• ১৯৯৮ সালের মার্কিন দূতাবাস আক্রমণকারী মোহাম্মদ নিহতঃ দাবী যুক্তরাষ্ট্রের
    12somalisa2_span-articleLarge.jpg

    ইউকেবেঙ্গলি, ১১ জুন ২০১১, শনিবারঃ  ১৯৯৮ সালে কেনিয়ার নাইরোবিতে ও তাঞ্জানিয়ার দার-এস-সালামে মার্কিন দূতাবাসে বোমা আক্রমণের পিছনে থাকা আল-কায়েদা নেতা ফাজুল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদকে সোমালিয়ার রাজধানী মুগাদিসুতে হত্যা করা হয়েছে বলে শনিবার দাবী করেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

    নিউ ইয়র্ক টাইমস জানায়, মস্তকের উপর ৫মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরষ্কার ঘোষিত মোহাম্মদ শুক্রবার রাতে একটি কালো ফৌর-বাই-ফৌর টোয়েটা গাড়ীতে ভ্রমণরত অবস্থায় ভুল করে একটি চেকপয়েন্টে চলে আসেন। এ-সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে গোলাগুলিতে তিনি ও তার এক সাথী নিহত হন।

    উল্লেখ্য, মোহাম্মদের পরিকল্পিত নাইরোরি ও দার-এস-সালামের মার্কিন দূতাবাসের হামলায় ২০০-এরও বেশি প্রাণহানি ঘটে হারান এবং কয়েক হাজার আহত হন। এছাড়াও তিনি ২০০২ সালে কেনিয়াতে ইসরায়েলী মালিকানাধীন একটি হৌটেল-সহ দুটো ইসরায়েলী লক্ষ্যে হামলা চালিয়ে ১৩ ব্যক্তিকে হত্যা করেন এবং ইসরায়েল-গামী একটি যাত্রীবাহী বিমান ভূপাতিত করার চেষ্টা করেন।

    শনিবারে মোহাম্মদের মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হবার সময় মার্কিন পররাষ্ট্র-মন্ত্রী হিলারী ক্লিন্টন তাঞ্জানিয়ায় সফরে ছিলেন। তিনি খবর পেয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে এ-হত্যাকে ‘আল-কায়েদা, এর চরমপন্থী মিত্র এবং পূর্ব আফ্রিকাতে এদের অপারেশনের প্রতি একটি তাৎপর্যপূর্ণ আঘাত’ বলে বর্ণনা করেন।

    একজন মার্কিন কর্মকর্তা ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মোহাম্মদের মরদেহ চিহ্নিত করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন, কিন্তু কীসের ডিএনএ’র সাথে তার দেহের ডিএনএ’র তুলনা করা হয়েছে তা জানাতে পারেননি বলে নিউ ইয়র্ক টাইমস দাবী করে।

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন