
ঘটনা-স্রোতে প্রতীয়মান হচ্ছে যে ১৫ই অগাস্ট হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের মধ্যে ঢাকা কারাগারে আটক পাঁচজনের মৃত্যুদন্ড কার্যকর হয়ে যাবে। দন্ড কার্যকর হবার মাধ্যমে অনেক কিছুই প্রতিষ্ঠিত হবে আবার বেশ কিছু বিষয় অবলুপ্তও হবে। তেমনি এক বিষয় হচ্ছে - শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনের শেষ মুহুর্তগুলো।
মুজিবের শেষ মুহুর্তগুলো কেমন ছিলো তা কি আমাদের জানতে ইচ্ছে থাকবে না? উনি কি পানি চাচ্ছিলেন? উনি কি কামাল-জামালকে ডাকছিলেন? স্ত্রীকে ডাকছিলেন? আল্লাহকে স্মরণ করছিলেন? উনি কি নিজের শরীর থেকে বেরুতে থাকা রক্ত-স্রোতের দিকে তাকিয়েছিলেন? ঘাতকদের দিকে তাকিয়েছিলেন, অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে? শেখ মুজিবের জীবনের শেষ মুহুর্তগুলোর অনুপল-ভিত্তিকভাবে বর্ননা মেজর (অব) বজলুল হুদা ছাড়া আর কেই বা দিতে পারবে? যদ্দুর জানা যায়, মেজর হুদা এবং মেজর নূর এই দুই জনই মুজিবের শরীরে গুলী চালিয়েছিলেন। নূর এখন বিদেশে পলাতক।
তাই দন্ড কার্যকর হবার পূর্বেই পল-অনুপলগুলির অনুপুঙ্খ একটি বর্ণনা দেয়ার জন্য বজলুল হুদার কাছে একান্ত আবেদন জানাচ্ছি। ঘাতকদের দাবী শেখ মুজিবকে হত্যা করে তারা জাতির উপকার করেছিলেন; আর আমাদের দৃষ্টিতে মুজিব-হত্যার মুহুর্তগুলোর বর্ণনা দিয়ে জাতির একটি উপকার করতে পারেন বজলুল হুদা।
সায়ীদুল হক খানঃ প্রবাসী বাঙালী
১৭/১১/০৯


if some army did not kill
if some army did not kill him , the general people of bangladesh through him power