• রক্ষনশীল দলের নেতা-নির্বাচনঃ সরে দাঁড়ালেন বরিস জনসন, প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মাইকেল গৌভ ও থেরিসা মে
    tory_election_gove_may.jpg

    ইউকেবেঙ্গলি - ৩০ জুন, ২০১৬, বৃহস্পতিবারঃ যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন কনসার্ভেটিভ পার্টির নেতা-নির্বাচন থেকে আজ অকস্মাৎ সরে দাঁড়িয়েছেন বহুল অনুমিত প্রার্থী প্রাক্তন লণ্ডন মেয়র বরিস জনসন। তবে খানিকটা অপ্রত্যাশিতভাবে তাঁর স্থলে প্রতিদ্বন্দীতায় অবতীর্ণ হয়েছেন বিচার মন্ত্রী মাইকেল গৌভ। অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেরিসা মে ইতোমধ্যেই জানিয়েছিলেন যে তিনিও লড়বেন টৌরি দলের পরবর্তী নেতা ও দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে।

    গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত বহুল আলোচিত 'ব্রেক্সিট' গণভৌটে যুক্তরাজ্যের ভৌটারগণ ইইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পক্ষে রায় দেন। ভৌটের ফলাফল প্রকাশের পর প্রধানমন্ত্রী ডেইভিড ক্যামেরোন পদত্যাগের ঘোষণা দেন, যার ফলে দলটিতে শুরু হয়েছে নতুন নেতা নির্বাচনের তোড়জোড়। এ-পর্যন্ত পাঁচজন নিশ্চিত করেছেন এ-নির্বাচনে লড়ার কথা। স্টিভেন ক্র্যাব, লিয়াম ফক্স, অ্যাণ্ড্রি লীডসম এবং মাইকেল গৌভ ও থেরিসা মে।

    ইইউ গণভৌটে প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরোনের বিপরীত অবস্থান নিয়ে প্রাক্তন মেয়র বরিস জনসন ইইউ ত্যাগের পক্ষে প্রচারাভিযান চালান। এ-অভিযানে সঙ্গী হিসেবে পেয়েছিলেন তাঁর দলেরই মাইকেল গৌভ ও দক্ষিণপন্থী নাইজেল ফারাজকে, যিনি ইউকে ইণ্ডিপেণ্ডেণ্ট পার্টির নেতা।

    গণভৌটে জেতার পর ব্যাপকভাবে অনুমান করা হচ্ছিলো যে জনসনই হচ্ছে পরবর্তী টৌরি নেতা ও সেই সূত্রে প্রধানমন্ত্রী। তবে গতকাল রাতে তারঁ ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নেন মাইকেল গৌভ। এবং আজ তিনি ঘোষণা দিলেন নিজেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার।

    অপর শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী থেরিসা মে গণভৌটের সময় ছিলেন 'রিমেইন' ক্যাম্পে- অর্থাৎ ব্রিটেইন ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকার পক্ষে। তবে আজ ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের প্রতি তাঁর প্রতিশ্রুতির ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেছেন, 'ব্রেক্সিট মানে ব্রেক্সিট'।

পাঠকের প্রতিক্রিয়া

লেখাটি পড়ে ভালো লাগল, আরও এমন লেখা চাই,

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন