• লণ্ডন অলিম্পিকে ব্রিটেইনের স্বর্ণ-প্রাপ্তি ৬ষ্ঠ দিনে, বাংলাদেশের শুধুই অভিজ্ঞতা প্রত্যাশিত
    olympics_uk_heather_stanning_rowing_gold.jpg

    ইউকেবেঙ্গলি - ১ অগাস্ট ২০১২, বুধবারঃ  লণ্ডন অলিম্পিকের আয়োজক ব্রিটেইনের জন্য আজ ছিলো এ-পর্যন্ত সবচেয়ে বড়ো সাফল্যের দিন। মেয়েদের নৌকা-বাইচে বিজয়ী হওয়ার মধ্য দিয়ে এ-বারের মতো আজই প্রথম সোনা পেলো ব্রিটেইন। চার ঘন্টার ব্যবধানে বাই-সাইকেল-চালনা থেকে এলো দ্বিতীয় পদক। উৎফুল্ল প্রধানমন্ত্রী ডেইভিড ক্যামেরোন অভিনন্দন জানিয়েছেন সোনাজয়ী ব্রিটিশ প্রতিযোগীদেরকে।

    হীথার স্ট্যানিং ও হেলেন গ্লৌভারের যৌথ অংশগ্রহণে মেয়েদের নৌকা বাইচে প্রথম হয়েছে ব্রিটেইন। আনন্দিত গ্লৌবার বলেন, 'এ-বিজয় সারা দেশের'। এ-জুটিই ব্রিটেইনের ইতিহাসে প্রথম নারী, যাঁরা নৌকা-বাইচে স্বর্ণ-পদক জয় করলেন। গ্লৌভার পেশায় একজন শিক্ষক এবং স্ট্যানিং একজন সৈনিক।

    কয়েক ঘন্টা পরে আরও একটি সোনা ছিনিয়ে আনেন ব্র্যাডলি উইগিন্‌স। পুরুষদের ৪৪ কিলোমিটার রৌড সাইক্লিং-এ বিজয়ী হন ট্যুর দ্য ফঁসে বিজয়ী এ-সাইক্লিস্ট। তিনি মোট সময় নেন ৫০ মিনিট ৩৯ সেকেণ্ড। ৭টি পদক নিয়ে উইগিন্‌সই এখন পর্যন্ত ব্রিটেইনের ইতিহাসে এককভাবে সবচেয়ে বেশি অলিম্পিক পদক বিজয়ী।

    ৫৪১ জন প্রতিযোগী নিয়ে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র ব্রিটেইনই সবক'টি ইভেন্টে অংশ নিচ্ছে। অপর পক্ষে ষোলো কোটি মানুষের দেশ বাংলাদেশ অংশ নিচ্ছে মাত্র ৫-টিতে। তবে কোনো ইভেন্টেই সরাসরি অংশ নেয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি - 'ওয়াইল্ড কার্ডের দাক্ষিণ্যে' এবার মোট ৫জন প্রতিযোগীকে পাঠিয়েছে দেশটি। বাংলাদেশে অলিম্পিক কমিটীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এবারও কোনো পদক অর্জনের আশা তাঁরা করছেন না। উল্লেখ্য, ইতোমধ্যেই ৫টির মধ্যে ৩টি ইভেন্টে বাংলাদেশ অংশ নিয়ে বাদ পড়েছে।

    বিগত বেইজিং অলিম্পিকেও বাংলাদেশ ওয়াইল্ড কার্ডের সুবিধা নিয়ে মোট ৩টি ক্রীড়ায় অংশ নিয়েছিলো। ১৯৮৪ সাল থেকে অংশ নিলেও কখনোই কোনো পদক জিততে পারেনি দেশটি - যা অলিম্পিকে কোন পদক জিততে না-পারা বৃহত্তম জাতির রেকর্ড। আধুনিক অলিম্পিকের জনক বলে গণ্য ব্যারন পিয়েরে দ্য কুবর্ত বলেছিলেন, 'অলিম্পিকে জিততে পারা নয়, অংশ নেয়াটাই বড়ো কথা'।

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন