• যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার বন্ধ ও সেক্যুলার শিক্ষার দাবিতে ছাত্রফ্রন্ট

    সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে ১৪ জুলাই, বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার মিলনায়তনে “একাত্তরের যুদ্ধাপরাধদের বিচার, রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার বন্ধ ও সেক্যুলার শিক্ষা” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি বিচারপতি গোলাম রাব্বনী, শিক্ষা আন্দোলন মঞ্চের সভাপতি অধ্যাপক অজয় রায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ এবং বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রাজেকুজ্জামান রতন। আলোচনা সভায়  সভাপতিত্ব করেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট সভাপতি ফখরুদ্দিন কবির আতিক ।

    সভায় বক্তব্য দানকালে গোলাম রাব্বানী বলেন, “সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ছাড়া মৌলবাদ-সাম্প্রদায়িকতাকে ভাবাদর্শগত ভাবে মোকাবেলা করা যাবে না।”
    অধ্যাপক মাহবুবউদ্দি আহমেদ বলেন, “যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, ধর্মের রাজনৈতিক ব্যবহার বন্ধ ও সেক্যুলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠা করা গেলে, আধুনিক গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের পথে অনেকটুকু আগ্রগতি হবে।” রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, “শাসক গোষ্ঠী গত ৩৯ বছর যুদ্ধাপরাধী মৌলবাদী গোষ্ঠিকে কখনো প্রশ্রয়দান, পুনর্বাসন কখনো তাদের সাথে কৌশলগত ঐক্য করার কারণে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের গণদাবী বাস্তবায়িত হয়নি।” মৌলবাদীরা মানুষের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি করে অন্ধ ও উগ্র মানসিকতা তৈরির মাধ্যমে শোষণমূলক ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    আলোচনা সভা থেকে অবিলম্বে শীর্ষস্থানীয় যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা প্রকাশ এবং রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার নিষিদ্ধ ও সেক্যুলার পদ্ধতির শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হয়।

    বার্তা প্রেরক ইমরান হাবিব রুমন

    ১৪/০৭/১০

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd>
  • Lines and paragraphs break automatically.

লেখা ফরম্যাট করার বিষয়ে আরো তথ্য

আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন