• রোববারে ব্যবসায়িক সময়ের পরিবর্তনঃ আপত্তি লেবার দল ও দোকান-কর্মী ইউনিয়নের
    Osborone-and-Balls.jpg

    ইউকেবেঙ্গলি - ১৮ মার্চ ২০১২, রোববারঃ  রোববারে ব্যবসায়িক সময় সীমিত রাখার প্রচলিত আইন পরিবর্তন করে অলিম্পিকের জন্য সে-সময়কে দীর্ঘতর করার সরকারী পরিকল্পনার কথা আজ চ্যন্সেলর জর্জ ঔসবর্ন এক সাক্ষাতকারে জানালে, শ্যাডৌ চ্যান্সেলার এড বলস্‌ তার বিরোধিতা করেন। বিরোধিতা এসেছে দোকান কর্মচারীদের ইউনিয়নের তরফ থেকেও।

    বিবিসি ওয়ানে এ্যাণ্ড্রু মার শৌতে চ্যান্সেলার ঔসবর্ন নিশ্চিত করেন যে, সরকার বর্তমানের আইনগত বাধা অপসারণ করে অন্ততঃ অলিম্পিকের উদ্বোধনের আগের রোববার ২২শে জুলাই থেকে প্যারালিম্পিকের শেষ রোববার ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দোকান-পাটের ব্যবসায়িক দীর্ঘতর করার পদক্ষেপ নিচ্ছে। কিন্তু একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত লেবার পার্টির শ্যাডৌ চ্যান্সেলার এড বলস্‌ জানান যে, লেবার পার্টি এ-পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করবে।

    বর্তমানের বাণিজ্য আইন অনুসারে, ২৮০ স্কোয়ার মিটারের বেশি ফ্লৌর-স্পেইস সম্পন্ন কোনো দোকান রোববার সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে মাত্র ৬ ঘন্টা সময়ের জন্য খোলা রাখতে পারে।

    কিন্তু চ্যান্সেলার ঔসবর্ন বলেন, ‘অলিম্পিকের জন্য সারা পৃথিবী আসছে লণ্ডনে এবং সমগ্র দেশও। রোববারে - বিশেষ করে যে-রোববারগুলোতে অলিম্পিকের কিছু-কিছু দারুন ইভেন্ট আছে, তখন যদি দেশে রোববারের-জন্য-ব্যবসা-বন্ধ সাইন দেখা যায়, বিষয়টি খুবই লজ্জার হবে।’

    তিনি বলেন, ‘সুতরাং এটি শুধু অলিম্পিক গেইমস ও প্যারালিম্পিকের রোববারগুলোর জন্য - ব্যস এতোটুকুই আমাদের আইনের প্রয়োজন এবং আমরা হয়তো এখান থেকে শিক্ষা নিতে পারবো - কিন্তু এটি শুধু অলিম্পিক গেইমের জন্য।’

    পাশে বসা শ্যাডৌ চ্যান্সেলার এড বলস চ্যান্সেলার ঔসবর্নকে চ্যালেইঞ্জ করে বলেন, ‘এটি যদি অলিম্পিকসের জন্যই হবে, তাহলে এখানে পরামর্শ করা প্রয়োজন ছিলো, এটি ঠিকভাবে করা উচিত ছিলো।’

    তিনি ‘মাদার্স ড্যে’র উল্লেখ করে বলেন, ‘আজ মাতৃত্বের রোববার, মায়েরা তাঁদের শিশুদের সাথে বাড়ীতে আছেন, কারণ রোববারে ব্যবসায়িক সময় মানে হচ্ছে তারা সকালটায় অবসর, এবং প্রকৃতই মনে করি রোববারের ব্যবসা সময়টি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আমাদের খুবই সতর্ক হওয়া উচিত।’

    দোকান কর্মীদের সংগঠন ইউনিয়ন অফ শপ, ডিস্ট্রিবিউটিভ এ্যাণ্ড এ্যালাইড ওয়ার্কার্স (উসডাউ)-এর জেনারেল সেক্রেট্যারী জন হ্যানেট বলেন, কেনো কনসাল্টেশন হলো না তার জন্য তিনি কালচার সেক্রেট্যারী জেরেমী হান্টের সাথে সাক্ষাত করে  অভিযোগ করবেন। তিনি বলেন,  ‘আইন পরিবর্তন করার সাথে চাকুরি সৃষ্টি কিংবা প্রবৃদ্ধি চাঙ্গা হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই, কিন্তু এই পরিবর্তন মিলিয়ন-মিলিয়ন দোকান-কর্মী ও তাঁদের পরিবারের জীবনে এটি খুবই ক্ষতিকর প্রভাব তৈরী করবে।’

    সরকারী নীতি দ্বৈততা দেখিয়ে ইউনিয়ন নেতা বলেন, রোববারে ব্যবসায়িক সময়ের ‘যে-কোনো পরিবর্তন সরকারের পরিবার-বান্ধব হবার প্রতিশ্রুতির সাথে বৈপরীত্যকেই তুলে ধরবে।’

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন