• পথের শেষ কোথায় / ১
    লিখেছেন: 
    মিনার মনসুর

    ১.
    আখেরে সবকিছু কি তবে মন্দদের অধিকারেই যাবে?

    সব ধরনের বই-ই আমাকে টানে। তবে আমার সবচেয়ে পছন্দের বিষয় সম্ভবত ইতিহাস। এর সূত্রপাত স্কুল-জীবনেই। ইতিহাস পাঠের নেশা আমাকে এতোটাই পেয়ে বসেছিল যে বছরের শুরুতে নতুন পাঠ্যবই হাতে আসা মাত্রই নিজের ইতিহাস বইটি পড়া শেষ করে বড়ো ভাইদের উপরের ক্লাসের বইগুলোও পড়ে ফেলতাম। এর বিস্ময়কর প্রভাব পড়েছিল পরীক্ষার ফলাফলেও। স্কুলে পরপর কয়েক বছর ইতিহাসে পুরো নাম্বার পাওয়ার জন্য রাশভারী প্রধান শিক্ষকের কাঠগড়ায়ও দাঁড়াতে হয়েছিল আমাকে। আমার জবান-বন্দি সম্ভবত তাঁকে সন্তুষ্ট করেছিল। ফলে কোনো দন্ড পেতে হয় নি। দীর্ঘদেহী মানুষটি দু’চোখ বুঁজে শুধু মাথা নেড়েছিলেন। নবম শ্রেণীতে উঠে বাবার আগ্রহে আমি যখন নিজেকে বিজ্ঞান গ্রুপভুক্ত করলাম তখন মুদুকণ্ঠে তিনি শুধু বলেছিলেন, তুমি মানবিক বিভাগে পড়লেই ভালো করতে। তার অর্থ আমি বুঝেছি অনেক পরে।   

    ইতিহাসের প্রতি আমার এ-আগ্রহের কারণ নিয়ে আমি নিজেও ভেবেছি। আমার বন্ধুরা বলে, সন-তারিখ কিংবা রাজ-রাজড়ার যুদ্ধ-বিগ্রহ নিয়ে সময় নষ্ট করার কোনো মানেই হয় না। আমি ভাবি, ইতিহাসে কি শুধু সন-তারিখ আর রাজ-রাজড়ার যুদ্ধ-বিগ্রহেরই বিবরণ থাকে? পন্ডিতরা যাই বলুন আমার কিন্তু তা মনে হয় না। এটা হয়তো ঠিক যে ইতিহাস দু’রকমই হতে পারে: একটি হলো রাজা-রাজড়ার ইতিহাস; আর অন্যটি হলো আম-জনতার ইতিহাস। তবে পথ ভিন্ন হলেও উভয় ধরনের ইতিহাসের গন্তব্য অভিন্ন বলেই আমার ধারণা। কে না জানেন যে রাজায়-রাজায় যুদ্ধ হয় আর প্রাণ যায় উলু-খাগড়ার। এই উলু-খাগড়া হলো সাধারণ মানুষ। মজার বিষয় হলো রাজ-রাজড়ার যুদ্ধ-বিগ্রহের ভেতরেও পরতে- পরতে মিশে থাকে এই উলু-খাগড়াদেরই কাহিনী। আবার যখন আমরা উলু-খাগড়াদের ইতিহাসে মনোনিবেশ করি, সেখানেও পদে-পদে আমাদের প্রত্যক্ষ করতে হয় দুবির্নীত রাজা-রাজড়াদের তরবারির আস্ফালন।  

    নিজেকে যতদূর জানি তাতে মনে হয় আসলে আমার আগ্রহ মানুষকে নিয়ে। সত্যি বলতে কী, আমি এখনও শিশুর কৌতূহল নিয়ে মানুষকে দেখি। আর যতো দেখি ততোই বিস্মিত হই। আবেগ-উত্তেজনার বশে কদাচিৎ এমন চরম সিদ্ধান্তও নিয়েছি যে মানুষ আসলেই অত্যন্ত খারাপ। কিন্তু পরক্ষণেই হয়তো ঠিক বিপরীত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছে আমাকে। অচেনা বা অল্প-চেনা কোনো মানুষের ভালো-মানুষী দেখে অভিভূত হয়ে পড়েছি। ভাবি, অপরের কথা বলি কোন্ সাহসে? দশকের পর দশক নিজের সঙ্গে বসবাস করেও নিজেরই কোনো ঠিক-ঠিকানা খুঁজে পাই না! আমার ধারণা, ব্যক্তি-মানুষের তল পাওয়াই যেখানে কঠিন, সেখানে মানব-সমগ্রকে একত্রে পাওয়া যায় ইতিহাসে। বোঝা যায়, তাদের গতি-প্রকৃতি। অনেকটা উঁচু থেকে দেখা নদীর মতো। নদীতে নেমে বা নদীর পাড়ে বসে নদীকে ঠিক ততোটা চেনা যায় না, যতোটা চেনা যায় উঁচু থেকে বা দূর থেকে। আমার মনে হয়, ইতিহাসও তাই। মানুষকে অনেক উঁচু থেকে দেখা, একসঙ্গে দেখা। মানুষের মধ্যেই আমাদের বসবাস। কিন্তু বলতে দ্বিধা নেই, মানুষকে আমরা খুব সামান্যই চিনি। মানুষকে জানার অদম্য তৃষ্ণাই হয়তো আমাকে টেনে নিয়ে যায় ইতিহাসের আলো-ছায়াময় রোমাঞ্চকর জগতে।
    মানুষের কোথায় শুরু কোথায় শেষ তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন। কিন্তু এও তো সত্য যে ইতোমধ্যে অজস্র জল গড়িয়ে গেছে মানব-সমুদ্রে। গুহা-যুগ পার হয়ে মহাশূন্যেও এখন তার সদম্ভ পদচারণা। মানুষ সম্পর্কে কতোটুকুই বা জেনেছি আমরা! কী বলে ইতিহাস আমাদেরকে? মানুষ কি আসলেই খুব ভালো? তার উপর কি পুরোপুরি আস্থা রাখা যায়? নাকি মানুষ মূলতই খারাপ। তার উপর আস্থা রাখার তো প্রশ্নই আসে না। ‘ইতিহাসের রায়’ বলে একটি কথা শুনা যায়। বাস্তবতা হলো মানুষ সম্পর্কে ইতিহাস অদ্যাবধি কোনো মীমাংসায় পৌঁছাতে পারে নি, ভবিষ্যতেও পারবে বলে মনে হয় না।

    ইতিহাস আদৌ কোনো রায় দেয় কিনা তাও বলা মুশকিল। আমার তো মনে হয়, ইতিহাসের কাজ হলো শুধু তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরা। সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব আমার-আপনার। ইতিহাসে মানুষ সম্পর্কে যে তথ্য পাওয়া যায় তার ভিত্তিতে আমি-আপনি হয়তো নিজ-নিজ মতামত ব্যক্ত করতে পারি কিন্তু মানুষ সম্পর্কে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি না। আপনি যদি মানুষকে খারাপ প্রমাণ করতে চান তাহলে যেমন ইতিহাসে তথ্য-প্রমাণের কোনো অভাব হবে না, তেমনি যদি ভালো প্রমাণ করতে চান তাহলেও উপযুক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ নিয়ে ইতিহাস স্বয়ং আপনার পাশে এসে দাঁড়াবে।

    প্রশ্ন হলো, ইতিহাস যদি মানুষ সম্পর্কে আমাদের তৃষ্ণা মেটাতে অপারগ হয় তাহলে কি আমরা হাল ছেড়ে দেব? না, হাল ছেড়ে দেওয়া যাবে না। এটা মানুষের প্রকৃতি-বিরুদ্ধও বটে। মানুষ কখনই ব্যর্থতা মেনে নেয় নি। একটি পথ রুদ্ধ হলে তারা অন্য পথ খুঁজে বের করেছে। এ-ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম হয় নি। ইতিহাস ছাড়াও মানুষ সম্পর্কে বলার অধিকার রয়েছে আরও একজনের। তার নাম হলো সাহিত্য। যুগে-যুগে মানবরহস্য বিষয়ে অনুসন্ধিৎসু মানুষ ইতিহাসের চেয়ে বরং বেশি শরণাপন্ন হয়েছে সাহিত্যের। ইতিহাস বা সাহিত্য কোনোটাই যখন তৈরি হয় নি তখনকার কথা অবশ্য ভিন্ন।

    ইতিহাসের শিক্ষা গ্রহণে যারা দ্বিধান্বিত তারাও অকাতরে গ্রহণ করেছে সাহিত্যের পথ-নির্দেশনা। কারণ সাহিত্যের ক্ষমতা অসীম। ইতিহাসের দৌড় যদি হয় মানুষের সদর দরোজা অবধি, সেখানে সাহিত্যের বিচরণ মানুষের অন্তরের অন্তঃস্থলে। তাই মানুষ সম্পর্কে সাহিত্যের সিদ্ধান্ত বা রায়ের তাৎপর্য এক-কথায় অপরিসীম। তবে আপনি যদি মানুষ সম্পর্কে সাহিত্যের রায় শুনতে চান তাহলে আপনাকে হতাশ হতে হবে। কারণ মানব-চরিত্রের দুর্জ্ঞেয় রহস্যের মতো সেও এক বিশাল বিচিত্র জগৎ। তাই একজন সামান্য পথিক হিসেবে আমি অবাক বিস্ময়ে একবার মানুষকে দেখি, আরেকবার সাহিত্যকে দেখি।      

    ২.
    স্বেচ্ছা-নির্বাসিত কবি শহীদ কাদরীর কবিতা পড়ছিলাম; অনেক দিন পর। তাঁর তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘কোথাও কোনো ক্রন্দন নেই’ প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭৮ সালে। তিন দশকেরও বেশি সময় পর প্রকাশিত চর্তুথ কাব্যগ্রন্থটির নাম ‘আমার চুম্বনগুলো পৌঁছে দাও’। নাম শুধু নয়, কবিতাগুলোও কাঁসার থালা-বাটির মতোই ঝকঝকে। কাইয়ুম চৌধুরীর প্রচ্ছদটিও তাই। চোখ ফেরানো যায় না। মলাটে হাত বুলাতে ইচ্ছে করে। শহীদ কাদরীর কবিতার সঙ্গে আমার পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা শৈশবেই। আমি যে-ধরনের কবিতা অধিক পছন্দ করি শহীদ কাদরী সেই জাতের কবি নন। তারপরও যতোবার আমি তার কবিতার মুখোমুখি হয়েছি, কাঁসার থালা-বাটির মতো অনন্য এক ঔজ্জ্বল্য আমাকে উদ্ভাসিত করেছে।

    আমাদের কোনো কবিই নিস্তার পান নি কালের ধূলোর প্রবল আগ্রাসন থেকে। পঞ্চাশের ও ষাটের দশকে চেঙ্গিস খানের তরবারির মতো পংক্তি রচনা করেছেন এমন কবিরাও এখন ধূলি-ঝড়ে ম্রিয়মাণ। আমি বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ্য করি যে সেই ধূলি-ঝড় কাবু করতে পারে নি শহীদ কাদরীর কবিতাকে। অথচ তার জীবনেই বয়ে গেছে সবচেয়ে বেশি ঝড়। দীর্ঘ প্রবাস জীবনের ভয়াল নিঃসঙ্গতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নানা-রকম দুরারোগ্য ব্যাধির পীড়ন। কিন্তু কবিতায় তার ছাপ নেই বললেই চলে। সেখানে বরং হীরক-খন্ডের মতো বিচ্ছুরণ দেখি। প্রিয় পাঠিকা ও পাঠক, অনুগ্রহ করে নিচের পংক্তিগুলো লক্ষ্য করুন:

    কিন্তু না, সব কথা
    আজ আমার বলা সম্ভব নয়। ঐ যে তোমরা যাকে বলো শ্বাপদসঙ্কুল অরণ্য
    ওখানেই আমাকে পাবে
    (ওটাই আমার শেষ আশ্রয়)
    না, হাতে সময় নেই
    পালাতে হচ্ছে এখুনি
    দ্যাখো! দ্যাখো!
    পাহাড়ের সানুদেশ বেয়ে উঠে আসছে
    তলোয়ার
    এবং
    রাম-দা কাঁধে একদল লোক যাদের
    দখলে চলে গেছে আমাদের সবচে প্রিয় শহর এবং গ্রামগুলো।

    (আমার চুম্বনগুলো পৌঁছে দাও/শহীদ কাদরী)

    পরাজিত পলায়নপর এক মানুষের দীর্ঘ-শ্বাস আমাকে স্তব্ধ করে দেয় কয়েক মুহূর্তের জন্য। শহীদ কাদরীর কণ্ঠে এমন সুর শুনতে আমার কান একেবারেই অভ্যস্ত নয়। তাই মূল সুরটি খুঁজে পাওয়ার জন্য পুরো কাব্যগ্রন্থটি বার-দুয়েক পড়েছি। আমার মনে হয়েছে, মূল সুর এটাই। কবিতাগুলো পড়তে-পড়তে আমার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের দিকের লেখা কয়েকটি কবিতার কথা মনে পড়ে। বিশেষ করে মনে পড়ে ‘রূপ-নারানের কূলে’ কবিতার কথা। কবিতাটির রচনাকাল ১৩ মে ১৯৪১।  
    রূপ-নারানের কূলে
    জেগে উঠিলাম;
    জানিলাম এ জগৎ
    স্বপ্ন নয়।
    রক্তের অক্ষরে দেখিলাম
    আপনার রূপ
    চিনিলাম আপনারে
    আঘাতে আঘাতে
    বেদনায় বেদনায়;
    সত্য যে কঠিন
    কঠিনেরে ভালোবাসিলা
    সে কখনো করে না বঞ্চনা।

    সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে জীবনানন্দ দাশের বহুল উদ্ধৃত অসাধারণ সেই পংক্তিগুলোর কথা:

    অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ-পৃথিবীতে আজ,
    যারা অন্ধ সবচেয়ে বেশি আজ চোখে দ্যাখে তারা;
    যাদের হৃদয়ে কোনো প্রেম নেই প্রীতি নেই করুণার আলোড়ন নেই
    পৃথিবী অচল আজ তাদের সুপরামর্শ ছাড়া।
    যাদের গভীর আস্থা আছে আজো মানুষের প্রতি
    এখনো যাদের কাছে স্বাভাবিক ব’লে মনে হয়
    মহৎ সত্য বা রীতি, কিংবা শিল্প অথবা সাধনা
    শকুন ও শেয়ালের খাদ্য আজ তাদের হৃদয়।

    (অদ্ভুত আঁধার এক/জীবনানন্দ দাশ)

    কবিতাটির রচনাকাল আমার জানা নেই। তবে এর বয়স অর্ধ-শতাব্দীর কম যে নয় তা নিশ্চিত। ধরে নেওয়া যায়, জীবনানন্দ দাশের অঙ্কিত এ-চিত্রটি গত শতাব্দীর ত্রিশের বা চল্লিশের দশকের। অথচ কী অদ্ভুত মিল শহীদ কাদরীর আজকের উপলব্ধির সঙ্গে! শত-সহস্র শহীদের রক্তস্নাত এই স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যারা শুধু টিকে থাকার জন্য দাঁতে-দাঁত চেপে নিরন্তর সংগ্রাম করে যাচ্ছি তাদের বর্তমান অভিজ্ঞতাও কি ঠিক তা-ই নয়? বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও গবেষক অশ্রুকুমার সিকদার তাঁর ‘নবীন যদুর বংশ’ গ্রন্থের ভূমিকায় লিখেছেন, ‘মানুষ চিরকালই নিজের সময়কে সংকটের সময় বলে ভেবে এসেছে; ভেবেছে তাদেরই জীবনের বছরগুলি খেয়ে গেল পঙ্গপালে।’ এ ভাবনা কি অহেতুক? এর কি কোনো শক্ত বাস্তব-ভিত্তি নেই? ভিত্তিই যদি না থাকে তাহলে কবি বা লেখকের চেতনায় তা এলোই বা কী করে? মাছ ঘাই না দিলে কি কখনও পুকুরের শান্ত জলে কম্পন জাগে? তবে কি ধরে নিতে হবে যে দেশ-কাল নির্বিশেষে মানব-চরিত্রে মন্দের পাল্লাই ভারী? আখেরে সবকিছু কি তবে মন্দদের অধিকারেই যাবে?

    ঢাকা: ২০ জুলাই ২০০৯

    মিনার মনসুরঃ কবি ও সাংবাদিক
    ই-মেইলঃ minarmonsur@gmail.com   

    আপলৌড ২২ জুলাই ২০০৯

পাঠকের প্রতিক্রিয়া

ভালো লেগেছে।

বাসে চড়ে তিন তিন ছয় ঘন্টা ধরে কলেজে শিক্ষকতার জন্য যাওয়া-আসার সময় মনে হয় জীবনটার সব কিছু মন্দের অধিকারে যাবে না।যেতে পারে না।

I don't thinks so. This country and the people
have much strength inside. It can't fail.

পরাজিত পলায়নপর এক মানুষের দীর্ঘ-শ্বাস আমাকে স্তব্ধ করে দেয় কয়েক মুহূর্তের জন্য। শহীদ কাদরীর কণ্ঠে এমন সুর শুনতে আমার কান একেবারেই অভ্যস্ত নয়। তাই মূল সুরটি খুঁজে পাওয়ার জন্য পুরো কাব্যগ্রন্থটি বার-দুয়েক পড়

nice post you have managed

দ দাশের অঙ্কিত এ-চিত্রটি গত শতাব্দীর ত্রিশের বা চল্লিশের দশকের। অথচ কী অদ্ভুত মিল শহীদ কাদরীর আজকের উপলব্ধির সঙ্গে! শত-সহস্র শহীদের রক্তস্নাত এই স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যারা শুধু টিকে থাকার জন্য দাঁতে-দাঁত চেপে

আপনার মন্তব্য

এই ঘরে যা লিখবেন তা গোপন রাখা হবে।
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd>
  • Lines and paragraphs break automatically.

লেখা ফরম্যাট করার বিষয়ে আরো তথ্য

আপনি নিবন্ধিত সদস্য হলে আপনার ব্যবহারকারী পাতায় গিয়ে এই সেটিং বদল করতে পারবেন