• আমাদের জীবন চলে যায়
    মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান

    আমাদের জীবন চলে যায়

    আমাদের ছেড়ে

    ক্ষেত খামার ফসলের গা বেয়ে চলে যায়

    চলে যায় কিশোরী মেয়ের বুক চিরে

    আমাদের জীবন চলে যায় আমাদের ছেড়ে

    প্রতিরাতে তেড়ে আসে শুয়োরমুখো ক্রসফায়ার

    প্রতিরাতে চুরি যায় আমাদের স্বপ্ন

    তবুও নিয়ম করে বাচ্চা পয়দা হয়

    ক্ষুধার জঞ্জালে জন্ম নেয় অপুষ্ট শিশু

    বাপের আজন্ম ক্ষুধায় জন্ম নেওয়া বোনেরা আমার

    শহর থেকে শহর দাবড়ে বারবনিতা হয়ে ফেরে

    আমরা তাদের চটকাই ময়দা মাখার মত

    আমরা তাদের ছুঁড়ে ফেলি ব্যবহৃত কনডমের মত

    আর যারা প্রতিবাদ করে কিম্বা নেহাত কবি ভবঘুরে

    গোপন অস্ত্রের মত স্বপ্ন লুকিয়ে রাখে

    অভাবের মগজে তারা একে একে কাটা যায়

    কলে পড়া যন্ত্রের মত রাজার কালো কালো সান্ত্রিদের ক্রসফায়ারে

    আমাদের স্বপ্ন চুরি যায় প্রতিদিন প্রতিরাতে

    গ্রাম দূর হতে গ্রামান্তরে চলে গেছে সখিনা শেফালিরা

    পাশের বাড়ির হিন্দু দিদিমনি রোজ সন্ধ্যায় সীতার বনবাস

    পড়তে পড়তে যার চোখের কোনে জল চিক চিক করে উঠতো

    মনে তার আজন্ম সীতা হাওয়ার সাধ

    তার গতরে ঢুকে যায় ভিন ধর্মের রক্তরক্ত না পাপ!

    আহা! আমার রক্ত করবির ফুল, তুমি কোন বাগানে ফোটোগো

    দিদি আমার সীতার মত অগ্নিপরীক্ষা পাশ না ফেল দিয়ে

    ঝুলে পড়ে আম কাঁঠালের ডালে

    চুরি গেছে স্বপ্ন বয়সও বেড়ে গেছে

    শুধু শৈশবের চির অবাধ্য রঙ খেপাটে

    ঝড়ের মত একবার ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছে করে শহরের সব ইমারত

    যারা ভালো আছে যারা আমাদের ছেড়ে চলে গেছে

    তাদের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে বলতে ইচ্ছে করে

    মানুষ এইভাবে বাঁচেনা

    ২৪/১০/১০




পাঠকের প্রতিক্রিয়া

Sundor kobitar jonno ojessro donnobad

 
কবিতার ব্যাকরণ রক্ষা হয়েছে কিনা জানিনা, কিন্তু পড়ে মনে হয়েছে একটি কবিতা পড়লাম। সুন্দর পরিমিতিবোধ।
কম-পঠিত কবি বোরহানউদ্দীন খান জাহাঙ্গীরের কবিতাতে এরকম স্বাদ পেয়েছি এক সময়।

কবিতার শিল্পরুপের শিক্ষক বকর সাব
আমি কুনোমতে বুঝতে পারলাম না ভাই, এই কবিতাডা কেনো কবিতা হইনি?‍আধুনিক বাংলা কবিতার নামে যেসব লেখা ঝুকা হইতেছে এই কবিতাডা সেরকম হইনি তাই বলে কি বকর সাব কবিতার কাতারে একে ফেলবেন না?তবে বকর সাব জেনে রাখুন, কোনডা কবিতা আর কোনডা কবিতা না এর জন্য আপনি এতো দ্রুত কোনা সিদ্ধান্তে আসতে পারেন না। আর অন্ততো ১শ বছর অপেক্ষা করুন।আপনি বেছে থাকবেন না। তখন হয়তো দেখবেন এইগুলানই কবিতা হইছে আরযেগুলানরে কবিতা কইতেছেন, সেগুলান উইপুকায় কাটতাছ।

TOR BARITE BHAT ACHHE TUI KOBITA BUJHTE ESCHIS?

আমি আসলে বুঝতে পারছি না বক্করের বকর বকর।বক্কার যদি কবিতার নন্দন তত্ব নিয়ে একটু বিশদ আলোচনা করেতন তবে কৃতার্থ থাকতাম তাঁর কাছে

I am sure the lines of first stanza is the repeated uttering of most popular ordinary sentences, are repeated resonance of elementary Marxist believers.
What is the problem with birth of human child, is it all about the hunger? The same extraction of nocturnal romanticism regarding the urban volatile sex worker, the same names quoted as the representatives of girls as the middle class always do are the most efforts used to draw attention in Arif's poem.
This sort of observation have enough been repeated in the literature, No more of it can satisfy a taste of poetry, let alone the issue of Form and other critique.
On thing may be regarded as inspiring, the poet's stance against crossfire. He can be appreciated for the slogan.
I think this is the centre of his endevour, to bring the issue to the sensitivity of the readers.
After all this is completely rubbish if it is given the respect of a poem which it does never deserve.

হে হে হে! বকর সাবে সেই গল্পটা মনে করাইয়া দিলেন - ঐ যে, এক চোর সারা রাইত চুরি কইরা গেছে পুকুরে হাত-মুখ ধুইতে। পুকুরের আরেক পাড়ে এই মুসুল্লী গেছে ফজরের নামাজের লিগা অযু করতে! চরে ভাবতাসে ঐ বেডাও মনে হয় সারা রাইত চুরি করছে! হে হে হে! বকর সাব এইরোম কইরা ধরা খাইলেন! খেক খেক খেক!

I feel like I am getting responds from those who have a particular responsibility to raise Arifuzzaman a poet and hurt at the remark which may devastate their project.

আমি বিষয়টি বুঝলাম না কেন কবিতা হয়নি!তবে এটা হতে পারে যে, বিমূর্তকরেণর  নামে যেসব চলছে আজ তার প্রতি আবু বক্করের এক ধরেণর ভালো লাগা থাকতে পারে। আর থাকাটা কিন্তু অপরাধ না। তবে ফর্মের বা আঙ্গিকের নামে আমি কবিতার ভাবকে উড়িয়ে দেবার পক্ষপাতি নই। কবিতাতো একধরেনর ভাব যা আরেক পাঠককে তাড়িত করে। আরিফের কবিতাটি শ্লোগান-এর টান রয়েছে সত‌্য তবে মনে রাখা দরকার যে মাঝে মাঝে শ্লোগান অনেক বেশি প্রয়োজনীয় ...............

আমি বিষয়টি বুঝলাম না কেন কবিতা হয়নি!তবে এটা হতে পারে যে, বিমূর্তকরেণর  নামে যেসব চলছে আজ তার প্রতি আবু বক্করের এক ধরেণর ভালো লাগা থাকতে পারে। আর থাকাটা কিন্তু অপরাধ না। তবে ফর্মের বা আঙ্গিকের নামে আমি কবিতার ভাবকে উড়িয়ে দেবার পক্ষপাতি নই। কবিতাতো একধরেনর ভাব যা আরেক পাঠককে তাড়িত করে। আরিফের কবিতাটি শ্লোগান-এর টান রয়েছে সত‌্য তবে মনে রাখা দরকার যে মাঝে মাঝে শ্লোগান অনেক বেশি প্রয়োজনীয় ...............

কবিতা হয় নাই কেনো তা একটু বলেন আবু বকর।

আবু বাকার সিদ্দিকীকে বলছিঃ কবিতা হয় নাই বলেছেন ভালো কথা। কেনো হয় না তা বলেন। আমরা সমৃদ্ধ হই। আপনার মন্তব্যটি বিশেষ একটি দৃষ্টিভঙ্গী দ্বারা প্রভাবিত মনে হচ্ছে।

একেবারে এ্যাট অল কবিতা হইছে এইরোম একটা কবিতার নাম যদি বকর সাবে আমগোরে দিতেন তাইলে আমরা মুক্কু শুক্কু মানুষ বুঝতারতাম কবিতা কি জিনিস। কিংবা বাহে যদি একটু বুঝায়া কৈতেন কোন অপরাধে আরিপসাবের এই ইয়েখান কবিতা হইয়া উঠপার পারে নাই, তাইলেও কৃতার্থ হইতাম। তা না কৈরা বকর সাবে যেমনে সবজান্তা শমসের সাইজা কবিতা হওন আর না হওনের রায় দিলেন তাতে মুনে হইলে বকর সাব আসলে বাকের ভাই, সেই যে বাকের ভাই, যিনি লগে মজনু মস্তানরে লৈরা ঘুরেন আর হাওয়ামে উড়তা যায়ে গীত শুনেন।

কয়েকদিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ( ডাসের পেছনে) শহীদ আসাদ দিবস উপলক্ষে যে ধারাবাহিক অনুষ্টান চলছে সেখানে মোহাম্মদ আরিফুজ্জামানের ‌‌নিশব্দের অশ্বারোহি কবিতাটি আবৃতি শুনলাম। সত্যি বলতে কি আমাকে এভাবে অনেকদিন বাংলা কবিতা ভেতর ধরে টান দেয়নি। আরিফরে এই কবিতাটাও অন্যরকম। আমি আপনার সাথে একমত হতে পারছি না।এখন কবিতার  নামে যেসব চলছে এখানে..............

It has not been a poem at all, unfortunately failed to create any sense of poetry in it.
 
 

এরকম কবিতা অনেকদিন পড়িনা। মোহাম্মদ আরিফুজ্জামানের নি:শব্দের অশ্বারোহীর মতই চাবকু মেরে মগজে এক দারনু ঝড় তুলেছে। শ্লোগান যর কবিতাকে ছাড়িয়ে যায় মাঝে মাঝে তা বুঝতে পারলাম।সহজ কথা এভাবে আমাদের বলছে না আজকাল। শুধু ফর্মের নামে কবিতার যে চর্চা হচ্ছে ঢাকায় তা থেকে একদম ব্যতিক্রম আরিফের কবিতা।

সহজ করে বলা হয়ে গেল আমাদের বর্তমান শব্দের চাবুকে ঘা লেগেছে মনে

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন