• মিসরে মুসলিম ব্রাদারহূডের 'ক্রোধ-দিবস' পালিতঃ সংঘর্ষে আরও ৫০ জন নিহত
    egypt_day_of_anger.jpg

    ইউকেবেঙ্গলি - ১৬ অগাস্ট ২০১৩, শুক্রবারঃ  মাত্র দু'দিন আগে মোহাম্মদ মুর্সির সমর্থকদেরকে তাঁদের বিক্ষোভ-অবস্থান থেকে উচ্ছেদ করতে গণহত্যা সঙ্ঘটনের পর আজ আবারও মিসরী নিরাপত্তা রক্ষীদের গুলিতে অন্ততঃ ৫০ জন মারা গিয়েছে। গণহত্যার প্রতিবাদে আজ মুর্সি-সমর্থকরা মিছিল করে 'ক্রোধ-দিবস' পালনকালে পুলিসের সাথে সংঘর্ষে এ-সহিংস ঘটনা ঘটে।

    গত মাসে সরকার-বিরোধী গণআন্দোলনের মুখে সেনাবাহিনী প্রেসিডেণ্ট মোহাম্মদ মুর্সির কাছ থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে তাঁকে বন্দী করে। এ-ঘটনার প্রতিবাদে ও প্রেসিডেণ্ট পদে মুর্সিকে পুনর্বহাল করার দাবিতে তার দল মুসলিম ব্রাদারহূড কায়রোর দুয়'টো স্থানে টানা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে। পরশু ভোরে নিরাপত্তারক্ষীরা ভারী সরঞ্জাম ও অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ব্রাদারহূডের বিক্ষোভ-শিবির উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে, যাতে সরকারী হিসেবেই এ-পর্যন্ত ৬৩৮ প্রাণহানির কথা স্বীকার করা হয়েছে। তবে বেসরকারী হিসেবে তা ইতোমধ্যেই হাজার অতিক্রম করেছে।

    আজ মিসরের অনেকগুলো শহরে ব্রাদারহূডের ডাকা ক্রোধ-মিছিলে হাজার-হাজার কর্মী-সমর্থক যোগ দেয়, যাদের স্লৌগান ছিলো,  "জনগণ [সেনা] ক্যু পরাজিত করবে"। কায়রোয় রামসেস স্কোয়ারে ব্রাদারহূডের বড়ো একটি সমাবেশে পুলিস বলপ্রয়োগ করে। সেখানে কাঁদানে গ্যাস ও জীবন্ত গুলি ব্যবহার করা হয়েছে বলে সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

    ব্রাদারহূডের 'ক্রোধ-দিবস' কর্মসূচির বিপরীতে মুর্সি-বিরোধী সেক্যুলার ও উদার-গণতন্ত্রী বলে পরিচিত রাজনৈতিক শক্তির জোট ন্যাশনাল স্যালভেশন ফ্রণ্ট (এনএসএফ) পাল্টা বিক্ষোভ-কর্মসূচির ডাক দেয়। এনএসএফ-এর নেতৃত্বে রয়েছেন, সদ্য পদত্যাগী সেনা-কর্তৃক নিযুক্ত উপ-প্রেসিডেণ্ট মোহাম্মদ এলবারাদি, গত নির্বাচনে তৃতীয় স্থান লাভকারী মর্যাদা পার্টির হামদীন সাব্বাহি ও প্রাক্তন আরব লীগ প্রধান মূসা আমর। এ-জোটটি শুরু থেকেই মুর্সিকে হটিয়ে সেনাবাহিনীর ক্যুদেতা সমর্থন করে আসছে, এবং দেশবাসীকেও তা সমর্থন করতে আহবান জানিয়েছে।

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন