• স্বামীর যৌন-আকাঙ্খায় সাড়া না দিলে স্ত্রীকে খাদ্য-বঞ্চিত করার রাষ্ট্রীয় বিধান আফগানিস্তানে

    স্বামীর ইচ্ছা-মত যৌন-আকাঙ্খা পূরণ না করলে স্ত্রীকে না খেতে দেয়ার অধিকার দিয়ে একটি রাষ্ট্রীয় বিধান চালু হয়েছে আফগানিস্তানে। এছাড়াও 'একান্ত নিরুপায় পরিস্থিতি' ছাড়া ঘরের বাইরে যাবার জন্য স্ত্রীকে স্বামীর কাছ থেকে অনুমতি গ্রহনের বাধ্যবাধকতার ধারাও যুক্ত করা হয়েছে নতুন বিধানে। জানা গেছে, দেশটির সংখ্যালঘু শিয়া সম্প্রদায়ের জন্য নতুন আইনটি প্রযোজ্য হবে। এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জিততে মরীয়া হামিদ কারজাই শিয়া সম্প্রদায়ের শীর্ষ ধর্মগুরুদের কাছ থেকে সমর্থন আদায়ের লক্ষ্য থেকেই নতুন বিধানটি চালু করেছেন বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

    বিলম্বে প্রচারিত সংবাদে প্রকাশ, গত জুলাই মাসের ২৭ তারিখে প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের সাক্ষরের মধ্য দিয়ে পূর্ব-উত্থাপিত একটি প্রস্তাবনা আইনে (গেজেট ৯৮৮) পরিনত হয়েছে আফগানিস্তানে। গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ সর্ব-প্রথম আফগান নারীর জন্য প্রযোজ্য নতুন আইনের বিভিন্ন দিক বহির্বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে। নতুন বিধাম-মতে, স্ত্রী যদি যৌন-আকাঙ্খা পূরণে যে-কোন কারনে অসম্মতি জানান তাহলে তাকে খাদ্য থেকে শুরু থেকে নিত্য-প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি থেকে বঞ্চিত করার অধিকার স্বামীর হাতে থাকবে। ঘরে বাইরের কাজে-কর্মে যেতে হলেও স্ত্রীকে অবধারিতভাবে নিতে হবে স্বামীর অনুমতি। এছাড়াও নতুন বিধানের বলে একজন শিশুর অভিভাবকত্ব লাভের অধিকার পিতা বা পিতামহের হাতে থাকবে। এক্ষেত্রে মায়ের জন্য কোন ধরনের অধিকার সংরক্ষন করা হয়নি। কোন-কোন বিশেষজ্ঞ মনে করছেন আইনটিতে এমন-সব ব্যবস্থা যুক্ত করা আছে যাতে করে একজন ধর্ষক ধর্ষনকালে আহত হওয়া একজন নারীকে নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ দেয়ার বিনিময়ে আইনী-প্রক্রিয়া থেকে রেহাই পেয়ে যেতে পারবেন।

    উল্লেখ্য, শিয়া ধর্মগুরুদের মনতুষ্টির লক্ষ্যে চলতি বছরের মার্চে শিয়া পার্সৌনাল স্ট্যাটাস ল -এ সাক্ষর করেন কারজাই। উক্ত আইনের খসড়াতে শিয়া-সম্প্রদায়ের সদস্যদের বিবাহ-বিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার, বিবাবেহ নুন্যতম বয়ঃসীমার নির্দেশনা ছাড়াও জরুরী কাজ ছাড়া ঘরের বাইরে যাবার জন্য স্ত্রীকে বাধ্যতামূলকভাবে স্বামীর অনুমতি-গ্রহন করার প্রস্তাব করা হয়েছিলো। এছাড়াও প্রস্তাবনাতে প্রতি চারদিনে অন্তত একবার স্বামীর সাথে যৌন-সম্পর্কের ব্যাপারে স্ত্রীর উপরে বাধ্যতা আরোপের কথা বলা হয়েছিলো। কট্টর ধর্মগুরু আয়াতুল্লাহ আসিফ মোহসেনী গোপনে এসব প্রস্তাবগুলো তৈরী করেন বলে তখন খবর বেরিয়েছিলো। পার্লামেন্টের কট্টরপন্থী শিয়া নেতারাও এসব প্রস্তাবে সমর্থন দিয়েছিলেন। তবে দেশের ভেতরে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনার মুখে সে-সময় আইনটি পুনঃমূল্যায়নের কথা জানিয়েছিলেন আফগান প্রেসিডেন্ট। দেখা যাচ্ছে, পূর্ব-অঙ্গীকার মোতাবেক মার্চের প্রস্তাবনাগুলো শিথিল করার পরবর্তে জুলাই মাসে এসে আইনটি পাস করে ফেলেছেন কারজাই।

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন কারজাইয়ের হাত দিয়ে পাস হয়ে যাওয়া আইনটি আফগান সংবিধানের ২২ নাম্বার ধারাটিকে সরাসরি লঙ্ঘন করেছে। ধারা ২২-এ নারী ও পুরুষের সমানাধিকার ও আইনের প্রতি সমান দায়িত্ব থাকার কথা বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, আগামী ২০ তারিখের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়লাভের জন্য দেশের সর্বাপেক্ষা প্রভাবশালী শিয়া ধর্মগুরু শেখ মুহাম্মদ আসিফ মোহসেনীর সমর্থনের উপরে অনেকটাই নির্ভর করেছেন হামিদ কারজাই। শিয়ারা আফগানিস্তানের মোট জনসংখ্যার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ। পর্যবেক্ষকরা জানাচ্ছেন, তালেবান শাসনমলে শিয়াদের নিপীড়িত হবার ব্যাপারটিকে কৌশলে ব্যবহার করে একচেটিয়াভাবে শিয়া ভৌট নিশ্চিত করার  লক্ষ্যেই শিয়া ধর্মগুরুদের চাহিদা-মোতাবেক নারী-বিরোধী আইনটি পাস করেছেন কারজাই। উল্লেখ্য, শিয়াদের মধ্যে চেঙ্গিস খানের বংশধর হিসাবে চিহ্নিত হাজারা সম্প্রদায় হচ্ছে আফগানিস্তানের সবচেয়ে বড় জাতিগত গ্রুপ। এ-সম্প্রদায়ের সদস্য সংখ্যা বর্তমানে কম-বেশি ৬০ লক্ষ। রাষ্ট্র বা সরকারের প্রতি আনুগত্যের পরিবর্তে গোত্রগত ব্যবস্থার প্রাধান্য-নির্ভর আফগানিস্তানে তালেবান-বিরোধী হাজরাই ভৌটের-বাজারে এবার কিং-মেকার হয়ে উঠেছেন।

    ১৭ অগাস্ট ২০০৯

পাঠকের প্রতিক্রিয়া

শালাদের চাবুক মারা উচিত। বর্বর, পশু।

10 kg stone should be hang on the pennis of SHIYA extremist and Mr. karzi. And they also called SON OF PIG.

শান্তির অরণ্য  ফিরে না পেলেও আমরা যে ক্রমান্বয়ে জঙ্গল-শাসনের দিকে যাচ্ছি, তা নিশ্চয়ই আর কাউকে ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন হবে না ! ধর্ম না কি ধর্মের ব্যবহারই পৃথিবীটাকে বাস্তবিকই বর্বর জংলি বানাতে মুখিয়ে আছে, তা ভাবনার বিষয় বৈ কি ! আশ্চর্যের কিছু নেই যখন হামিদ কারজাই নির্বাচনে সত্যি সত্যি জয়ী হয়ে যান।

right korechey............narira ektu beshi kore feltechey tai emonti kora amio bangladesh e korar jonno ekta protibedon korbo.

He he he aapnar protibedon koi? ;) ;)

মেয়েদের উপর আপনার ক্ষোভ আছে বুঝলাম। আপনার স্ত্রী যদি আপনার সাথে যৌণ সঙ্গমে আগ্রহী না হন তাহলে বুঝতে হবে তিনি আপনার প্রচেষ্টায় মোটেই তৃপ্ত নন। তাই তাকে শাস্তি দেয়ার আগে নিজেই পুরুষ-কর্মটি ভালভাভে রপ্ত করে নিন না!

Actually problem is not with the Afgan or any other nations those who are of  the same faith.They do it because the religious book says so. So, the problem is within the religion which one these Afgans , Pakistanis or Arabs folllow.Do you see that people from any other religion doing the same thing? May be some of the Hindus, Budhist or Christian men dominate the society in Bangladesh or India, Pakistan, but they are not such crazy.Because their religion don't say though.What they do because of culture where they live. But for Muslim religion is their culture and they do it by force.

