্তু সে-অনুরোধকে আমলে নেয়নি দক্ষিণ কোরিয়া।

    ঘটনাটি জাপানী নেতৃত্বের মধ্যে লক্ষ্যণীয় ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। কোরিয়ায় নিযুক্ত জাপানী রাষ্ট্রদূতকে আজই দেশে ডেকে পাঠানো হয়েছে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে। জাপানের বিদেশ-মন্ত্রী কোইচিরো গেমবা বলেছেন, প্রেসিডেন্ট লীর দ্বীপ-পরিদর্শন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে বিপুল অভিঘাত সৃষ্টি করবে। তবে তিনি তার স্বরূপ ব্যাখ্যা করেননি।

    উল্লেখ্য, জাপ-কোরীয় বিতর্কের এই দ্বীপটি ৮০ প্রজাতির উদ্ভিদ ও কয়েক ডজন প্রজাতির পাখী ও কীট-পতঙ্গ-সমৃদ্ধ হবার সাথে-সাথে সামুদ্রিক মাছ ও তরল গ্যাসের জন্যও আর্থিক গুরুত্ব বহন করে। প্রায় হিমায়িত এই গ্যাসের বাজার মূল্য কয়েক বিলিয়ন মার্কিন ডলার হবে বলে ধারণা করা হয়।

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন