নিয়ম মেনে কাজ করতে গিয়ে গত ৪ঠা সেপ্টেম্বর শুক্রবার লন্ডনে সহকর্মীর হামলাতে গুরুতর আহত হয়েছেন বাংলাদেশ থেকে আগত শিক্ষার্থী আশিক রহমান। লন্ডন লাইট নামের বৈকালিক পত্রিকা বিলির সময় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সহকর্মীদের ভাষ্যমতে, শুক্রবার বিকেল পৌনে চারটার দিকে কিংস ক্রস স্টেশন এর গেইটে আশিক রহমান তার টিম নিয়ে পত্রিকা বিলির কাজ করছিলেন। এ-সময় ওমর সোলাইমান নামে এক যুবক তার কাছে এসে দাবি করেন লন্ডন লাইট পত্রিকার নেটওয়ার্ক অফিস থেকে তাকে কাজের জন্য পাঠানো হয়েছে। আশিক ব্যাপারটি নিশ্চিত হওয়ার জন্যে নেটওয়ার্ক অফিসে ফোন করে জানতে চান জিন্স পরিহিত ওমর সোলাইমানকে পত্রিকা বিলি করার অনুমতি দেবেন কিনা। অফিস আশিককে জানায় ড্রেস কোড মান্য না করে জিন্স ট্রাউজার্স পরে কাজ করতে আসা সোলাইমানকে কাজ করতে দেয়া যাবেনা। আশিক অফিসের সিদ্ধান্তটি অবগত করা মাত্র ক্ষিপ্ত সোলাইমান হামলা চালায়। সোলাইমানের হামলাতে কিংস ক্রসের রাস্তাতে রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়ে যান আশিক; এ-অবস্থাতেই সোলাইমান পালিয়ে যান।
পরে সহকর্মীরা এগিয়ে এসে ৯৯৯ নাম্বারে ফৌন করলে জরুরী বিভাগের কর্মীরা আশিককে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ইউস্টন ইউনিভার্সিটি কলেজ হসপিটালে নিয়ে যান। সেখানে ডাক্তারদের পরামর্শে আশিককে হাসপাতালে ভর্তি করে নেয়া হয়। ইউকেবেঙ্গলির প্রতিবেদকের সাথে হাসপাতালের শয্যা থেকে টেলিফৌন আলাপকালে আশিকুর রহমান জানান হামলার ফলে মুখের বেশ কয়েকটি হাড় ভেঙ্গে যাওয়ায় তাকে অপারেশনে যেতে হয়েছে।
লন্ডন লাইটের নেটওয়ার্ক অফিস আশিকের ক্ষতিপূরণের ব্যাপারে এখন পর্যন্ত স্পষ্টভাবে কিছু বলেননি। পুলিশ এ-পর্যন্ত ওমর সোলাইমানকে আটক করতে পারেন নি। তার পুরো পরিচয়ও এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ থেকে আসা অনেক শিক্ষার্থীই বিভিন্ন সময়ে লন্ডন শহরের বিভিন্ন স্থানে কর্মরত অবস্থায় এ-ধরনের হামলার মধ্য পড়ছেন। আশিক রহমানের উপরে হামলার ঘটনা জানাজানি হবার পর থেকে বাঙালী শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
হাস্পাতালের বেডে আশিক
আশফাক চৌধুরী
১২ সেপ্টেম্বর ২০০৯


bhai ami o london lite a kaj
bhai ami o london lite a kaj kori. khobor nia jante parlam o holiday pay pacche. tahole or surviving a shomossha kothay? o aga ja tk pato akhon o shai tk pabe. age survive korte parle akhon shomossha kothay.
akhane amar point hocche fund rising ta ke jonno? ar or khotipuron er jonno to legal way ache. legal way ta o or khoti puron pabe.
ashole jara fund rising er kotha bolche tader uddassho onno kichu
akhane social work na korar point ta bujhlam na.