salara lucca...sanda....honuman. eder boila kete dewa dorkar

দারুন তো!!আগ্রহ ভরে স্ত্রীর ভালবাসার জন্য আকুল, আর স্ত্রী চটাং চটাং কথা বলে পাস ফিরিয়ে শুয়ে পড়লো, খবরদার!! আমার কাছে আসবে না । তাহলে পুরুষরা যাবে কই? এসব বঞ্চিত পুরুষাই তো বেছে নিচ্ছে অবৈধ পথ গোপনে। পরকিয়া,অবৈধ যৌন সম্পর্ক,পতিতাবৃত্তি,যৌন হয়রানি এজন্যই তো বাড়ছে। তবে আইন করে নয়-- মেয়েদের আরো সহনশীল হতে হবে।
ইসলামে নারী-পুরুষের সমতা পরিস্কার করে বলা হয়েছে। যারা পড়ে দেখেন নাই, তারাই আজে বাজে মনগড়া কথা বলছেন -আইনও করছেন।
সেক্সের সময় foreplay করা এবং সেক্সয়ায়িত স্ত্রীর সেক্স-সন্তুস্টি মেটানো পুরুষের জন্য ওয়াজিব (অবশ্যই করনীয়)। আবার পুরুষের সেক্স বেশী থাকলে সবর্চ্চো চারটি পযর্ন্ত বউ রাখার ব্যবস্থা আছে সর্ত সাপেক্ষে, তবে অনুৎসাহিত করা হয়েছে।

আমি আপনার সাথে একমত নই। ইসলামে কখনো নারীকে সত্যিকার অর্থে সম্মান দেয়া হয়নি। গনিমাতের মাল হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। ভালো হয় রেফরেন্স দিয়ে মন্তব্য করলে।

ধিক্কার জানাই এমন আইনকে।
আমি মনে করি শিয়ারা সত্যিকারের মুসলমার নয়। তারা কোরআনে আদেশ বেশীর ভাগই পালন করে না। তাই তাদের সাথে ইসলামকে জরাবেনা।

তোমার জানা শোনার গভিরতা দেখে মুগ্ধ হচ্ছি।তুমি ডিম কোথায় রেখে তা দিচ্ছে আজকাল?পড়ালেখাটা আগে করো

এইখানে দেখছি ইসলাম সম্পর্কে অতি জ্ঞানী গুনিরা মন্তব্য করছে। হাসি পায় যখন দেখি ক্বোরান হাদিস না জেনেই বেশীরভাগ প্রগতিবাদী ইসলামের আধুনিকরনের পায়তারা করে।
 

চালিয়ে যান ভাই, আপনার লেখা ভাল লাগছে,আমার মনে হয় আপনিই সঠিক লাইনে আছেন।

এটাই ওদের ইসলাম

Aktu basi hoy galo na.Jiada Tite Karnaca Dury tute Jate hai.
 

আফগান শাসকদের বেঁচে থাকার কোন অধিকার নেই আমি তাদের ধ্বংস কামনা করি

Can you please give a reference where in Islam it says that you can force your wife to have sex.Being a born muslim I have never come accross any verses like this.It must be your own innovation to demonised muslim and there faith. 

Apnito maer pete janmanni.E dhoroner mantabba likhe apner nichuta proman korechen. Mone rakhben banglar me era apnake dorrah marbe. Lekhar age vebe chinte neen.

They want only sex partner!!!!!!!!!!!!!!!!!

* comment removed by webmaster *

i am not agree .islam says respect women. i know what is hijab. first hijab man then women
they want only sex partner...

Not only Religoin but capitalsim also used woman as property, even Lenin & Mao is not free from barbaric concept of Gender. In details- " Lenin Cheat & Betraying Marx So I.M.F The World Lord and ........with 3 other books are in www.icwfreedom.org.

এ কারনেই কি নবীজি ০৬ বছরের আয়শাকে বিয়ে করেছিলেন?! শুনেছি তিনি যখন আয়শার সাথে সহবাস করেছিলেন তখন শিশু বধুটির বয়স ছিলো ০৯ বছর। আরও শুনেছি নবিজির নাকি একাধিক কাজের মহিলা ছিলো যাদেরকে তিনি নিজের স্ত্রীর মতো ব্যবহার করতেন।
---------------------------------
উপরের তথ্য মনগড়া নয়। কেউ চাইলে রেফারেন্স দেয়া যাবে।

জটিল লিখছেন

"Men are in charge of women, because Allah has made the one of them to excel the other, and because they spend of their property (for the support of women). So good women are the obedient, guarding in secret that which Allah has guarded. As for those from whom you fear rebellion, admonish them and banish them to beds apart, and scourge them. Then if they obey you, seek not a way against them. Lo! Allah is ever High Exalted, Great." (Pickthall's version of the Koran, Quran, 4:34)

Good news

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd>
  • Lines and paragraphs break automatically.

লেখা ফরম্যাট করার বিষয়ে আরো তথ্য

আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন