• মিসরাতা কব্জা করার দাবী সরকারী-বাহিনীরঃ প্রধান গোত্রগুলোর সমর্থন গাদ্দাফির প্রতি
    Tribes_Meet_to_support_Gaddafi_16_Aug_11.jpg

    ইউকেবেঙ্গলি , ১৭ অগাস্ট ২০১১, বুধবারঃ  প্রায় ছ'মাস যাবত বিদ্রোহী-কবলিত ও সরকারী-বাহিনী দ্বারা অবরুদ্ধ পশ্চিমাঞ্চলের বন্দর-নগরী মিসরাতা গতকাল লিবিয়ার সরকারের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। একাধিক সূত্র সরকারের মুখপাত্র ডঃ মুসা ইব্রাহীমের এ-মর্মে দেয়া বক্তব্য নিশ্চিত করেছে। তবে প্রাপ্ত সংবাদ-মতেনগরীর কয়েকটি প্রান্তে বিচ্ছিন্নভাবে এখনও সংঘর্ষ চলছে।

    সরকারী সেনাদের এ-বিজয়ের ফলে মিসরাতার সশস্ত্র বিদ্রোহীরা এখন আটকা পড়েছে মিসরাতা ও তাবেরঘা শহরের মাঝে। সরকারী বাহিনী মিসরাতার বন্দর-সহ প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, এ-বন্দর দিয়ে বিদ্রোহীরা বিদেশ থেকে অস্ত্র ও অন্যান্য সামগ্রীর সরবরাহ পেয়ে আসছিলো।

    গতকাল লিবিয়ার প্রায় দু'শো গোত্রের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে গোত্র-নেতৃবৃন্দ লিবিয়ার সরকার ও জনরাষ্ট্র-বিপ্লবের নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির প্রতি তাদের সমর্থন পুনর্ব্যাক্ত করেছেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ওয়াফালা, তারহোনা, স্লিতান ও ওয়াশাফানা গোত্রের নেতারা। লিবিয়ার অন্যতম বৃহৎ এ-চারটি গোত্রের সদস্য-সংখ্যা দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক।

    মিসরাতা নগরীকে বিদ্রোহী-মুক্ত করতে এ-গোত্রগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে জানা গেছে। গোত্র-নেতারা বলেছেন, যাবাই, গুর্জান, সোর্মান ও সাব্রাথা এখন 'শত্রু-মুক্ত'। তারা আরও জানিয়েছেন, তাদের গোত্রসমূহের পরিবারবর্গ সরকারী সেনাদের পাশাপাশি লড়াই করছে।

    এদিকে বিদ্রোহীদের বর্তমান কমান্ডার খলিফা হাফতার - যিনি প্রায় বিশ বছর যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াতে বসবাস করেছেন এবং দীর্ঘদিন সিআইএ'র হয়ে কাজ করেছেন বলে বলা হয় - সরকারী বাহিনীর হাতে ধৃত হয়েছেন বলে অনিশ্চিত-সূত্রে খবর পাওয়া গেছে। গতমাসে অন্তর্সংঘাতে বিদ্রোহীদের কমান্ডার জেনারেল আব্দুল ফাত্তাহ ইউনুস উচ্চপদস্থ দু'জন সামরিক কর্মকর্তা-সহ নিহত হওয়ার পর বিদ্রোহীরা এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে কমান্ডার হিসেবে ঘোষণা না করলেও অনানুষ্ঠানিকভাবে হাফতারই এখন বিদ্রোহী-সিপাহ্‌সালার।

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন