সংবাদ পরিক্রমা
সংবাদ প্রতিবেদন
- জাতিসংঘের সামনে একুশে উদযাপিতবিশেষ প্রতিনিধি
একুশের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে দুর্নীতিমুক্ত ও অসাম্প্রদয়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা এবং বহির্বিশ্বে বাঙালী জাতির গৌরবকে সমুন্নত করার শপথ উচ্চারণ করে অন্যান্যবারের মত নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সামনে একুশে ফেব্রুয়ারী উদযাপিত হয়েছে শনিবার। জাতিসংঘ, ইউনেস্কো, ইউএনডিপি, বাংলাদেশ কনস্যুলেট, কাউন্সিলম্যান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, জাসদ, কমিউনিস্ট পার্টি, কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রাটগার্টস ইউনিভার্সিটি, লাগার্ডিয়া কলেজসহ প্রায় শতাধিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন এবারের একুশে উদযাপনে অংশ নেয়।
একুশে উদযাপনের প্রথম পর্বে সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. আব্দুল মোমেন, কনসাল জেনারেল এম শামসুল হক, কাউন্সিলম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা ড. নূরন নবী, কথাসাহিত্যিক ড. জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত, সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ প্রমুখ।
রাত ১২-০১ মিনিটে অস্থায়ীভাবে নির্মিত শহীদ মিনারে সর্ব-প্রথমে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে একুশের প্রতি শ্রদ্ধা-জ্ঞাপনের জন্য উপস্থিত মানুষ-জনের মধ্যে সর্ব-কনিষ্ঠ শিশুটি। এরপর উপস্থিত সকল সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি-বৃন্দ ও সাধারণ মানুষ-জন বায়ান্ন সালে একুশে ফেব্রুয়ারীর শহীদদের স্মরণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। একুশে স্মরণে জাতিসংঘের সামনের উদযাপন-পর্বটি পরিচালনা করেন বিশ্বজিত সাহা। রাত ২টায় অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। নিউইয়র্কের অনুষ্ঠান থেকে একুশের শহীদদের স্মরণে ঢাকায় আয়োজিত 'দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট' কর্মসুচির সাথে সংহতি প্রকাশ করা হয়।
এছাড়াও এবার নিউইয়র্ক পার্ক ডিভিশনের পরিচালক ক্যাথি রিচার্ড, জাতিসংঘে নিযুক্ত ফ্রান্সের উপস্থায়ী প্রতিনিধি শেন ব্যাপটিস্ট, ম্যানহাটান পাবলিক লাইরেব্রীর কর্মকর্তা এবং লাঙ্গুয়েজ বিভাগের সহকারী চেন ওয়াকিসহ আমেরিকার মূলধারার বহু মানুষ-জনের উপস্থিতিতে বাঙালীর চেতনা মঞ্চ ও মুক্তধারা ফাউন্ডেশন এর আয়োজনে জাতিসংঘের সামনে একুশের প্রথম প্রহর পালিত হয়।
২২/০২/১০